Scores

যুগ যুগ ধরে অক্ষুণ্ণ থাকা কিছু রেকর্ড

কথায় আছে, রেকর্ড গড়া হয় ভাঙার জন্য। কিন্তু ক্রিকেটের অনেক রেকর্ড আছে যার টিকে রয়েছে যুগের পর যুগ। এ সব রেকর্ডকে ছাপিয়ে যেতে হলে ঘটাতে হবে অবিশ্বাস্য কাণ্ড। এ রেকর্ডগুলো ছাড়িয়ে যাওয়া অসাধ্যকে সাধন করার মতোই কঠিন।

যুগ যুগ ধরে অক্ষুণ্ণ থাকা কিছু রেকর্ড

নিউজিল্যান্ডের ২৬

Also Read - ড্রেসিংয়ের জন্য হাসপাতালেও যেতে পারছেন না সাদমান


টেস্ট ক্রিকেটে সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহে রেকর্ডটা নিউজিল্যান্ডের। ১৯৫৫ সালের ২৮ মার্চ ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মাত্র ২৬ রান করে অলআউট হয়ে যায় নিউজিল্যান্ড। ঐ টেস্টের প্রথম ইনিংসে ২০০ রান করলেও দ্বিতীয় ইনিংসে তাসের ঘরের মতো ভেঙে যায় নিউজিল্যান্ডের ব্যাটিং লাইন। মাত্র ২৭ ওভার টিকে থাকতে সক্ষম হয় কিউইরা। প্রায় ৬৫ বছর ধরে টিকে আছে রেকর্ড। ইংল্যান্ড এ তিক্ত রেকর্ডের সবচেয়ে কাছাকাছি গিয়েছিল। গত বছর লর্ডসে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে মাত্র ৩৮ রানে অলআউট হয় তারা।

জিম লেকারের ১৯ উইকেট

এক টেস্টে প্রতিপক্ষের ২০ উইকেট এর মাঝে ১৯ উইকেট শিকার করার রেকর্ড রয়েছে জিম লেকারের। ১৯৫৬ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে লেখার এর রেকর্ড গড়েন। একটি ইনিংসে ৫৩ রানের বিনিময়ে ১০ উইকেট এবং পুরো ম্যাচে ৯০ রান দিয়ে ১৯ উইকেট শিকার করেন লেকার। টেস্ট ক্রিকেটে এক ইনিংসে ও এক ম্যাচে সেরা বোলিং ফিগারটা এখনো এই স্পিনারের দখলে। তিনিই একমাত্র বোলার যিনি প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে এক ম্যাচে ১৯ উইকেট পেয়েছেন।

৩০ বছরের টেস্ট ক্যারিয়ার

দীর্ঘতম টেস্ট ক্যারিয়ারের রেকর্ডটা ইংল্যান্ডের উইলফ্রেড রোডসের। তার টেস্ট ক্যারিয়ারের বয়স আড়াই যুগ। ১৮৯৯ সালে টেস্ট অভিষেক হয় এ অলরাউন্ডারের। নিজের সর্বশেষ টেস্ট খেলতে নামেন ১৯৩০ সালে। তখন তার বয়স। ৫৩ বছর। ইংল্যান্ডের হয়ে ৫৮ টেস্ট খেলেছেন রোডস।

এক টেস্ট সিরিজে সর্বোচ্চ রান

ক্রিকেট ইতিহাসে এখন পর্যন্ত ডন ব্র্যাডম্যানের যে রেকর্ডগুলো অক্ষুন্ন তার মধ্যে এটি অন্যতম। প্রায় ৯০ বছর ধরে এই রেকর্ড ব্র্যাডম্যানের দখলে।

১৯৩০ সালের অ্যাশেজে ৯৭৪ রান সংগ্রহ করেন তিনি। ওই সিরিজে চারটি শতক হাঁকান তিনি। তন্মধ্যে তিনটিকে পরিণত করেন দ্বিশতকে। প্রায় ৫০ বছর পর মার্ক টেলর ১৯৮৯ সালের অ্যাশেজে ৮৩৯ রান করেছিলেন।

এক টেস্ট সিরিজে সর্বোচ্চ উইকেট

শত বছরের বেশি সময় ধরে টিকে রয়েছে সিডনি বার্নসের এ রেকর্ড। ১৯১৩-১৪ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৪ ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ৪৯ উইকেট নেন।

সবচেয়ে লম্বা টেস্ট ইনিংস

১৯৫৮ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৯৭০ মিনিট ক্রিজে ছিলেন পাকিস্তানের হানিফ মোহাম্মদ। ৩৩৭ রানের একটি ইনিংস খেলেছিলেন এই ব্যাটসম্যান। সময়ের হিসেবে এখন পর্যন্ত এটি সবচেয়ে লম্বা টেস্ট ইনিংস। শুধু তাই নয়, ফলো-অনে নেমে করা একমাত্র ট্রিপল সেঞ্চুরি এটি।

এক টেস্টে দুই হ্যাটট্রিক

এ রেকর্ডটি টিকে আছে শত বছরের বেশি সময় ধরে। অস্ট্রেলিয়ার জিমি ম্যাথিউস দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ১৯১২ সালে এক টেস্টেই দুই হ্যাটট্রিক করেন। হ্যাটট্রিক দুইটি দুই ইনিংসে হলেও, হয়েছিল এক দিনেই।

টেস্টে টানা শতক

ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্যার এভারটন উইকস ১৯৪৮ সালে টানা পাঁচ টেস্ট ইনিংসে পাঁচটি শতক হাঁকান। এ রেকর্ড এর হুমকি হয়েছিলেন ভারতের রাহুল দ্রাবিড়। তিনি হাঁকিয়েছিলেন টানা চারটি শতক।

টেস্টে টানা পাঁচ উইকেট

১৮৮৮ অস্ট্রেলিয়ার চার্লি টার্নার টানা ছয় ইনিংসে পাঁচ বা তার চেয়ে বেশি উইকেট শিকার করেন। গত ৫০ বছরে একমাত্র সেই শিলিংফোর্ড তার কাছাকাছি গিয়েছেন। টানা পার্টি ইনিংসের। এ কীর্তি করেন শিলিংফোর্ড।

অভিষেকের রেকর্ড

টেস্ট অভিষেকে সর্বোচ্চ ইনিংস এবং সেরা বোলিং ফিগার উভয় রেকর্ড টিকে আছে ১০০ বছরের বেশি সময় ধরে। ১৮৯৫ সালে অভিষেকে আলবার্ট ট্রট ৪৩ রানে ৮ উইকেট নিয়েছিলেন।সর্বোচ্চ ইনিংসের রেকর্ড ১৯০৩ সালের। টিপ ফস্টার অভিষেকেই খেলেছিলেন ২৮৭ রানের ইনিংস। এছাড়া টেস্টে সবচেয়ে বেশি বয়ক্সে অভিষেক করার রেকর্ড ১৮৭৭ সালের। ইংল্যান্ডের জেমস সাউদার্টনের অভিষেক ঘটে ৪৯ বছর ১১৯ দিন বয়সে।

কৃতজ্ঞতা- ইএসপিএন ক্রিকইনফো

Related Articles

বর্ণবাদের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলল ক্রিকেটাররা

স্টোকসের টুইটে শিরোনাম পরিবর্তন করল ক্রিকইনফো

বিশ্বকাপ জেতানো বোলার নায়ক মাঠের বাইরেও

করোনাভাইরাসের শঙ্কায় বাতিল বুড়োদের বিশ্বকাপ

ভারতে তাদের মোকাবেলায় ক্রিকইনফোর সেরা একাদশে মুশফিক