-
-
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.
নির্বাচিত খবর
লিংকসমূহ
ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
লিগ্যাল তথ্য
More
- নির্বাচিত খবর
- লিংকসমূহ
- ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
- লিগ্যাল তথ্য
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.

২১১ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে দ্রুত আউটফিল্ডকে কাজে লাগিয়ে দলকে দারুণ শুরু এনে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন মোহাম্মদ নাঈম শেখ। কিন্তু লিটন কুমার দাসের ব্যর্থতায় সেই চেষ্টা বিফলে যায়। শুরুতেই শেষ হয়ে যান লিটন। টিম সাউদির বলে ৪ মারার পরের বলেই ক্যাচ তুলে দেন তিনি। সেই বাউন্ডারিই ছিল একমাত্র স্কোরিং শট।
নাঈম শুরু থেকে দারুণ সব শট খেলতে থাকেন। তার ইনিংসের সমাপ্তি ঘটান লকি ফার্গুসন। ফার্গুসনের দ্রুত গতির এক বল শাফল করে খেলতে গিয়ে এলবিডব্লিউ হন নাঈম। বিদায় নেন ১৮ বলে ২৭ রান করে।
পরের ওভারেই লেগ স্পিনার ইশ সোধির ধাঁধায় ধরা পড়েন সৌম্য সরকার আর মোহাম্মদ মিঠুন। প্রথমে নিজেই ক্যাচ নিয়ে ফেরান সৌম্যকে। এক বল পর গুগলিতে সুইপ করতে গিয়ে বোল্ড হন মিঠুন। নিজের পরের ওভারে বোলিংয়ে এসে বোল্ড করেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ আর মেহেদী হাসানকে। রিয়াদ কাট করতে গিয়ে বল নিয়ে আসেন স্টাম্পে। মেহেদী বোল্ড হন ডিফেন্স করতে গিয়ে। মাত্র ৫৯ রানেই ৬ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।
সপ্তম উইকেটে প্রতিরোধ গড়ে তুলেন
এরপর মার্টিন গাপটিল আর ডেভন কনওয়েল হাল ধরেন। দ্বিতীয় উইকেটে এ দুজন মিলে গড়েন ৫২ রানের জুটি। তাদের জুটিও ভাঙেন নাসুম। ডানহাতি গাপটিলের বিপক্ষে বেশ কিছু ডেলিভারি ভেতরের দিকে ঢুকিয়েছেন নাসুম। ইনিংসের সপ্তম ওভারে বোলিংয়ে এসে টার্ন করে বেরিয়ে যাওয়া এক স্লোয়ার ডেলিভারিতে গাপটিলকে ফাঁদে ফেলেন নাসুম। উড়িয়ে মারতে গিয়ে সৌম্য সরকারের হাতে ক্যাচ দেন গাপটিল। নিজের শততম আন্তর্জাতিক টি-২০ ম্যাচে ২৭ বলে ৩৫ রান করে ফিরে যান গাপটিল।
গাপটিলের বিদায়ের পর ঝড় তুলেন ডেভন কনওয়ে আর অভিষিক্ত উইল ইয়ং। অভিষিক্ত পেসার শরীফুল ইসলামের ওপর চড়াও হন দুজন। ধীরে ধীরে রানের গতি বাড়াতে থাকেন কনওয়ে আর উইং। দ্রুতগতির আউটফিল্ড আর ছোট মাঠকে কাজে লাগিয়ে দলকে বড় স্কোরের দিকে এগিয়ে নিয়ে যান তারা।
দুজনই তুলে নেন অর্ধশতক। নাসুমের বলে ছক্কা মেরে অর্ধশতক করার শটে ক্যাচ তুলেছিলেন কনওয়ে। কিন্তু তা তালুবন্দী করার সময় শরীফুলের পা বাউন্ডারিতে স্পর্শ করায় বেঁচে যান এ বামহাতি।
তাদের ৬০ বলে ১০৫ রানের জুটি ভাঙেন মেহেদী হাসান। ১৭ তম ওভারে ১৬ রান দেওয়া মেহেদী পঞ্চম বলে তুলে নেন ইয়ংয়ের উইকেট। সুইপ করে ইয়ং ক্যাচ দেন আফিফের হাতে। ৩০ বলে ৫৩ রান করে বিদায় নেন ইয়ং।
এসেই ঝড় তুলেন গ্লেন ফিলিপ্স। ফিলিপ্স-কনওয়ের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে ২১০ রানের বিশাল পুঁজি পায় নিউজিল্যান্ড। ফিলিপ্স অপরাজিত থাকেন ১০ বলে ২৪ রান করে। কনওয়ে টি-২০ ক্যারিয়ারে দ্বিতীয়বারের মতো নব্বইয়ের ঘরে গিয়ে অপরাজিত থাকেন। ৫২ বলে ৯২ রান করেন তিনি।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
নিউজিল্যান্ড ২১০/৩, ২০ ওভার
কনওয়ে ৯২*, ইয়ং ৫৩, ফিলিপ্স ২৪*
নাসুম ২/৩০, মেহেদী ১/৩৭
বাংলাদেশ ১৪৪/৮ ,২০ ওভার
আফিফ ৪৫, সাইফউদ্দিন ৩৪* , নাঈম ২৭
সোধই ৪/২৮, ফার্গুসন ২/২৫




