কাউন্টি লিগ সাইডে ‘২’ রানে অলআউট, ‘২৫৮’ রানের পরাজয়!

মাত্র ২ রানে অলআউট হওয়ার এমন নজির বিরল, বিশেষত পেশাদার প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে। সেই বিরল দৃশ্যই দেখল ইংল্যান্ডের কাউন্টি লিগ সাইড। সেখানে একটি দল ২ রানে অলআউট হও ২৫৮ রানের বিশাল পরাজয় বরণ করেছে ৪০ ওভারের একটি ম্যাচে। 

কাউন্টি লিগ সাইডে '২' রানে অলআউট, '২৫৮' রানের পরাজয়!

Advertisment

ইংল্যান্ডের কাউন্টি লিগ সাইডের ম্যাচে বাকডেন ক্রিকেট ক্লাব মুখোমুখি হয়েছিল ফ্যালকন একাদশের। ক্যামব্রিজের সট্রিতে হান্টিংডনশায়ারের চতুর্থ ডিভিশনের সেই ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে ২৬০ রান জড়ো করে ফ্যালকন একাদশ। দলের পক্ষে সাব্বির ভাটি করেন ৬৫ রান, মুরাদ আলীর ব্যাট থেকে আসে ৬৭ রান। সেই রান তাড়া করতে নেমে বাকডেন ক্রিকেট ক্লাব অলআউট হয় ২ রানে, ৮.৩ ওভার ব্যাট করে।

প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে সবচেয়ে একপেশে পরাজয় হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে এই ম্যাচকে। বাকডেন ক্রিকেট ক্লাবের ১০ জন ব্যাটসম্যান শূন্য রানে আউট হয়েছেন, অর্থাৎ রানের খাতা খুলতে পারেননি। বাকি যে একজন অপরাজিত ছিলেন, কোনো রান আসেনি তার ব্যাট থেকেও!

দলের স্কোর বোর্ডে যে ‘যক্ষের ধন’ ২ রান ছিল তা এসেছে অতিরিক্ত খাত থেকে। ফ্যালকন একাদশের আমনদ্বীপ সিং একাই ছয়টি উইকেট শিকার করেন। মোট ৪ ওভার বল করে কোনো রান খরচ করেননি তিনি।

বাকডেন ক্রিকেট ক্লাবের অধিনায়ক জোয়েল কির্সনার এমন হতশ্রী পারফরম্যান্সের জন্য দায়ী করছেন চোটকে। তার দাবি, দলের নিয়মিত ১৫ জন ক্রিকেটার ইঞ্জুরির কারণে এই ম্যাচে খেলতে পারেননি। পারিবারিক কারণেও নাকি অনেকে এই ম্যাচে অনুপস্থিত ছিলেন। একাদশ নাকি রীতিমত ‘জোড়াতালি’ দিয়ে সাজানো হয়েছিল।

সাফাই গেয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের একাদশের মাত্র ৮ জন নিয়মিত ক্রিকেটার ছিল। গ্রাহাম পিয়ার্স যখন খেলতে আসেন, তখন খেলার মাঝপথ। ও কাজ করতে গিয়ে দেরি করে ফেলে। ১৫ জন নিয়মিত ক্রিকেটারকে পাওয়া যায়নি। এদের মধ্যে ২-৩ জনের চোট ছিল। বাকিরা পারিবারিক কারণে আটকে পড়েন। একজনকে আবার দেখাই যায়নি। আমরা এতটাও খারাপ দল নই, যেভাবে স্কোরবোর্ড দেখাচ্ছে। এর আগে যখন আমরা ফ্যালকনের বিপক্ষে খেলি, তখন মাত্র ৯ রানে হেরেছিলাম।’