Scores

“ফেসবুকে আসলেই মন খারাপ হয়ে যেত”

বছর তিনেক আগে জাতীয় দলের নিয়মিত মুখ ছিলেন সৌম্য সরকার। কিন্তু এর কিছুদিন পরই হঠাৎ ছন্দপতনে যেন অমাবশ্যার চাঁদ হয়ে যান তিনি। একের পর এক ম্যাচ তাকেই ছাড়াই লড়তে থাকে মাশরাফি বিন মর্তুজার দল।

সেঞ্চুরির পর উল্লাসে ফেটে পড়েন সৌম্য সরকার। ছবি-বিডিক্রিকটাইম
সেঞ্চুরির পর উল্লাসে ফেটে পড়েন সৌম্য সরকার। ছবি-বিডিক্রিকটাইম

তাই নিজেকে প্রমাণ করতে জাতীয় লিগকেই বেছে নেন এই ব্যাটসম্যান। শুধু ব্যাট নয় বল হাতেও একের পর এক অসাধারণ খেলা উপহার দিতে থাকেন। আর তাতেই আবারও নির্বাচকদের নজর পরে তার দিকে। যার ফল হিসেবে এশিয়া কাপে সাকিব আল হাসানের হাতের চোটের কারণে মাঠের বাইরে ছিটকে যাওয়ার পর হঠাৎ দুবাই পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হয় তাকে।

তবে সেখান থেকে ফিরে আসার পর ভাগ্য যেন আবারও কিছুটা স্রোতের প্রতিকুলে গা ভাসাতে শুরু করে। বাদ পড়েন জিম্বাবুয়ের সিরিজ একাদশ থেকে। তবুও হার মানতে নারাজ তিনি। আর তাই জিম্বাবুয়ের সাথে অনুশীলন ম্যাচে সুযোগ পেয়ে একবারেই সেঞ্চুরি হাকিয়ে বসেন তিনি।

Also Read - “তিনটা সেঞ্চুরি হলে ভালো লাগত”


এরপরে সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচে জায়গা না পেলেও তৃতীয় ম্যাচে হঠাৎ ডাক পড়ে তার। ওয়ানডে দলে কিছু পজিশনে এখনো উপযুক্ত ক্রিকেটার পায়নি নির্বাচকরা এমন কারণ দেখিয়ে সৌম্যকে আবার দলে ভেড়ানো হয়। তখন প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু বলেছিলেন, “ওয়ানডে দলে কিছু পজিশনে এখনো উপযুক্ত ক্রিকেটার পাইনি আমরা এবং ঐ পজিশনে সৌম্য কেমন করে সেটাই দেখার জন্য তাকে দলে নেওয়া হয়েছে। তবে তাকে আমরা দলে ওপেনার হিসেবে নেওয়া হয়নি, তিন নম্বর পজিশন অথবা ৭ নম্বর পজিশনের জন্য দলে নেওয়া হয়েছে।”

অভাবনীয় এ সুযোগ পেয়ে সেটাকে মোটেই হাত ছাড়া হতে দেননি সৌম্য সরকার। ইমরুলের সাথে জুটি বেধে ৯২ বলে ১১৭ রানের অসাধারণ ইনিংস খেলে জয় তুলে দেন সমর্থকদের হাতে। সেই সাথে জিতে নেন ম্যান অব দা ম্যাচের পুরস্কারও।

তবে ফর্মে না থাকার সময় সমালোকচদের নানা ধরনের নেতিবাচক মন্তব্যে কিছুটা আক্ষেপের সুর বেজে ওঠে সৌম্য সরকারের কন্ঠে। ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “আসলে ভালো খেললে সবাই ভালো বলে। আর খারাপ খেললেই মাটিতে নামিয়ে দেয়। এইটা শুধু বাংলাদেশেই না, সব জায়গাতেই হয়। তাই মাথায় রাখি সব সময় ভালো খেলার জন্য। ”

সৌম্য আরও বলেন, “মাঝের দিক দিয়ে আমি অফ ফর্মে ছিলাম। তখন আমার অবস্থা ভয়াবহ ছিল। ফেসবুকে আসলেই মন খারাপ হয়ে যেত। সবাই গালাগালি করতো। তখন ভাবলাম ফেসবুকেই চালাবো না। মানুষের সাথে কথাকম বলবো। খেলারদিকে বেশি মনোযোগ দেব। ”

নিউজটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন
Tweet 20
fb-share-icon20

Related Articles

‘৪০০-৫০০ বলতে হবে তাহলে ৩০০-৪০০ করবে’

বাংলাদেশের হাতে ‘মোমেন্টাম’ তুলে দিয়েছে, দাবি জিম্বাবুয়ের

নাঈমকে নিয়ে মুমিনুলের ‘অনুরোধ’

‘অধিনায়ক’ হিসেবে এটাই শেষ মাশরাফির, এমন কিছু বলেননি পাপন

বিডিক্রিকটাইমের ছবির প্রশংসায় মুমিনুল