ডোপ টেস্টে পজিটিভ হয়ে নিষিদ্ধ আফগান শাহজাদ

0
1114

ডোপ টেস্টে পজিটিভ হয়ে নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়েছেন আইসিসির নব্য টেস্ট খেলুড়ে দেশ আফগানিস্তানের গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার মোহাম্মদ শাহজাদ।

ডোপ টেস্টে পজিটিভ হয়ে নিষিদ্ধ আফগান শাহজাদ

Advertisment

চলতি বছরের ১৭ জানুয়ারি আইসিসির প্রতিযোগিতার বাইরে ক্রিকেটারদের নিয়মিত পর্যবেক্ষণ কর্মসূচীর অংশ হিসেবে মূত্র নমুনা জমা দিয়েছিলেন ২৯ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার। সেই নমুনার বিস্তর পর্যবেক্ষণের পর তাতে পাওয়া গেছে ক্লেনবিউটেরল নামের একটি রাসায়নিক উপাদানের উপস্থিতি, যা ক্রীড়াঙ্গনে নিষিদ্ধ এবং ড্রাগ হিসেবে বিবেচিত। ফলে শাহজাদকে ডোপ টেস্টে পজিটিভ চিহ্নিত করেছে আন্তর্জাতিক অ্যান্টি ডোপিং সংস্থা ওয়াডা।

জানা গেছে, ক্লেনবিউটেরল নামের এই রাসায়নিক উপাদানটি শ্বাসকষ্টের রোগীদের চিকিৎসায় ঔষধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। পাশাপাশি ওজন কমানোর ঔষধ হিসেবেও ব্যবহৃত হয় ক্লেনবিউটেরল। স্থূলকায় মোহাম্মদ শাহজাদ তার ওজন কমানোর জন্যই গ্রহণ করতেন এই নিষিদ্ধ ঔষধ।

ডোপ টেস্টে পজিটিভ হওয়ার শাস্তি হিসেবে শাহজাদকে ১২ মাসের জন্য আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি। শাহজাদ তার কৃতকর্ম স্বীকার করেছেন এবং জানিয়েছেন, নিষেধাজ্ঞার ব্যাপারটি না জেনেই এই ঔষধ সেবন করতেন তিনি। শেহজাদ বলেন, ওজন কমানোর জন্য তিনি হাইড্রোক্সিকাট নামের একটি ঔষধ সেবন করতেন। হাইড্রোক্সিকাটেই মেশানো ছিল এই নিষিদ্ধ রাসায়নিক উপাদান। নিষিদ্ধ রাসায়নিকের উপস্থিতি সম্পর্কে জানতেনই না শাহজাদ। তবে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের একজন ক্রিকেটার হিসেবে তার আরও সতর্ক থাকা উচিত ছিল- এও বলেছেন।

ক্রিকেটারদের সতর্ক করে এ প্রসঙ্গে আইসিসির মহাব্যবস্থাপক জিওফ অ্যালারডাইস বলেন, ‘একজন ক্রিকেটার কী খাচ্ছে, পান করছে, শরীরে নিচ্ছে, সে ব্যাপারে তাদের সতর্ক হওয়া উচিত, কারণ ডোপ পরীক্ষায় তাদের নমুনায় নিষিদ্ধ কিছু পাওয়া গেলে সেই দায়-দায়িত্ব তার নিজের।’

২০০৯ সালে আফগানিস্তান জাতীয় দলের হয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আবির্ভাব ঘটে শাহজাদের। দেশটির টেস্ট স্ট্যাটাস প্রাপ্তির পেছনে তার পারফরমেন্সেরও রয়েছে অবদান। তবে চড়া মেজাজ ও উগ্র আচরণের কারণে প্রায়ই সমালোচনার শিকার হতেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ এক ম্যাচেই ফাইনাল নিশ্চিত করতে চায় কুমিল্লা