Scores

বাংলা টাইগার্সের রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা জানালেন আফতাব-নাফিসরা

আবুধাবির টি-টেন লিগে বাংলা টাইগার্স বাংলাদেশি মালিকানা পাওয়ায় সেখানে কাজ করার প্রস্তাব পান বাংলাদেশ দলের সাবেক তিন ক্রিকেটার আফতাব আহমেদ, নাফিস ইকবাল ও নাজিমউদ্দিন। বিদেশের মাটিতে গুরুদায়িত্ব নিয়ে নিজেদের প্রথম ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে দলকে তৃতীয় স্থান অর্জন করিয়েছিলেন তারা। রোমাঞ্চকর সেই অভিজ্ঞতা এবার ভাগাভাগি করেছেন বিডিক্রিকটাইম এর সাথে। 

বাংলা টাইগার্সের রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা জানালেন আফতাব-নাফীসরা

থিসারা পেরেরা, আন্দ্রে ফ্লেচার, রাইলি রুশো, লিয়াম প্লাঙ্কেট, রবি ফ্রাইলিঙ্ক- আন্তর্জাতিক তারকায় ভরপুর দলটির প্রধান কোচের দায়িত্ব পালন করেছিলেন আফতাব। এছাড়া নাজিমউদ্দিন সহকারী কোচ ও নাফিস ইকবাল ম্যানেজারের ভুমিকায় ছিলেন। বড় বড় ক্রিকেটারদের কীভাবে সামলেছেন তিন বন্ধু?

Also Read - বর্ণবাদী আচরণের বিরুদ্ধে সোচ্চার মুশফিক






আফতাব জানান, কোচ হয়েও তিনি এই আসর থেকে শিখে এসেছেন। বিদেশি খেলোয়াড়দের পেশাদারিত্ব রীতিমত মুগ্ধ করেছে তাকে। তিনি বলেন, ‘কোচ হিসেবে বাইরের খেলোয়াড়দের নিয়ে জানার খুব ইচ্ছা ছিল। ওদের কোচিং করানোর অভিজ্ঞতা কেমন, বা ওদের কাছ থেকে কী শেখা যায় এই ভাবনা নিয়ে বাংলা টাইগার্সে যোগ দেই।’

আফতাব মনে করেন, বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের চেয়েও বিদেশি ক্রিকেটারদের সাথে কাজ করা সহজ। তিনি জানান, ‘বিদেশি ক্রিকেটাররা খুব পেশাদার। আমি বলব, বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের চেয়ে ওদের সামলানো অনেক সহজ। টিম মিটিংয়ে যে পরিকল্পনা করতাম ঠিক ঐ অনুযায়ী কাজ করত। যে পরিকল্পনা করা হবে আমাকে যেকোনো মূল্যে সেই অনুযায়ী কাজ করতে হবে- এই ব্যাপারটা ওখানে শিখেছি।’






টি-টেন লিগের তৃতীয় সংস্করণে বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে শুধু ফরহাদ রেজাই ছিলেন বাংলা টাইগার্সে, যিনি শুরুর দিকে একাদশে জায়গাও পাচ্ছিলেন না। দলে তাই বিদেশি ক্রিকেটাররাই প্রাধান্য পেয়েছেন। বিদেশিদের ক্রিকেটারদের পেশাদারিত্বের প্রশংসা করলেন নাফিস ইকবালও।

তিনি আরও বলেন, ‘দুর্দান্ত একটা অভিজ্ঞতা ছিল। আমরা তিনজন একসাথে খেলেছি, তাই খুব রোমাঞ্চিত ছিলাম। তবে নার্ভাসও ছিলাম, কারণ বিদেশে আমাদের এত বড় পর্যায়ে কাজ করার অভিজ্ঞতা ছিল না। ওখানকার টিম মিটিংগুলো সেরা ছিল। ফাহিম স্যার (নাজমুল আবেদিন ফাহিম, বাংলা টাইগার্সের টেকনিক্যাল এডভাইজর) অনেক সহায়তা করেছেন। এই ম্যানেজমেন্ট নিয়ে আমি আবার কাজ করতে চাই। নতুন দল হয়ে তৃতীয় হয়েছিলাম, এটা বড় অর্জন।’

আফতাবের কোচিং অভিজ্ঞতা ছিল আগেও, নাফিস তো ম্যানেজার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিতই করে ফেলেছেন। তবে নাজিমউদ্দিনের কোচ হিসেবে প্রথম মিশনই ছিল এমন বড় মঞ্চ। রোমাঞ্চিত নাজিমউদ্দিন জানান, ‘কোচ হিসেবে আমার প্রথম অ্যাসাইনমেন্ট ছিল। একটু নার্ভাসই ছিলাম। এত বড় বড় খেলোয়াড় দলে! যাওয়ার পর যা দেখলাম, ওরা খুবই পেশাদারিত্ব নিয়ে থাকে। অনেক বন্ধুত্বপূর্ণ। খুব পরিশ্রম করে। ফিল্ডিং অনুশীলনে ৩০-৪০টা করে ক্যাচ ধরে! আমরা আমাদের খেলোয়াড়ি জীবনে এমন করিনি।’

 

বল বাই বল লাইভ স্কোর পেতে আর নয় বিদেশি অ্যাপ। বাংলাদেশ ক্রিকেটের সাম্প্রতিক খবর এবং বল বাই বল লাইভ স্কোর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে BDCricTime সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান ক্রিকেট অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।

 

নিউজটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Related Articles

আত্মসম্মানের কথা ভেবেই অবসর নেন আফতাব

আইসিএল খেলতে যাওয়ার কারণ জানালেন আফতাব

ইতিহাস গড়ার দিনে নিজেই অবাক হয়েছিলেন আফতাব

ক্রিকেটার হবার ইচ্ছা ছিল না আফতাবের

আফতাবের চোখে বাংলাদেশের সেরা ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি একাদশ