বিদায়ী নবীকে ‘বিশেষ সম্মাননা’ রশিদের

0
571

আফগানিস্তান দলের রূপকার বললেও নেহায়েত কম বলা হবে। দেশটির ক্রিকেটের পোস্টার বয় মোহাম্মদ নবী যুদ্ধবিধ্বস্ত আফগানিস্তানকে বাইশ গজের মধ্য দিয়ে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরছেন অনন্য এক উচ্চতায়। বাংলাদেশের বিপক্ষে একমাত্র টেস্ট দিয়ে পাঁচ দিনের ক্রিকেটকে বিদায় বললেন তিনি। নবীর বিদায়ের দিনে ‘বিশেষ সম্মাননা’ জানালেন আফগান দলপতি রশিদ খান।

Advertisment

একদিনের ক্রিকেটে আফগানিস্তান দল স্বীকৃতি পাওয়ার পর এযাবৎ খেলেছে ১২৩টি ওয়ানডে ম্যাচ, যার ১২১টি ম্যাচে দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করাটাকেই বলে দেয় এই দলে নবীর ঠিক কতখানি ভূমিকা। ব্যাটিংয়ের সাথে নিজের অফস্পিন প্রতিভায় মুগ্ধ করে চলেছেন প্রতিনিয়ত, দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন বিশ্বজুড়ে চলা প্রায় প্রতিটি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে।

কিছুদিন আগে টেস্ট ক্রিকেটের ছাড়পত্র পেয়েছে আফগানিস্তান। বাংলাদেশের বিপক্ষে তারা খেলতে নেমেছিলো নিজেদের ইতিহাসে তৃতীয় ম্যাচ। এই ম্যাচের পর নিজের সাদা পোশাকটা তুলে রাখার ঘোষণাটা আগেই দিয়ে রেখছিলেন নবী। ৩৪ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার নিজের অবসরের কারণ হিসাবে বলেছিলেন, তরুণদের টেস্টে সুযোগ করে দিতেই তার এমন সিদ্ধান্ত।

শেষ বেলায় বিদায়টাও বেশ রঙ্গিন হলো নবীর, বাংলাদেশের বিপক্ষে ২২৪ রানের বিশাল জয় তুলে নিয়েছে তার দল। তবে ম্যাচে অবশ্য মূল চরিত্রে দেখা গেছে দলপতি রশিদ খানকে। ব্যাট হাতে এক অর্ধশতকের সাথে বলহাতে তুলে নিয়েছেন প্রতিপক্ষের ১১ উইকেট। তাই স্বভাবতই ম্যাচ সেরার পুরস্কারটা উঠেছে রশিদের হাতে। পুরস্কার নিতে এসে দলের এমন গুরুত্বপূর্ণ সদস্যের বিদায় মুহূর্তে তাকে সেটি উৎসর্গ করে ‘বিশেষ সম্মাননা’ দেখালেন রশিদ।

পুরস্কার হাতে রশিদ বলেন, ‘এটি কিংবদন্তি নবীর শেষ টেস্ট ছিল। তিনি আমাদের স্পিনারদের অনেক সাহায্য করেছেন এবং আফগানিস্তান দলে তাঁর অবদানের জন্য আমি তাকে ধন্যবাদ জানাই। আজকের ম্যাচের জন্য পাওয়া আমি আমার এই ম্যান অফ দ্য ম্যাচ পুরস্কার নবীকে উৎসর্গ করতে চাই।’

প্রসঙ্গত, নিজের তিন টেস্টের ক্যারিয়ারে অবশ্য বলার মত কোন সাফল্যের দেখা পাননি মোহাম্মদ নবী। ব্যাট হাতে ৩৩ রানের পাশাপাশি বোলিংয়ে নিয়েছেন ৮ উইকেট।