-
-
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.
নির্বাচিত খবর
লিংকসমূহ
ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
লিগ্যাল তথ্য
More
- নির্বাচিত খবর
- লিংকসমূহ
- ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
- লিগ্যাল তথ্য
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.

টস হেরে প্রথমে বাটিং করতে নামে ইংল্যান্ড। ওপেনার জনি বেয়ারস্টো বোল্ড হয়ে যান ইনিংসের তৃতীয় ওভারেই। শেলডন কটরেলের বলে বোল্ড হন তিনি। ১১ বলে ১১ রান করে সাজঘরে ফিরে যান এ ওপেনার। পরের ওভারেই আঘাত হানেন জেসন হোল্ডার। জেসন হোলদারের শিকার হন জো রুট। ১ রান করে বিদায় নেন রুট।
১৮ রানে দুই উইকেট হারানো ইংল্যান্ডকে পথে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করেন ওপেনার অ্যালেক্স হেলস আর অধিনায়ক ইয়ন মরগান। ৩৯ রানের জুটি গড়েন উদজন। কিছুটা দেখেশুনে খেলছিলেন দুজন। তাদের প্রতিরোধ ভাঙেন কার্লোস ব্র্যাথওয়েট। উইকেটের পেছনে সাই হোপকে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান অ্যালেক্স হেলস। ৪ চারে ৩৫ বলে ২৩ রান করেন তিনি।
এরপর ওশান থমাসের বলে ফেরত যান ইয়ন মরগান। মরগানের ব্যাট থেকে আসে ১৮ রান। এরপর বেন স্টোকসকে ক্রিজে থিতু হতে দেননি কার্লোস ব্র্যাথওয়েট। বেন স্টোকসকে নিজের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত করেন তিনি। ১৫ রান করা বেন স্টোকস ফিরে যান দলীয় ৮৮ রানের মাথায়।
ষষ্ঠ উইকেটে ২৩ রান যোগ করেন জস বাটলার আর মঈন আলি। তাদের জুটিতে তিন অঙ্ক পার করে ইংল্যান্ড। এ জুটিই ছিল ইংল্যান্ডের চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়ার জন্য শেষ ভরসা। এ জটি ভাঙেন ওশান থমাস। ২৫ বলে ১২ করে আউট হন মঈন আলি। নিজের পরের ওভারে পান জোড়া উইকেট। তৃতীয় বলে ক্রিস ওকসকে ফেরত পাঠান। এক বল পর জেসন হোল্ডারের হাতে ক্যাচ দেন জস বাটলার ৩৬ বলে ২৩ রান করেন জস বাটলার। পরের ওভারে আদিল রশিদকে ফেরান জেসন হোল্ডার। পরের ওভারে টম কারানকে বোল্ড করে নিজের পাঁচ উইকেট পূর্ণ করেন ওশান থমাস।
৫ উইকেটে ১১১ রান থেকে ১১৩ রান করতে গিয়ে অলআউট হয়ে যায় ইংল্যান্ড। ওশান থমাস যেন লণ্ডভণ্ড করে দেন ইংলিশ লোয়ার অর্ডার।
জবাব দিতে নেমে ওপেনার ক্রিস গেইল হয়ে উঠেন ভয়ঙ্কর। তার একের পর এক বাউন্ডারি দর্শক হয়ে দেখছিল ইংলিশ ফিল্ডাররা। ইনিংসের প্রথম ওভারেই ক্রিস ওকসের বলে দুই চার আর এক ছক্কা মারেন ক্রিস গেইল। সেখানে যেন ছিল ঝড়ের পূর্বাভাস।
সেই ঝড়ের তীব্রতা ওভারের সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়েই চলল। গ্রস আইলেটে বল বারবার ঘুরে আসছিল সীমানার বাইরে থেকে। জন্মদিনে যে উপহার পেয়েছেন ক্রিস ওকস তা হয়তো ভুলে যেত চাইবেন। প্রথম ওভারে ১৬ রান দেওয়ার পর দ্বিতীয় ওভারে দিয়েছেন ২৩। এবার ক্রিস গেইল ছক্কা মারলেন তিনটি আর চার একটি।
এরপর ঝড় চলে মার্ক উডের উপর। তার ওভারে ক্রিস গেইল হাঁকান দুই ছক্কা। মাত্র ১৯ বলেই অর্ধশতক তুলে নেন ক্রিস গেইল। ক্যারিবিয়ান ব্যাটসম্যানদের মধ্যে এটিই সবচেয়ে দ্রুততম অর্ধশতক। এমন খুনে মেজাজের ব্যাটিংয়ের সামনে ইংলিশ বোলারদেরকে মনে হচ্ছিল অসহায়।
ক্রিস গেইল ফিরেছেন ইনিংসের অষ্টম ওভারে। ঐ ওভারে প্রথম দুই বলে দুই ছক্কা হাঁকিয়ে পরের দুই বলে মারেন দুই চার। পঞ্চম বলকে আবার হাওয়ার ভেলায় পাঠান মাঠের বাইরে। পাঁচ বলে ২৬ রান নেওয়ার পর শেষ বলে বোল্ড হন ক্রিস গেইল। সমাপ্তি ঘটে ঝড়ের। ২৭ বলে ৭৭ রানের এক টর্নেডো ইনিংস খেলে বিদায় নেন তিনি। তার ইনিংসে ছিল ৫ চার আর ৯ ছক্কা।
১১৪ রানের লক্ষ্যের মধ্যে ক্রিস গেইল ৭৭ রান করেছেন। তাই উইন্ডিজের জয়টা ছিল সময়ের ব্যাপার। মাঝে সাই হোপের বিদায়ে জয়ের ব্যবধানটা কমেছে।
সংক্ষিপ্ত স্কোর : ইংল্যান্ড ১১৩/১০, ২৮.১ ওভার
হেলস ২৩, বাটলার ২৩, মরগান ১৮
থমাস ৫/২১, ব্র্যাথওয়েট ২/১৭
উইন্ডিজ ১১৫/৩, ১২.১ ওভার
গেইল ৭৭, হোপ ১৩, হেটমেয়ার ১১*
উড ২/৫৫, ওকস ১/৫৬





