Scores

পর্ব ৩ : আ’ত্মহত্যায় চিরবিদায় নেওয়া ক্রিকেটাররা

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার আত্মহত্যার মাধ্যমে শেষ করে দিয়েছেন নিজের জীবনকে। এই তালিকায় অস্ট্রেলিয়ান ও ইংলিশ ক্রিকেটারদের আধিক্য। তাদের মধ্যে অনেকেরই জাতীয় দলে সমৃদ্ধ ক্যারিয়ার ছিল। আজ তৃতীয় ও শেষ পর্বে জানবো এমনই চার জন ক্রিকেটারের কথা।

সুনীল জয়সিংহে : এই শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটারের অভিষেক হয়েছিল ১৯৭৯ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে। সেই আসরে মাত্র দুইটি ম্যাচ খেলেই তার ক্যারিয়ার শেষ হয়ে যায়। দুই ম্যাচে মাত্র ১ রান করতে পেরেছিলেন তিনি। ফলে ছিটকে যান দল থেকে। ১৯৯৫ সালে ৩৯ বছর বয়সে সুনীল আত্মহত্যা করেন। তবে তার আত্মহত্যার কারণ সম্পর্কে বেশি কিছু জানা যায়নি।

Also Read - কারা দেখাবে টাইগারদের খেলা, উত্তরের খোঁজে বিসিবি


 

 

গ্লেন গর্ডন হল :  এই দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটার ২২ গজে সুবিধা করতে পারেননি। জাতীয় দলের পক্ষে মাত্র একটি টেস্ট খেলে একটি উইকেট পান তিনি। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ৩২ ম্যাচে শিকার করেন ১১০ উইকেট। তবে হল পড়ালেখায় তুখোড় ছিলেন। রোডস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফার্মেসীতে স্নাতক সম্পন্ন করেন।

হল বিয়ে করেছিলেন সাবেক মিস দক্ষিণ আফ্রিকা খ্যাত এক নারীকে। তাদের সুখের সংসারে ছিল দুইটি ছেলে সন্তান। কিন্তু ১৯৮০ সালে তাদের তালাক হয়ে যায়। এরপরে হল নিঃসঙ্গচারী হয়ে পড়েন। কয়েকবার আত্মহত্যা করার চেষ্টা করে বেঁচে গেলেও ১৯৮৭ সালে ৪৯ বছর বয়সে শেষ বিদায় নেন তিনি।

জো প্যাট্রিজ : তিনি জিম্বাবুয়েতে জন্মগ্রহণকারী একজন দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটার। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে ১১টি টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন এই পেসার। শিকার করেছিলেন ৪৪টি উইকেট। তার আত্মহত্যার কারণ সম্পর্কে বেশি কিছু জানা যায়নি। ৫৫ বছর বয়সে জন্মভূমি জিম্বাবুয়েতে আত্মহত্যা করেন প্যাট্রিজ।

হ্যারোল্ড গিমব্লেট

হ্যারোল্ড গিমব্লেট : ইংল্যান্ডের পক্ষে ৩টি টেস্ট ম্যাচ খেলা এই ক্রিকেটারের মানসিক সমস্যা ছিল, যা তাকে সারাজীবন বয়ে বেড়াতে হয়েছে। সেই আমলে দ্রুত রান তোলার জন্য খ্যাতি ছিল এই উদ্বোধনী ব্যাটসম্যানের। মানসিক সমস্যার কারণে তার জীবনে অশান্তি ছিল।

তিনি নিজে লিখে গিয়েছিলেন, ‘আমি বেশি করে ঘুমের ওষুধ সেবন করে ঘুমিয়ে যেতাম এবং অন্য কাউকে আমাকে ডেকে তোলার লাগতো। আমি বেশি কিছু নিতে পারি না। ১৯৫৩ সালে আমার জীবন শেষ হয়ে আসছিল।’

তারপরেও দীর্ঘদিন বেঁচে ছিলেন তিনি। মূলত স্ত্রীর সেবা সহচার্যেই তিনি অসুস্থতা নিয়েও জীবনের বাকি দিনগুলো কাটাতে পারেন। তবে ১৯৭৮ সালে অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যা করেন গিমব্লেট।

এছাড়া ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া ক্রিকেটের ইতিহাসে তাকালে দেখা যায়, সেখানকার অনেক ক্রিকেটারই ব্যক্তিগত জীবন ও ক্রিকেটীয় জীবনে অশান্তির কারণে আত্মহত্যা করে চির বিদায় নিয়েছেন। বিশেষ করে, ইংল্যান্ডের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ক্রিকেটার আত্মহত্যা করেছেন। অপরদিকে, এশিয়া উপমহাদেশের ক্রিকেটারদের ভেতরে এই প্রবণতা খুবই কম।

বল বাই বল লাইভ স্কোর পেতে আর নয় বিদেশি অ্যাপ। বাংলাদেশ ক্রিকেটের সাম্প্রতিক খবর এবং বল বাই বল লাইভ স্কোর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে BDCricTime সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান ক্রিকেট অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।

নিউজটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Related Articles

টি-২০ বিশ্বকাপ নিয়ে মুখোমুখি অবস্থানে ভারত ও অস্ট্রেলিয়া

অবসরের আগে স্মিথের ‘দুই লক্ষ্য’

আইপিএলকে ‘না’ বলায় কোনো আক্ষেপ নেই স্টার্কের

স্থগিত আরেকটি সিরিজ, খুলে গেল আইপিএলের দুয়ার

অবসর নিয়ে ভাবছেন ওয়ার্নার