পাপুয়া নিউগিনিকে কাঁদিয়ে নিজেদের প্রথম বিশ্বকাপে থাইল্যান্ড

ক্রিকেটে হয়তো একসময় থাইল্যান্ড দলের নামই শোনা যেত না। কিন্তু সেই থাইল্যান্ডের নারী ক্রিকেট দলই আজ গড়ে ফেললো ইতিহাস। নিজেদের ক্রিকেট ইতিহাসে প্রথম কোনো বিশ্বকাপ খেলার যোগ্যতা অর্জন করলো থাইল্যান্ড নারী ক্রিকেট দল। সেমিফাইনালে পাপুয়া নিউগিনিকে কাঁদিয়ে আগামী বছর অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিতব্য নারী ট-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের টিকিট লাভ করলো থাইল্যান্ড।

পাপুয়া নিউগিনিকে কাদিয়ে নিজেদের প্রথম বিশ্বকাপে থাইল্যান্ড

Advertisment

পাপুয়া নিউগিনির দেওয়া ৬৮ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে খুব সহজেই ৮ উইকেটে ম্যাচটি জিতে যায় থাই নারীরা। শনিবার ফাইনালে বাংলাদেশের মুখোমুখি হবে থাইল্যান্ড নারী দল। বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ড দুই দলই ইতোমধ্যে আগামী বছরের নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য কোয়ালিফাই করেছে।

ফাইনালের মাধ্যমে স্থান নির্ধারণ করা হবে কোন দল খেলবে কোন গ্রুপে। গ্রুপ পর্বে অপরাজিত গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েই সেমিফাইনালে কোয়ালিফাই করে থাইল্যান্ড। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পথে থাইল্যান্ড হারায় গত নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলা আয়ারল্যান্ডের মত দলকে। থাইল্যান্ডের আয়ারল্যান্ডকে হারানোর ফলেই নিশ্চিত হয় প্রথমবারের মতো পাপুয়া নিউগিনি বা থাইল্যান্ড বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছে।

১২ বছর আগে এসিসির আয়োজিত ৮ দলের একটি আসরে থাইল্যান্ড নারী দল অষ্টম স্থান লাভ করেছিল। সেখান থেকে এই পর্যায়ে আসা ও বিশ্বকাপের মত আসরে খেলার যোগ্যতা অর্জন করার পেছনে রয়েছে খেলোয়াড়দের লাগাতার পরিশ্রমের গল্প। থাইল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড দেশটির সরকারের সহযোগিতায় চেষ্টা করে যাচ্ছে থাইল্যান্ডে ক্রিকেটে প্রসার ঘটানোর। তাদের দলের প্রায় সকল খেলোয়াড়ই স্থানীয় খেলোয়াড়। ইতোমধ্যে আসরে থাই নারীদের ম্যাচ শেষে উদযাপন ও ব্যবহার নজর কেড়েছে ক্রিকেট ভক্তদের বিশ্বজুড়ে।

২০১৯ সালেই প্রথমবারের মতো অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করে জাপান ও নাইজেরিয়ার মতো দল। এইবার তাদের পথ ধরে থাইল্যান্ডও পেল বিশ্বকাপের টিকিট। ক্রিকেটের বিশ্বায়নে এই দলগুলোর বৈশ্বিক আসরে জায়গা করে নেওয়া এক বড় ঘটনা হয়ে থাকবে।