কনওয়ের ক্যাচ বিতর্ক : আম্পায়ারের সিদ্ধান্তকেই সম্মান রিয়াদের

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেও আম্পায়ারিং নিয়ে প্রশ্ন ওঠে হরহামেশাই। যথারীতি উঠল নিউজিল্যান্ড-বাংলাদেশ প্রথম টি-টোয়েন্টিতেও। বাংলাদেশকে বলতে গেলে একাই হারিয়েছেন ডেভন কনওয়ে, যাকে সাজঘরে ফেরানোর সুযোগ পেয়েছিল বাংলাদেশ। 

কনওয়ের ক্যাচ  আম্পায়ারের সিদ্ধান্তকেই সম্মান রিয়াদের

Advertisment

১১টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৫২ বলে ৯২ রান করা কনওয়েই বাংলাদেশকে ব্যাকফুটে ঠেলে দেন। অথচ ৪৭ রানে সাজঘরে ফিরতে পারতেন ২৯ বছর বয়সী বাঁহাতি ব্যাটসম্যান।

৩৬ বলে ৪৭ রান নিয়ে ব্যাট করছিলেন। নিউজিল্যান্ডের ইনিংসের ১৫তম ওভারে অভিষিক্ত স্পিনার নাসুম আহমেদের করা পঞ্চম ডেলিভারিতে ডিপ ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ার অঞ্চলে জোরালো শট হাঁকান কনওয়ে। সীমানা ঘেঁষে ক্যাচ তালুবন্দী করেন বাংলাদেশের অভিষিক্ত পেসার শরিফুল ইসলাম।

শরিফুল ক্যাচ ধরার পর পেছনে তাকিয়ে আউটের সংকেত দেন। অন ফিল্ড আম্পায়ারও সফট সিগনালে আউট বলে জানান। এরপর তৃতীয় আম্পায়ার বেশ কিছুক্ষণ পর্যালোচনার পর ছক্কার সংকেত দিলে অর্ধশতক পূর্ণ করেন কনওয়ে। এরপরই বিধ্বংসী ব্যাটিং শুরু করেন তামিম।

ক্যাচ নাকি ছক্কা- ম্যাচ শেষে এই বিতর্ক নিয়ে মুখ খোলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। তিনি অবশ্য আম্পায়ারের সিদ্ধান্তেই সম্মান রাখছেন।

রিয়াদ বলেন, ‘দিনশেষে এটি আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত এবং আমাদের সেটিকে সম্মান করতে হবে।’

রিয়াদকে অবশ্য শরিফুলই জানিয়েছিলেন অনিশ্চয়তার কথা। রিয়াদের ভাষায়, ‘আমি প্রথমেই শরিফুলকে জিজ্ঞাসা করি যে ছয় নাকি। কিন্তু ও নিশ্চিত ছিল না। তখনই ভেবেছিলাম যে এটি ছয় হতে পারে। পা এবং বাউন্ডারির মধ্যে খুব সামান্য গ্যাপ ছিল।’