-
-
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.
নির্বাচিত খবর
লিংকসমূহ
ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
লিগ্যাল তথ্য
More
- নির্বাচিত খবর
- লিংকসমূহ
- ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
- লিগ্যাল তথ্য
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.

১৮ বলে ৪১ রানের ইনিংস খেলার পথে পোলার্ড। ©গেটি[/caption]
টস হেরে প্রথমে ব্যাটিং করতে নামে গায়ানা আমাজন ওয়ারিয়র্স। ব্যাট হাতে দলকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন দুই ওপেনার লুক রঞ্চি এবং চ্যাডউইক ওয়ালটন। নেমেই ঝড় তুলেন লুক রঞ্চি। তবে সেই ঝড় বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ৯ বলে ২৪ রান করে ইনিংসের তৃতীয় ওভারে বিদায় নেন লুক রঞ্চি। স্বদেশি বোলার মিশেল ম্যাক্লেনাঘানের বলে ডেভিড ওয়ার্নারের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান লুক রঞ্চি। ৪ চার ও ১ ছয়ে সাজানো ইনিংস খেলে বিদায় নেন রঞ্চি।
পরের ওভারেই বিদায় নেন চ্যাডউইক ওয়ালটন। ১২ বলে ১২ রান করে কর্ণওয়ালের বলে বোল্ড হন চ্যাডউইক ওয়ালটন। পরের ওভারে ফিরে যান শিমরন হেটমেয়ারও। ১ রান করে উইলিয়ামসের বলে শিমরন হেটমেয়ার ক্যাচ দেন ওয়ার্নারের হাতে। দারুণ শুরুর পরে তিন ওভারে তিন উইকেট হারিয়ে চরম বিকাপে পড়ে গায়ান আমাজন ওয়ারিয়র্স। ৪১ রানের মাথায় পড়ে যায় তিন উইকেট।
টিকেননি শোয়েব মালিকও। কায়েস আহমেদের শিকার হন। ৯ রান করে স্টাম্পিং হন শোয়েব মালিক। এরপর ক্যামেরন ডেলপোর্ট ও শেরফেন রাদারফোর্ড হাল ধরেন। পঞ্চম উইকেটের জুটিতে তারা ৩১ রান যোগ করলেও রানের গতি ছিল মন্থর। দ্রত উইকেট হারানোয় দ্রুত গতিতে রান তোলা যেন কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে গায়ানা আমাজন ওয়ারিয়র্সের জন্য। ৩৩ বলে ২৫ রানের মন্থর ইনিংস খেলে দলীয় ৯৩ রানের মাথায় উইলিয়ামসের বলে আউট হন ডেলপোর্ট। পরের ওভারেই ফিরে যান রাদারফোর্ড। ১৫ রান করে রানআউট হন তিনি।
লোয়ার অর্ডারে হাল ধরেন সোহেল তানভীর ও রায়াদ এমরিট। তানভীর ১৯ ও এমরিট করেন ১৭ রান। তাদের ছোট্টো অবদানের সুবাদে ১৪০ রানের স্কোর পায় গায়ানা আমাজন ওয়ারিয়র্স।
জবাব দিতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি সেন্ট লুসিয়া স্টার্সের। শুরুতে রানের গতি ছিল ধীর। পাওয়ারপ্লের শেষ ওভারে ২৭ রান করে ভেরাস্বামি পারমলের শিকার হন ওপেনার লেন্ডল সিমন্স। ২০ বলে ১৫ রান করে বিদায় নেন সিমন্স। এক বল পরেই ফিরে যান রাহকিম কর্ণওয়াল। রানের খাতা খোলার আগেই বিদায় নেন তিনি।
২৭ রানে ২ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে সেন্ট লুসিয়া স্টার্স। সেখান থেকে দলকে উদ্ধার করেন ডেভিড ওয়ার্নার এবং আন্দ্রে ফ্লেচার। দুজন মিলে গড়েন ৫২ রানের জুটি। ২ চারের সাহায্যে ১৬ বলে ২৩ রান করে বিদায় নেন ওয়ার্নার। ওয়ার্নারকে ফেরান ইমরান তাহির।
এক ওভার পর আঘাত হানেন আরেক লেগ স্পিনার দেবেন্দ্র বিশু। বোল্ড করে দেন কায়েস আহমেদকে। এরপর নেমে ঝড় তুলেন কিরন পোলার্ড। তার ঝড়ে তরান্বিত হয় সেন্ট লুসিয়া স্টার্সের জয়। ৪ ছক্কা ও ৩ চারে ১৮ বলে ৪১ রান করেন কিরন পোলার্ড। দেবেন্দ্র বিশুর করা ১৮ তম ওভারে তিনটি চার ও তিনটি ছক্কা মারেন তিনি। ওভারের চিত্র ছিল এরকম- ৬, ৬, ৪, ৬, ৪, ৪। প্রথম তিন ওভারে ২৩ রান দেওয়া বিশু চতুর্থ ওভারে দেন ৩০ রান। তিন ওভারে ৩১ রান প্রয়োজন ছিল সেন্ট লুসিয়া স্টার্সের। ঐ ওভারের পর জয় চলে আসে হাতের মুঠোয়। পরের ওভারের প্রথম বলেই জয় নিশ্চিত করে নেয় সেন্ট লুসিয়া স্টার্স।
সংক্ষিপ্ত স্কোরঃ গায়ানা আমাজন ওয়ারিয়র্স ১৪০/৯, ২০ ওভার
ডেলপোর্ট ২৫, রঞ্চি ২৪, তানভীর ১৯
উইলিয়ামস ২/২৩, ম্যাকয় ২/২৩
সেন্ট লুসিয়া স্টার্স ১৪১/৪, ১৮.১ ওভার
ফ্লেচার ৪৫, পোলার্ড ৪১*
পারমল ২/২০, তাহির ১/১৮





