এক বছর টাকা না কামালে কী এমন ক্ষতি হবে? প্রশ্ন শোয়েবের

0
503

আইপিএলে করোনার হানায় স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিসিসিআই। তবে আইপিএল বন্ধ করতে আগেই সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটার শোয়েব আখতার। এবার তাঁর আঙুল বিসিসিআইয়ের দিকেই।

Advertisment

বেশ কিছুদিন আগে ভারতে যখন প্রতিদিনই ৩ লাখেরও বেশি করোনা শনাক্ত হচ্ছে তখনই জানান, এই মুহূর্তে আইপিএল বন্ধ করে দেওয়া উচিত। মানুষ যেখানে অক্সিজেনের অভাবে মরছে, সেখানে আইপিএলে টাকা নষ্ট করার কোন মানে হয় না। পাকিস্তানের সাবেক পেসার শোয়েব আখতার আগাম বার্তা দিয়ে রাখলেও নিজেদের গতিতেই ছুটছিল আইপিএল।

তবে শেষ পর্যন্ত করোনার থাবায় বন্ধ করতে হলো আইপিএল। মানুষ যেখানে মরছিল সেখানে বিসিসিআই উল্টো পথে হাঁটায় ক্ষুদ্ধ শোয়েব আখতার। বিসিসিআইয়ের উদ্দেশে বলেন, এক বছর টাকা না কামালে কী এমন ক্ষতি হবে? নিজের ইউটিউব চ্যানেলে এই ইস্যূতে তিনি বলেন,

“সপ্তাহ দু-এক আগে আমি যখন আইপিএল বন্ধ করার কথা বলেছিলাম, তার পিছনে একটা আবেগ ছিল। ভারতে এখন জাতীয় বিপর্যয় চলছে। প্রতিদিন ৪-৫ লক্ষ লোক করোনা আক্রান্ত হচ্ছেন। এটা টেস্ট রিপোর্ট দেখে জানা যাচ্ছে। কত লোক এর বাইরেও রয়েছেন, যাদের পরীক্ষা করা হয়নি। ১০-১২ হাজার লোক মারা যাচ্ছেন প্রতিদিন। এই অবস্থায় আইপিএলের তামাশা চালিয়ে যাওয়া উচিত নয়।”

তিনি আরও যোগ করেন, “লোকে টাকা কামালে তাতে আমার কোনও সমস্যা নেই। তবে ২০০৮ থেকে তো টাকা কামিয়ে আসছেন! এক বছর টাকা না কামালে বা না খেললে কী এমন ক্ষতি হয়ে যাবে? এত লোক মারা যাচ্ছে, তার মাঝে এমন তামাশা না চালালেই নয়? যে কারণে প্রতিবেশি হিসেবে বলেছিলাম এই মুহূর্তে আইপিএল চালু রাখা মোটেও উচিত নয়।”

ভারতে যখন করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছিল তখন আইপিএল ছেড়ে অস্ট্রেলিয়া ফেরত যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন অ্যাডাম জাম্পা। তখনই বিসিসিআইয়ের জৈব সুরক্ষা বলয় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন জাম্পা। তাঁর মতো শোয়েবও জানালেন ভারত-পাকিস্তানের মতো দেশে জৈব সুরক্ষা বলয় তৈরি করে ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট আয়োজন সম্ভব নয়।

“আমরা পিএসএলের জন্য জৈব সুরক্ষা বলয় তৈরি করেছিলাম, পুরো ফ্লপ ছিল। ভারতও চেষ্টা করে দেখেছে তাঁরাও ব্যর্থ হয়েছে। দুবাই-ইংল্যান্ডের মতো দেশে জৈব সুরক্ষা বলয় তৈরি করা যায় কারণ সেখানকার নিয়ম-কানুন আলাদা। কিন্তু আমাদের এখানে? হোটেলের একজন কর্মী কী জৈব সুরক্ষার বলয়ে থাকে? সে কোথায় থেকে আসে? কাজেই এসব ভারত কিংবা পাকিস্তানে ফ্লপ।”