বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়ার টি-টোয়েন্টি পরিসংখ্যান

0
1177

বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার টি-টোয়েন্টি ম্যাচ অনেকটা ডুমুরের ফুলের মতোই। বাংলাদেশ ১৬ বছরের টি-টোয়েন্টির যুগে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ খেলেছে মাত্র ৪টি এবং সবগুলোই ছিল বিশ্বকাপের আসরে। অর্থাৎ এবারই প্রথম এই দুই দল দ্বিপাক্ষিক টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে যাচ্ছে।

বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়ার টি-টোয়েন্টি পরিসংখ্যান

Advertisment

টি-টোয়েন্টি সংস্করণে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়া চার বার ২০০৭, ২০১০, ২০১৪ ও ২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মঞ্চে মুখোমুখি হয়েছিল। একটি ম্যাচ ছিল বাংলাদেশে এবং তিনটিই বিদেশের মাটিতে। অনুমিতভাবেই চারটি ম্যাচেই জয় পেয়েছিল অস্ট্রেলিয়া।

চারটি ম্যাচের মধ্যে অস্ট্রেলিয়ার দলীয় সর্বনিম্ন সংগ্রহ ১৪১ রান, ব্রীজটাউনে। ওই একবারই অজিরা আগে ব্যাটিং করেছিল। বাংলাদেশের সর্বনিম্ন সংগ্রহ একই ম্যাচে ১১৪ রান। আগে ব্যাটিং করে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সংগ্রহ ৫ উইকেটে ১৫৬ রান, বেঙ্গালুরুতে।

একনজরে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার সকল টি-টোয়েন্টি ম্যাচ : 

তারিখ মাঠ জয়ী ব্যবধান
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০০৭ কেপটাউন অস্ট্রেলিয়া ৯ উইকেট
৫ মে, ২০১০ ব্রীজটাউন অস্ট্রেলিয়া ২৭ রান
১ এপ্রিল, ২০১৪ মিরপুর অস্ট্রেলিয়া ৭ উইকেট
২১ মার্চ, ২০১৬ বেঙ্গালুরু অস্ট্রেলিয়া ৩ উইকেট

 

চারটি ম্যাচেই খেলেছেন সাকিব আল হাসান। বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ ১৪৩ রান সংগ্রহ তার। ব্যাটিং গড় ৩৫.৭৫ গড়। সর্বোচ্চ ইনিংস ২০১৪ সালে মিরপুরে ৫২ বলে ৬৬ রান। চার ম্যাচে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৮৯ রান সংগ্রাহক মুশফিক। অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ তিনটি ম্যাচে করেছেন ৫৭ রান। সর্বশেষ ম্যাচে ২৯ বলে ৪৯ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছিলেন রিয়াদ।

উইকেট শিকারের তালিকায়ও সবার ওপরে সাকিব। চার ম্যাচে মোট নিয়েছেন ৫টি উইকেট। সর্বশেষ ম্যাচে ৪ ওভারে ২৭ রান খরচায় ৩টি উইকেট শিকার করেন তিনি। দুইটি ম্যাচ খেলে আল আমিন হোসেন শিকার করেছেন তিনটি উইকেট। একটি ম্যাচে মুস্তাফিজুর রহমানের শিকার দুইটি উইকেট।

অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে সর্বোচ্চ ৮১ রান সংগ্রহে আছে ডেভিড ওয়ার্নারের। তিনি খেলেছেন তিনটি ম্যাচ। ম্যাথু হেইডেন এক ম্যাচে ৭৩ রান ও অ্যারন ফিঞ্চ এক ম্যাচে ৭১ রান করেন। অজিদের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪টি উইকেট শিকার করেছেন ডার্ক ন্যানিস। ৩টি করে উইকেট আছে ব্রেট লি ও অ্যাডাম জাম্পার।

আসন্ন ৫ ম্যাচের সিরিজটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হলে এই পরিসংখ্যান আমূল পরিবর্তন আসবে সেটা নির্দ্বিধায় বলা চলে। দুই দলের মধ্যকার টি-টোয়েন্টি সিরিজটি শুরু হবে আগামী ৩ আগস্ট। পরের ম্যাচগুলো যথাক্রমে ৪, ৬, ৭ ও ৯ আগস্টে অনুষ্ঠিত হবে।