Scores

কিউইদের জিতিয়ে সিরিজ জমালেন টেলর

ডানেডিনে পাঁচ ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের চতুর্থ ম্যাচে ইংল্যান্ডকে ৫ উইকেটে হারিয়েছে স্বাগতিক নিউজিল্যান্ড। এতে সিরিজে বিরাজ করছে ২-২ এ সমতা। ফলে সিরিজের পঞ্চম ও শেষ ম্যাচটি হয়ে পড়েছে ‘অঘোষিত ফাইনাল’।

কিউইদের জিতিয়ে সিরিজ জমালেন টেলর

নিউজিল্যান্ডের জয়ে বড় অবদান রস টেলরের। হাই স্কোরিং ম্যাচে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ৩৩৫ রানের পাহাড় সংগ্রহ করে ইংল্যান্ড। দলের পক্ষে শতক হাঁকান ওপেনার জনি বেয়ারস্টো ও জো রুট। ১০৬ বলের মোকাবেলায় ১৩৮ রান করেন বেয়ারস্টো, ১০১ বল মোকাবেলা করে রুটের ব্যাট থেকে আসে ১০২ রান। দলের সব ব্যাটসম্যান ব্যাট হাতে ক্রিজে নামলেও এই দুজন ছাড়া আর কেউই খেলতে পারেননি পঞ্চাশোর্ধ্ব ইনিংস।

Also Read - চট্টগ্রাম টেস্টে সেদিন শতক হয়নি শচীনের!


নিউজিল্যান্ডের পক্ষে ইস সোধি চারটি এবং কলিন মুনরো ও ট্রেন্ট বোল্ট দুটি করে উইকেট শিকার করেন।

জয়ের লক্ষ্যে খেলতে নেমে বাজে শুরু হয় স্বাগতিকদের। দলীয় ০ রানে প্রথম এবং ২ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় দলটি। এরপর দলের হাল ধরেন রস টেলর। তাকে কিছুক্ষণ সঙ্গ দেন অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। ৪৫ রান করে উইলিয়ামসন আউট হয়ে যাওয়ার পর ক্রিজে এসে টম লাথামও দেন যোগ্য সঙ্গ। তিনি সাজঘরে ফেরেন ৭১ রান করে। তার বিদায়ের একটু পর কলিন ডি গ্র্যান্ডহোমও সাজঘরের পথ ধরেন। তবে একপ্রান্ত আগলে রেখে দেখেশুনে খেলতে থাকেন টেলর। শেষপর্যন্ত ১৮১ রানে অপরাজিত থেকে দলকে জিতিয়েই মাঠ ছাড়েন তিনি। ৩ বল ও ৫ উইকেট হাতে রেখে কিউইদের জয় পাওয়া ম্যাচে মেন অব দ্যা ম্যাচও হয়েছেন টেলর। ১৪৭ বলের মোকাবেলায় তার ইনিংসে ছিল ১৭টি চার ও ৬টি ছক্কা।

ইংল্যান্ডের পক্ষে টম কুরান একটি উইকেট শিকার করেন।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

ইংল্যান্ড ৩৩৫/৯ (৫০ ওভার)
বেয়ারস্টো ১৩৮, রুট ১০২, রয় ৪২
সোধি ৫৮/৩, মুনরো ৫৩/২

নিউজিল্যান্ড ৩৩৯/৫ (৪৯.৩ ওভার)
টেলর ১৮১*, লাথাম ৭১, উইলিয়ামসন ৪৫
কুরান ৫৭/২, ওক্স ৪২/১

ফল- নিউজিল্যান্ড ৫ উইকেটে জয়ী।

আরও পড়ুনঃ কাটার দিয়েই মাশরাফির কীর্তি

নিউজটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Related Articles

এবার টেস্ট থেকে মঈনের ‘অনির্দিষ্টকালের বিরতি’

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমের উপর বেজায় চটেছেন স্টোকস

ফুটবলারদের ‘ক্রিকেটের’ গল্প শুনিয়ে অনুপ্রাণিত করছেন জেমি ডে

ওয়েডের ‘মাথার খুলি উড়িয়ে দিতে চেয়েছিল’ আর্চার!

সমতায় শেষ হলো অ্যাশেজ, ট্রফি গেল অস্ট্রেলিয়ায়