রাদারফোর্ডের প্রতিরোধও বাঁচাতে পারল না সিলেটকে

0
440

হার দিয়ে বঙ্গবন্ধু বিপিএল শুরু করেছিল সিলেট থান্ডার। এরপর টানা চার হারের পর আসে স্বস্তির জয়। তবে আবার টানা হারের বৃত্তে আটকে যাওয়া সিলেট আগেই শেষ করেছে টুর্নামেন্টের প্লে-অফের আশা। আজও রংপুর রেঞ্জার্সের বিপক্ষে হেরেছে ৩৮ রানের ব্যবধানে।

Advertisment

এদিন আগে ব্যাট করে শেন ওয়াটসন ও নাইম শেখের ব্যাটে সিলেটকে ২০০ রানের বিশাল টার্গেট ছুঁড়ে দেয় রংপুর রেঞ্জার্স। পাহাড়সম এই লক্ষ্য টপকাতে নেমে শুরুটা সুখকর হয়নি সিলেটের। ঝড়ো শুরুর আভাস দিয়ে মাত্র ১২ বলে ১৯ রান করে আউট হয়ে যান অধিনায়ক আন্দ্রে ফ্লেচার।

আরেক ওপেনার আব্দুল মজিদ ১১ বলে ৭ রান করে গ্রেগরির বলে বোল্ড হলে পরে দলের হাল ধরেন মোহাম্মদ মিঠুন ও রাদারফোর্ড। ঝড়ো ব্যাটিংয়ে পরের ৪ ওভারে ৩৮ রান যোগ করেন দুজন। ইনিংসের দশম ওভারে নবীর বলে অসাধারণ এক ক্যাচ নিয়ে মিঠুনকে সাজঘরের পথ দেখান বদলি খেলোয়াড় মুগ্ধ। আউট হওয়ার আগে মিঠুনের ব্যাট থেকে আসে ২২ বলে ৩০ রান।

তবে নিজের কাজটা ঠিকই করে যান রাদারফোর্ড। মাত্র ৩১ বলে তুলে নেন চলতি টুর্নামেন্টে নিজের প্রথম ফিফটি। কিন্তু অন্যপ্রান্তে তাকে সঙ্গ দিতে পারেননি শফিকউল্লাহ (১০), সোহাগ গাজী (১), রনি তালুকদাররা (০)। পরে রাদারফোর্ডও ৩৭ বলে ৬০ রান করে রান আউটে কাটা পড়লে ফিকে হয়ে যায় সিলেটের জয়ের আশা।

শেষদিকে মনির হোসেন ব্যাটিংয়ে না নামলে এবং আর কোনো ব্যাটসম্যান প্রতিরোধ গড়তে না পারলে মাত্র ১৬১ রানে থামে সিলেট থান্ডারের ইনিংস। ফলে ৩৮ রানে জয় তুলে মাঠ ছাড়ে রংপুর রেঞ্জার্স। রংপুরের হয়ে গ্রেগরি, তাসকিন এবং মুস্তাফিজ নেন দুইটি করে উইকেট।

এর আগে টসে হেরে রংপুরের হয়ে ইনিংসের গোড়াপত্তন কর‍তে আসেন নাইম এবং ওয়াটসন। উদ্বোধনী জুটিতে ৭৭ রানের পার্টনারশিপ গড়েন দুজন। যেখানে আউট হওয়ার আগে ৭টি চারের সাথে ১টি ছক্কা সাহায্যে ৩৩ বলে ৪২ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলে যান নাইম। এরপর ক্যামেরুন ডেলপোর্টকে নিয়ে দলের হাল ধরেন ওয়াটসন। ঝড়ো ব্যাটিংয়ে মাত্র ৩১ বলে ফিফটি তুলে নেন এই অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটসম্যান।

পরে এবাদতের বলে আউট হওয়ার আগে ৩৬ বলে ৬৮ রান করেন তিনি। এর আগে ডেলপোর্ট ২৫ রানে আউট হলে শেষদিকে লুইস গ্রেগরির ১৫ রানের সাথে মোহাম্মদ নবীর ১৭ বলে ২৩ ও ফজলে রাব্বির অপরাজিত ১৬ রানের সুবাদে নির্ধারিত ওভার শেষে ১৯৯ রানের সংগ্রহ পায় রংপুর রেঞ্জার্স। ম্যাচে সিলেট থান্ডারের হয়ে ২ উইকেট নেন পেসার এবাদত হোসেন।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

রংপুর রেঞ্জার্স: ১৯৯/৫ (২০ ওভার)
ওয়াটসন ৬৮, নাইম ৪২, ডেলপোর্ট ২৫; এবাদত ২/৩০, মনির ১/২৫, রাদারফোর্ড ১/২৮।

সিলেট থান্ডার: ১৬১/১০ (১৯.১ ওভার)
রাদারফোর্ড ৬০, মিঠুন ৩০, ফ্লেচার ১৯; মুস্তাফিজ ২/১৮, গ্রেগরি ২/২৭, তাসকিন ২/৩৯।

ফল: রংপুর ৩৮ রানে জয়ী।