Scores

তিন ক্রিকেটারের পাওনা পরিশোধ করতে হবে মোহামেডানকে

ঢাকা প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগের মূল আসর শুরুর আগে এখন চলছে টি-টোয়েন্টি লিগ। এরই মধ্যে এক বিতর্কিত ঘটনার জন্ম দিয়েছে ঢাকার ঐতিহ্যবাহী ক্লাব মোহামেডান। প্লেয়ার ড্রাফট থেকে তারা কিনেছে তিন ক্রিকেটার মোহাম্মদ আজিম, রাহাতুল ফেরদৌস এবং মোহাম্মদ নুরুজ্জামানকে, কিন্তু প্রথম দিনের অনুশীলনের আগে তাদেরকে জানিয়ে দেওয়া হয়, ‘ভিন্ন ক্লাব দেখতে। অনুশীলনে না আসতে’।

ছেড়ে দেওয়া তিন ক্রিকেটারের পাওনা পরিশোধ করতে হবে মোহামেডানকে

তিন খেলোয়াড়ের প্রয়োজন নেই বলে তাদের ছেড়ে দিয়েছে মোহামেডান, এমন অভিযোগ ক্লাবটির বিরুদ্ধে। বিষয়টি স্বীকারও করেছেন মোহামেডানের ম্যানেজার ওয়াসিম খান। তার ভাষ্য, ‘আমরা ওদেরকে জানিয়েছি নতুন ক্লাব দেখতে। এ মুহূর্তে দলের ভারসাম্যের কারণেই ওদের দলে রাখা হচ্ছে না।’
ড্রাফট থেকে কেনা খেলোয়াড়কে এভাবে ছেড়ে দেয়ার কোনো নিয়ম নেই। হয়তো ক্লাবগুলোর মধ্যে আন্তঃবিনিমিয় থাকতে পারে; কিন্তু দল থেকে বাদ দেয়া সম্ভব নয়।

Also Read - পাকিস্তানে বিমান হামলাকে স্বাগত জানালেন শচিন-শেবাগরা


অভিযোগ উঠেছে, ড্রাফট থেকে নেওয়া এ তিন ক্রিকেটারকে ছেড়ে দিয়ে মোহামেডান নিজেদের শিবিরে যুক্ত করেছে শাহাদাত হোসেন রাজীব, তুষার ইমরান ও সাকলায়েন সজীবকে। এর মধ্যে সাকলায়েন সজীব আজ শাইনপুকুরের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচও খেলেছেন। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের নিয়ম অনুযায়ী, তিন খেলোয়াড়কে ছেড়ে দিয়ে নতুন খেলোয়াড় দলভুক্ত করতে পারবে না ক্লাবগুলো। নিয়ম অনুযায়ী ক্লাবগুলো পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে খেলোয়াড় বদল করতে পারবেন। তাইতো মোহামেডানের বিরুদ্ধে উঠেছে বিশৃঙ্খলা ও অনিয়মের অভিযোগ।

আজ মিরপুরে মোহামেডান এবং শাইনপুকুরের মধ্যে অনুষ্ঠিত ম্যাচের সময় প্রেসবক্সে আসেন সিসিডিএম চেয়ারম্যান কাজী ইনাম আহমেদ। সেখানেই তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিষয়টা নিয়ে কথা বললেন।

সিসিডিএম চেয়ারম্যান কাজী ইনাম আহমেদ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, প্লেয়ার ড্রাফটের পর কোনো খেলোয়াড়কে কোনো ক্লাব খেলাক কিংবা না খেলাক, সেটা তাদের বিষয়; কিন্তু খেলোয়াড়দের পাওনা দিয়ে দিতে হবে।

মোহামেডানের তিন খেলোয়াড়কে ছেড়ে দেয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে সিসিডিএম চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমি এ বিষয় সম্পর্কে পত্রিকা পড়েই জেনেছি। এবং এ বিষয়ে আমি মোহামেডানের ম্যানেজেমেন্টের সঙ্গেও কথা বলেছি। মোহামেডান ক্লাব খেলোয়াড়দের সঙ্গে আলাপ করে বিষয়টা সমাধান করে ফেলবে।’
সিসিডিএম চেয়ারম্যান সরাসরি জানিয়ে দিয়েছেন, প্লেয়ার ড্রাফটের পর কোনো খেলোয়াড়কে এভাবে বাদ দেয়ার সুযোগ নেই।

এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘সবচেয়ে বড় কথা এটার কোন সুযোগই নেই। এবার ক্লাবগুলোকে পরিষ্কারভাবে বলে দেওয়া হয়েছে, খেলোয়াড়কে দলে নিয়ে না খেলালেও পারিশ্রমিকের পুরোটাই দিতে হবে। যদি কোন খেলোয়াড়ের পারিশ্রমিক নিয়ে কোন প্রশ্ন আসে, তাহলে সিসিডিএম ও বিসিবি দুটি জিনিস করতে পারবে। একটা পয়েন্ট কেটে নেওয়া, অন্যটা ক্লাবকে সাসপেন্ড করে দিতে পারি আমরা।’

এর পাশাপাশি দুই-একটি ক্লাবের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, ড্রাফট থেকে খেলোয়াড় নেওয়ার পর ক্লাবগুলো কমমূল্য দিতে চাইছে নির্দিষ্ট কয়েকজন খেলোয়াড়কে। তবে এমন অভিযোগ প্রমাণিত হলে ক্লাবগুলোকে কড়া শাস্তি দেওয়া হবে বলে জানালেন সিসিডিএম চেয়ারম্যান। এ ছাড়াও যদি ড্রাফটের বাইরে থেকে খেলোয়াড় নিতে হয় তাহলে নূন্যতম তিন লাখ ৫০ হাজার টাকা দিতে হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

নিউজটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Related Articles

আলাদা কোচ ঠিক করেছেন সোহান

প্রথম বাংলাদেশি পেসার হিসেবে মাশরাফির চারশো

নাসিরের বোলিং তোপে বিপর্যস্ত আবাহনী

আগামীকাল মাঠে ফিরছেন তাসকিন

বৃষ্টি আইনে খেলাঘরের জয়ে বিফলে ফজলের শতক