বিজয় দিবসের ম্যাচে নান্নুদের শহীদ মুশতাক একাদশের জয়

প্রতিবারের মতো এবারও বিজয় দিবসে মিরপুরের শের-ই-বাংলা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের সাবেক ক্রিকেটারদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রীতি ম্যাচ। শহীদ আব্দুল হামিল চৌধুরী জুয়েল বীর বিক্রম ও শহীদ মুশতাক আহমেদের নামে গঠিত দুই দল  শহীদ জুয়েল একাদশ ও শহীদ মুশতাক একাদশের ম্যাচে জয় পেয়েছে শহীদ মুশতাক একাদশ।

বিজয় দিবসের ম্যাচে নান্নুদের জয়
ছবিঃ বিসিবি

শহীদ জুয়েল একাদশের অধিনায়ক  ছিলেন বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাসুদ পাইলট। শহীদ মুশতাক একাদশের নেতৃত্ব দেন মিনহাজুল ইসলাম আবেদিন নান্নু।

Also Read - "জীবিত থাকলে হোপ খেলবে"


টস হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নামে শহীদ জুয়েল একাদশ। শুরুতে এহসানুল হক সেজান ও হান্নান সরকার মিলে দলকে এনে দেন দারুণ সূচনা। ৩২ রান করে বিদায় নেন হান্নান সরকার। আরেক ওপেনার এহসানুল হক সেজান করেন ৩৭ রান করেন। দুই ওপেনারের উইকেটই নেন ফয়সাল হোসেন ডিকেন্স।  অধিনায়ক খালেদ মাসুদ পাইলট ২৫ বল মোকাবেলা করে ৩৮ রান করেন। হাবিবুল বাশার করেন ১৬ বলে ১২। ৬ বলে ১৪ রানের কার্যকরী ইনিংস খেলেন হাসিবুল হোসেন শান্ত।  ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৬০ রান করে শহীদ জুয়েল একাদশ।

শহীদ মুশতাক একাদশের হয়ে  মোহাম্মদ রফিক ও ফয়সাল হোসেন ডিকেন্স দুইটি করে উইকেট শিকার করেন।

লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ব্যর্থ হয় শহীদ মুশতাক একাদশের টপ অর্ডার। তবে বোলিংয়ে জোড়া উইকেট শিকার করা ফয়সাল হোসেন ডিকেন্স ব্যাট হাতেও আলো ছড়ান। তার অপরাজিত ৫১ রানের ইনিংসে ভর করে চার উইকেটের জয় পায় শহীদ মুশতাক একাদশ।  মাত্র ৩৪ বলে ৫১ রান করেন ফয়সাল। এছাড়া ২১ বলে ২৭ রান করেন মোহাম্মদ রফিক। তার ইনিংসে ছিল তিন চার আর এক ছক্কা। মারমুখী ব্যাটিং করেন মিনহাজুল আবেদীন নান্নু। ৩ ছক্কা হাঁকানো নান্নু করেন ১২ বলে ২৩। শহীদ জুয়েল একাদশের হয়ে দুইটি করে উইকেট নেন মঞ্জুরুল ইসলাম এবং হাসিবুল হোসেন। ম্যাচসেরা হন ফয়সাল হোসেন ডিকেন্স।


আরো পড়ুনঃ  র‍্যাঙ্কিংয়ে বোলারদের প্রথম পাঁচে মুস্তাফিজ


 

নিউজটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন