দুঃস্বপ্নের ইনিংসে যত তিক্ত রেকর্ড

অ্যান্টিগায় সিরিজের প্রথম টেস্টে প্রথম ইনিংসে টস হেরে ব্যাটিং করতে নেমে মাত্র ৪৩ রানেই গুটিয়ে গিয়েছে বাংলাদেশ। আসা-যাওয়ার মিছিলে ব্যস্ত ছিলেন ব্যাটসম্যানরা। ক্রিজে লিটন দাস ছাড়া বেশিক্ষণ টিকেননি কেউ। দায়িত্ব নিতে পারেননি অভিজ্ঞরাও। ক্ষণস্থায়ী এ ইনিংসে বাংলাদেশ নিজের করে নিল অনেক তিক্ত রেকর্ড।

দুঃস্বপ্নের ইনিংসে যত তিক্ত রেকর্ড
ছবি- এএফপি

টেস্ট ইতিহাসে বাংলাদেশের এটিই সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহ। ২০০৭ সালের জুলাইয়ে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে কলম্বো টেস্টে অলআউট হয়েছিল ৬২ রানে। সেটি ছিল এতদিন পর্যন্ত সর্বনিম্ন। অ্যান্টিগায় ৪৩ রান করে নিজেদের নতুন সর্বনিম্ন স্কোর গড়েছে বাংলাদেশ।

Advertisment

টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে এটি সপ্তম সর্বনিম্ন স্কোর। ১৮ রানে ৫ উইকেট হারানো বাংলাদেশের তো ভয় ছিল নিউজিল্যান্ডের সর্বনিম্ন ২৬ রানে অলআউট হয়ে যাওয়ার রেকর্ড ভেঙে দেয়ার। সেই লজ্জা থেকে দলকে বাঁচান লিটন দাস। তবে একবিংশ শতাব্দীতে এটিই সর্বনিম্ন স্কোর।

ক্ষণস্থায়ী ইনিংসগুলোর মধ্যে এটি রয়েছে সাত নম্বরে। মাত্র ১১২ বল টিকেছে বাংলাদেশের ইনিংস। ওভারের হিসেবে ১৮ ওভার ৪ বল। তবে বাংলাদেশের ইতিহাসে এটিই সবচেয়ে ক্ষণস্থায়ী ইনিংস।

টেস্ট ইতিহাসের সর্বনিম্ন স্কোর-

১। নিউজিল্যান্ড- ২৬ বনাম ইংল্যান্ড, ১৯৫৫
২। দক্ষিণ আফ্রিকা- ৩০ বনাম ইংল্যান্ড, ১৮৯৬
৩। দক্ষিণ আফ্রিকা- ৩০ বনাম ইংল্যান্ড, ১৯২৪
৪। দক্ষিণ আফ্রিকা- ৩৫ বনাম ইংল্যান্ড, ১৮৯৯
৫। দক্ষিণ আফ্রিকা- ৩৬ বনাম অস্ট্রেলিয়া, ১৯৩২
৬। অস্ট্রেলিয়া- ৩৬ বনাম ইংল্যান্ড, ১৯০২
৭। নিউজিল্যান্ড- ৪২ বনাম অস্ট্রেলিয়া, ১৯৪৬
৮। অস্ট্রেলিয়া- ৪২ বনাম ইংল্যান্ড, ১৮৮৮
৯। ভারত- ৪২ বনাম ইংল্যান্ড, ১৯৭৪
১০। দক্ষিণ আফ্রিকা- ৪৩ বনাম ইংল্যান্ড, ১৮৮৯
১১। বাংলাদেশ – ৪৩ বনাম উইন্ডিজ, ২০১৮

টেস্ট ইতিহাসের সবচেয়ে ক্ষণস্থায়ী ইনিংস (বলের হিসেবে)-
১। দক্ষিণ আফ্রিকা- ৩০ বনাম ইংল্যান্ড ৭৫ বল, ১৯২৪
২। দক্ষিণ আফ্রিকা- ৩০ বনাম ইংল্যান্ড, ৯৪ বল, ১৮৯৬
৩। ইংল্যান্ড- ৬১ বনাম অস্ট্রেলিয়া, ৯৪ বল, ১৯০২
৪। অস্ট্রেলিয়া- ৫৮ বনাম ইংল্যান্ড, ৯৯ বল, ১৯৩৬
৫। ভারত- ৪২ বনাম ইংল্যান্ড, ১০২ বল, ১৯৭৪
৬। অস্ট্রেলিয়া- ৪৭ বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা, ১০৮ বল, ২০১১
৭। অস্ট্রেলিয়া- ৬০ বনাম ইংল্যান্ড, ১১১ বল, ২০১৫
৮। বাংলাদেশ- ৪৩ বনাম উইন্ডিজ, ১১২ বল, ২০১৮ 


আরো পড়ুনঃ প্রথম টেস্টে আগে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ