Score

ক্যারিয়ারের শেষ ইনিংসেও রঙিন রাজিন

অবশেষে খেলোয়াড় হিসেবে ক্রিকেটীয় ক্যারিয়ার শেষ হল জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক রাজিন সালেহর। বৃহস্পতিবার (৮ নভেম্বর) ২০তম জাতীয় ক্রিকেট লিগের ষষ্ঠ ও শেষ রাউন্ডের ম্যাচটিই ছিল রাজিনের ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ। আর এই ম্যাচে দুই ইনিংসে ফিফটি ছাড়ানো ইনিংস খেলে রাজিন তার ভক্তদের জাগিয়েছেন আক্ষেপ। চাইলেই তো আরও কটা দিন দাপটের সাথেই খেলতে পারতেন!

ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচেও রাজিনের ব্যাটে রান

৪০ রান নিয়ে ম্যাচের তৃতীয় দিন শেষ করা রাজিন শেষ দিন ব্যাট হাতে নেমে দলের পরাজয় এড়িয়েছেন। ঢাকা বিভাগের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ১০৮ রানে পিছিয়ে থাকা সিলেট বিভাগের দ্বিতীয় ইনিংসে তিনটি উইকেটের পতন ঘটেছিল মাত্র ২২ রানে। সেখান থেকে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে বাঁচানোর পেছনে মুল অবদান ৩৫ বছর বয়সী এই ক্রিকেটারের।

চারে ব্যাট করতে নেমে ঢাকার বোলারদের সামনে দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন রাজিন। ২৯৭ মিনিট ক্রিজে থেকে ২২৪ বল মোকাবেলায় ৮৭ রান করে যখন ক্রিজে ফিরছেন, তখন ঠেকিয়েছেন দলের পরাজয়, কুড়িয়ে নিয়েছেন প্রশংসা।

Also Read - ঢাকা টেস্ট নয়, তামিমের চোখ উইন্ডিজ সিরিজে

দলীয় ১৮১ রানে রাজিনের বিদায়ের পর আর উইকেট পড়েনি সিলেটের। জাকের আলী ও শাহানুর রহমান সপ্তম উইকেটে অবিচ্ছিন্ন ১২২ রানের জুটি গড়ে যেন রাজিনকেই অভিবাদন জানিয়েছেন। রাজিনের ঐ দৃঢ়চেতা ইনিংস না থাকলে যে এই সাহসটুকু পেতেন না তারা! ৭৭ রান করা জাকের ও ৭০ রান করা শাহানুরের কাছ থেকে তাই রাজিন ধন্যবাদ পেতেই পারেন।

জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক রাজিন জাতীয় দলের জার্সি গায়ে খেলেছেন ২৪টি টেস্ট ও ৪৩টি ওয়ানডে ম্যাচ। ১৪৭টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলা এই ক্রিকেটার ক্যারিয়ারের ১৪৮তম ম্যাচের আগেই আনুষ্ঠানিকভাবে অবসরের সিদ্ধান্ত জানান। সিলেট টেস্টে অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি তার বর্ণিল ক্যারিয়ারের জন্য সবাইকে ধন্যবাদও জানান। অবশেষে ঢাকা বিভাগের বিপক্ষে নিজের শেষ প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলে ড্রয়ের তৃপ্তি নিয়ে অবসর গ্রহণ করেন তিনি। উল্লেখ্য, এই ম্যাচের প্রথম ইনিংসে রাজিন করেছিলেন ৬৭ রান।

আরও পড়ুন: স টেলরের শাস্তি চায় পাকিস্তান

Related Articles

জাতীয় লিগের শিরোপা জিতল রাজশাহী বিভাগ

ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচেও রাজিনের ব্যাটে রান

বিদায়ের কথা জানাতে গিয়ে অশ্রুসিক্ত রাজিন

আশা জাগিয়েও পারলেন না আশরাফুল

ব্যাটে-বলে ‘কঠিন’ দিন আশরাফুলদের