ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে নিজেদের ‘ফেভারিট’ মানছেন সাইফউদ্দিন

0
363

ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তিনটি ওয়ানডে ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। আর এই সিরিজে স্বাগতিক হিসেবে নিজেদের ফেভারিট দাবি করছেন বাংলাদেশের পেস অলরাউন্ডার মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।

মাথাব্যথার কারণ হতে যাচ্ছে সাইফউদ্দিনের চোট!

Advertisment

আগামী বছরের শুরুরদিকে তিনটি ওয়ানডে এবং দুইটি টেস্ট খেলতে বাংলাদেশে আসবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ওয়ানডে দিয়েই আরম্ভ হবে দুই দলের এই সিরিজ। নিজেদের সর্বশেষ দেখাতে আইসিসি ওয়ানডে বিশ্বকাপে লিটন দাস এবং সাকিবের ব্যাটিং নৈপুণ্যে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়েছিল বাংলাদেশ।

তবে সিরিজটি যখন ঘরের মাঠে এবং ফরম্যাটটা যখন ‘ওয়ানডে’ তখন নিজেদের ফেবারিট দাবি করতেই পারে। আর সংবাদ সম্মেলনে সেটিই বললেন বাংলাদেশ দলের পেস অলরাউন্ডার মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। ঘরের মাঠে বাড়তি সুবিধা পাবেন বলে বিশ্বাস এই অলরাউন্ডারের।

“অবশ্যই আমাদের জন্য ভালো একটা সুযোগ কারণ গত কয়েকবার দেখায় দেশে আয়ারল্যান্ড সিরিজ এবং বিশ্বকাপ সব জায়গায় আমরা ওদেরকে হারিয়েছি ভালোভাবেই। আমাদের জন্য এটা একটা চ্যালেঞ্জ যেহেতু ঘরের মাটিতে খেলা তাই আমরা একটা বাড়তি সুবিধা পাব। সবচেয়ে বড় কথা হলো আমরা প্রেসিডেন্টস কাপ, বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপ এ মাঠে খেলেছি বাড়তি সুবিধা থাকবে। তারপরও ক্রিকেট যেদিন যে ভালো খেলবে সেদিন সে জিতবে। তো আমরা আশাবাদী আমরা ফেভারিট।”

সাইফ অবশ্য নিজেদের ফেবারিট দাবি করার পেছনেও যথেষ্ট যুক্তি দেখিয়েছেন। আইসিসি ওয়ানডে বিশ্বকাপ কিংবা আয়ারল্যান্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজ অথবা ২০১৮ সালে ঘরের মাঠে সিরিজ- সবকটিতেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সাফল্যের পাল্লা ভারি বাংলাদেশের। ওয়ানডেতে নিজেদের ফেবারিট দাবি করলেও টেস্টের বিষয়টি মুমিনুলের উপরই ছেড়ে দিয়েছেন সাইফউদ্দিন।

“অবশ্যই, ওয়ানডেতে যেহেতু আপনারা সবাই কাভার করছেন সব জায়গায় বিশ্বকাপে বা ত্রিদেশীয়তে দেশের বাইরে যেটা প্রথমবারের মতো জিতলাম এমনকি আমরা ২০১৮ তে হোম সিরিজ খেললাম। তিন দেখায় আমরা জিতেছি তাও আবার তিন কন্ডিশনে। বাংলাদেশর কন্ডিশনে, আয়াল্যান্ডে এবং বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডে। এটা মনে করে আমি ফেবারিট বললাম। টেস্টের বিষয়টা সৌরভ ভাই অনেক অভিজ্ঞ প্লেয়ার উনি দলের অধিনায়ক। তো আমি যেহেতু এখানে খেলি না তো এসব নিয়ে বেশি আইডিয়াও নাই বলাটাও মুশকিল।”

উল্লেখ্য, আগামী ২০ জানুয়ারি প্রথম ওয়ানডে দিয়ে মাঠে গড়াবে দুই দলের মধ্যকার সিরিজটি। প্রথম এবং দ্বিতীয় ওয়ানডে মিরপুরে আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিলেও শেষ ওয়ানডে এবং প্রথম টেস্ট অনুষ্ঠিত হবে চট্টগ্রামে।