“আমি ভয় পাইয়া গেছিলাম রে!”

সিলেট টেস্টের প্রথম দিনের খেলা চলাকালে মাঠে অনাহূত ক্ষুদে ভক্তের আগমনে বেশ ভড়কে গিয়েছিলেন মুশফিকুর রহিম।

ম্যাচ শেষে মুশফিকের সতীর্থ আবু জায়েদ চৌধুরী রাহী সংবাদ সম্মেলনে এসে মুখোমুখি হন এই ঘটনা নিয়ে প্রশ্নের। জবাবে তিনি জানান, ঘটনার আকস্মিকতায় ভয় পেয়ে গিয়েছিলেন মুশফিক।

রাহী বলেন-

Also Read - গ্র্যান্ড স্ট্যান্ডের ‘কপাল’ থেকে হারিয়ে গেছে ঘড়ি!

মুশফিক ভাই তেমন কিছু বলেননিউনি তখন বলেনআমি ভয় পাইয়া গেছিলাম রে! ও যখন ঢুকছে আমি দেখছি দৌঁড়ে আসছেআমি যে মুশফিক ভাইকে কী বলব, খুঁজে পাচ্ছিলাম নামুশফিক ভাইয়ের কাছে আসছিল নাকি মিরাজের কাছে আসছিল আমি বুঝতে পারছিলাম নাজাস্ট মুশফিক ভাই ভয় পেয়ে গিয়েছিলেন।’

ম্যাচের ৪৮তম ওভার তখন মাত্র শেষ হয়েছে। নাজমুল ইসলাম অপুর করা ঐ ওভারে সাজঘরে ফিরেছেন জিম্বাবুয়ের ব্যাটসম্যান সিকান্দার রাজা। তাই হাসি হাসি মুখ বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের। ওভার শেষ হওয়ায় ফিল্ডাররা প্রান্ত বদল করছিলেন। পরের ওভারের প্রস্তুতিতে মিডিয়া প্রান্তে এসে দাঁড়ানো মুশফিক মাঠ সাজাতে সহায়তা করছেন। এমন সময় সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের পূর্ব গ্যালারির মজবুত গ্রিল টপকে এক ছোট্ট কিশোর ঢুকে পড়ে মাঠে।

মাঠে ঢোকার পর আর তাকে পায় কে! এক দৌড়ে সোজা মুশফিকের কাছে। ঘটনার আকস্মিকতা বুঝতে সময় লাগছিল মুশফিকেরও। ক্ষুদে ভক্ত ততক্ষণে মুশফিকের বুকে আশ্রয় নিয়েছে। ভক্তের ভালোবাসা বুঝতে পেরে মুশফিক কিশোরকে জড়িয়ে ধরেন। আর প্রিয় ক্রিকেটারের ছোঁয়া পেয়ে ক্ষুদে ভক্তের উচ্ছ্বাস যেন ঠিকরে পড়ছিল! তবে নিরাপত্তাব্যবস্থাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে এমন ঘটনা ভয় জাগানোর মতই।

নিরাপত্তারক্ষীরা অবশ্য রসিক নন! তাদের বেষ্টনীকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে কিশোর ঢুকেছে মাঠে। বেরসিক হওয়াটাই স্বাভাবিক! কিশোরকে বের করতে দ্রুত মাঠে ছুটে আসেন নিরাপত্তায় নিয়োজিত কর্তারা। মুশফিক ইশারায় তার ক্ষুদে ভক্তকে হেনস্থা করতে মানা করেন। আর তাই সীমানার বাইরে নিয়ে এসে ছেড়ে দেওয়া হয় মুশফিকের ঐ ভক্তকে।

আরও পড়ুন: টাইগার ভক্ত শোয়েব আলীর মানবতার গল্প