ঘরের মাঠে ম্যাচ না পাওয়ায় হতাশ আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজিরা

আইপিএলের আগামী আসর মাঠে গড়াবে ৯ এপ্রিল। ইতোমধ্যে চূড়ান্ত হয়েছে সূচি ও ভেন্যুও। তবে ভেন্যু নিয়ে ফ্র্যাঞ্চাইজিদের মধ্যে দেখা দিয়েছে অসন্তোষ। 

'স্ত্রীকে কখনো ক্লান্তি দেখিয়ো না', সাকিবকে শাহরুখের পরামর্শ

Advertisment

কলকাতা নাইট রাইডার্সে ফিরে সাকিব আল হাসানের ইচ্ছে ছিল, কলকাতার ইডেন গার্ডেনসে আবারো খেলবেন বহুদিন পর। এভাবে প্রত্যেক দলের খেলোয়াড়-স্টাফরাই নিজেদের হোম ভেন্যুতে খেলতে মুখিয়ে ছিলেন। তবে কোনো দলকে বেশি বা কম সুবিধা যেন দেওয়া না হয়, সেজন্য এবার হোম ভেন্যুতে কোনো ম্যাচ দেয়নি বিসিসিআই।

দিল্লী, আহমেদাবাদ, ব্যাঙ্গালোর, কলকাতা, চেন্নাই, মুম্বাই- এই ছয় ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে এবারের আইপিএল। করোনা পরিস্থিতি, পাঞ্জাবে চার মাসেরও বেশি সময় ধরে চলতে থাকা কৃষক আন্দোলন- এমন অনেক কারণে খেলা হবে না সানরাইজার্স হায়দরাবাদ, রাজস্থান রয়্যালস ও পাঞ্জাব কিংসের হোম ভেন্যুতে। অন্যান্য দলগুলো যেন বাড়তি সুবিধা না পায়, এজন্য কোনো দলের খেলাই হোম ভেন্যুতে রাখা হয়নি। অথচ প্রতি দলেই এমন ক্রিকেটার আছেন, যারা হয়ত এমন ভেন্যুতে খেলবেন যা রাজ্য দলের হিসাবে তাদের ঘরের মাঠ।

যেমন সাকিবদের দল কলকাতা তাদের লিগ পর্বের ম্যাচগুলো খেলবে চেন্নাই, মুম্বাই, আহমেদাবাদ ও ব্যাঙ্গালোরে। প্রতিটি দলের ক্ষেত্রেই একই দশা। দর্শকরা ঘরের মাঠে নিজ দলের খেলা দেখা থেকে বঞ্চিত হবেন। এতে হতাশ খোদ ফ্র্যাঞ্চাইজিরাই।

ভেন্যু নিয়ে অসন্তোষ জানিয়ে সরাসরি কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজিই এখনো মুখ খুলেনি। তবে ভারতীয় গণমাধ্যমের দাবি, প্রায় সব ফ্র্যাঞ্চাইজিই ভেন্যু বিতরণের এই পদ্ধতিতে হতাশ।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিক বলেছেন, ‘দিল্লির ফ্র্যাঞ্চাইজিতে পৃথ্বী শাও, আজিঙ্কা রাহানে, শ্রেয়াস আইয়ার রয়েছেন, যারা মুম্বাইয়ের ক্রিকেটার। আর ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে দিল্লি তাদের প্রথম তিন ম্যাচ খেলবে। পঞ্জাবের দলে লোকেশ রাহুল, মায়াঙ্ক আগারওয়াল এবং কোচ অনিল কুম্বলে রয়েছেন যারা বেঙ্গালোরের বাসিন্দা। আর এদিকে বেঙ্গালোরে পাঁচটি ম্যাচ খেলবে পাঞ্জাব। তারা কি এই পরিবেশের সঙ্গে পরিচিত নন? তাহলে কি তাদের ঘরোয়া পরিবেশের সুবিধা দেওয়া হল না?’

সূচি চূড়ান্ত হওয়ায় আইপিএলের ভেন্যু পরিবর্তন হওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। তবে ফ্র্যাঞ্চাইজিদের অসন্তোষ দানা বেঁধে আরও বড় হলে শেষপর্যন্ত সিদ্ধান্ত বদলাতে হতেও পারে বিসিসিআইকে!