খুলনাকে বড় সংগ্রহ গড়তে দিল না মুস্তাফিজ-শরীফুল

বঙ্গবন্ধু টি-২০ কাপে গাজী গ্রুপ চট্টগ্রামকে ১৫৮ রানের লক্ষ্য দিয়েছে জেমকন খুলনা। গাজী গ্রুপ চট্টগ্রামের দারুণ বোলিংয়ের সামনে জেমকন খুলনা চাপে পড়লেও শেষদিকে দুর্দান্ত ব্যাটিং করে দলকে লড়াই করার মতো পুঁজি এনে দেন জেমকন খুলনার শুভাগত হোম। 

খুলনাকে বড় সংগ্রহ গড়তে দিল না মুস্তাফিজ-শরীফুল

Advertisment

টস হেরে প্রথমে ব্যাটিং করতে নামে জেমকন খুলনা। দলের হয়ে ইনিংস সূচনা করেন জহুরুল ইসলাম ও জাকির হাসান। উদ্বোধনী জুটিতে ৩৩ রান তোলেন জাকির হাসান ও জহুরুল ইসলাম। গাজী গ্রুপ চট্টগ্রামের বাঁহাতি পেসার শরীফুল ইসলামের শর্ট বলে উইকেটের পেছনে মোহাম্মদ মিঠুনের হাতে ক্যাচ দিয়ে জাকির বিদায় নিলে এ জুটি ভাঙ্গে। ১৫ বলে ১৫ রান করেন তিনি।

নিজের পরের ওভারে এসে জহুরুল ইসলামের উইকেট তুলে নেন শরীফুল। শরীফুলের  বাউন্সারে জহুরুল হুক করতে গিয়ে ক্যাচ দেন বদলি ফিল্ডার সৈকত আলীর হাতে।

চার নম্বরেই মাঠে নামেন  এ টুর্নামেন্টে প্রথম ম্যাচ খেলতে নামা মাশরাফি বিন মুর্তাজা। সঙ্গে ছিলেন সাকিব আল হাসান। কিন্তু দূর্ভাগ্যবশত  ১ রান করে রান আউট হয়ে যান মাশরাফি। স্পিনার রাকিবুল হাসানের বলে সাকিব ড্রাইভ করলে তা রাকিবুলের হাতে লেগে নন স্ট্রাইকিংয়ের স্টাম্পে আঘাত করে। তখন মাশরাফি নন স্ট্রাইকিং ক্রিজের বাইরে থাকায় তাকে সাজঘরে ফিরতে হয়। দুই ওভারে দুই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে জেমকন খুলনা।

এ ম্যাচেও জ্বলেনি সাকিবের ব্যাট। একটি ছক্কা মারলেও ১৫ রান করে ফিরেছেন সাজঘরে। দলীয় ৬৬ রানের মাথায় মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের বলে মাহমুদুল হাসান জয়ের হাতে ক্যাচ তুলে দেন সাকিব।

পঞ্চম উইকেটে ইমরুল কায়েসকে সাথে নিয়ে হাল ধরেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। দুজন মিলে গড়েন ৪৩ রানের জুটি। বেশ দ্রুত গতিতে রান তুলছিলেন রিয়াদ। চাপ সামলে জেমকন খুলনা যখন বড় স্কোরের অপেক্ষায় তখন সব এলোমেলো করে দেন মুস্তাফিজ-শরীফুল। মুস্তাফিজের বলে পুল করতে গিয়ে আকাশে তুলে কেন কায়েস। নিজের বলে নিজেই ক্যাচ লুফে নেন মুস্তাফিজ। পরের ওভারেই দারুণ এক ডেলিভারিতে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে বোল্ড করে দেন শরীফুল। কায়েস ২৩ বলে ২৪ রান ও রিয়াদ ১৭ বলে ২৬ রান করেন।

পরের ওভারে ফেরত এসে শামীম হোসেনের উইকেট  নেন মুস্তাফিজ। ১০৯ রানে ৪ উইকেট থেকে ১০ রান নিতে গিয়ে ৩ উইকেট হারায় জেমকন খুলনা। বড় ইনিংস খেলতে পারেননি আরিফুল হকও। জিয়াউর রহমানের বলে থার্ড ম্যানে ক্যাচ দেওয়ার আগে করেন ৬ রান।

শেষদিকে ১৪ বলে ৩২ রানের কার্যকরী ইনিংস খেলেন শুভাগত হোম।  শেষ ওভারের প্রথম বলে শুভাগত হোমকে স্ট্রাইক দিতে গিয়ে রান আউট হন হাসান মাহমুদ।  তবে হোমের কল্যানে শেষ ওভারে রান হয় ১৪।

সংক্ষিপ্ত স্কোর: জেমকন খুলনা ১৫৭/৯, ২০ ওভার
হোম ৩২*, রিয়াদ ২৬, জহুরুল ২৬,
শরীফুল ৩/৩৪, মুস্তাফিজ ২/২২