ক’রোনাকালীন ক্রিকেটের সঙ্গে মানিয়ে নিচ্ছেন শান্ত

0
248

ক’রোনাভাইরাসের কারণে সর্বত্র ক্রীড়াঙ্গনে পরিবর্তন এসেছে। পেশাদার অ্যাথলেটরা নিউ নরমাল লাইফের সঙ্গেই মানিয়ে নিচ্ছেন নিজেকে। নাজমুল হোসেন শান্তও নিজেকে সেভাবে গড়ে তুলছেন। সেই সাথে লকডাউনের ইতিবাচক দিক দেখছেন এ তরুণ ক্রিকেটার।

Advertisment

ক’রোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের পর পুরো বিশ্বের চিন্তা-ভাবনায় যেন পরিবর্তন এসেছে। অতীত ভুলে নতুন ভাবে ক’রোনার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে সবাই। ব্যতিক্রম নয় ক্রীড়াঙ্গনও। ইতোমধ্যে ক্রিকেট হতে শুরু করে ফুটবল, টেনিসও আরম্ভ হয়েছে। তবে এই ক্ষেত্রে পেশাদার অ্যাথলেটদের মানতে হচ্ছে কঠোর নিয়ম।

এসবের সঙ্গে এখনো অভ্যস্ত হয়নি বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। দেশে ক’রোনার প্রাদুর্ভাব না কমলেও অনুশীলন আরম্ভ করেছে ক্রিকেটাররা। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে শ্রীলঙ্কা সফরে যাবে বাংলাদেশ। সেখানে কোয়ারেন্টিন সহ মানতে হবে জৈব সুরক্ষা বলয়ও। নতুন এই জীবনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে চেষ্টা করছেন নাজমুল।

“ক’রোনা টেস্ট দুইদিন পরপর। এই ব্যাপারটা একটু অস্বস্তিদায়ক লাগে। নাকের ভিতর দিয়ে টেস্ট করা হচ্ছে, এটি একটু অস্বস্তিকর। কোয়ারেন্টিনে থাকতে কারোর-ই ভালো লাগে না। এতো নিরাপত্তার মধ্যে থাকতে হবে, এসব আগে কখনো হয়নি। হ্যাঁ, ধীরে ধীরে অভ্যস্ত হয়ে উঠছি এসবের সঙ্গে। এসব নিয়েই এগোতে হবে সেইভাবে মানসিকভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছি।”

ক’রোনার কারণে ঘরোয়া ক্রিকেট- ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ মাঝপথেই বন্ধ করতে হয়। এতে করে দীর্ঘদিন ঘরের মধ্যে বন্দী ছিলেন ক্রিকেটাররা। লকডাউনটা বেশ কাজে এসেছে বলে বলছেন নাজমুল। লকডাউনের নিজের ব্যাটিং পর্যালোচনা করতে পেরেছেন তিনি। তবে লকডাউন কষ্টকরও ছিল তার জন্য।

“লকডাউনের একটি ইতিবাচক দিক ছিল যে, আগে কী ভুল করেছি বা কী ভালো করেছি- এসব নিয়ে চিন্তা করার একটি সুযোগ ছিল। এসব নিয়ে কাজ করেছি। সামনে যদি সুযোগ পাই সেগুলো কাজে লাগাতে পারব। লকডাউনের মধ্যে নিজের ব্যাটিং নিয়ে খুব ভালোভাবে পর্যালোচনা করতে পেরেছি যেটি কিনা খুবই ভালো দিক ছিল আমার জন্য।”

তিনি আরও যোগ করেন, “লকডাউনটা কষ্টকর ছিল এই কারণে, অতীতে কখনো দীর্ঘ সময় ধরে ক্রিকেটের বাইরে থাকতে হয়নি। মাঠ ছাড়া বাসার মধ্যে এতদিন থাকা অনেক কষ্টকর ছিল। তারপরও ইতিবাচক দিক যেটি, এখন মাঠে ফিরেছি, ভালো লাগছে খুব।”