সাকিব-তামিমরা ছুটি চাইলে বিবেচনা করবে বিসিবি

সামনেই বাংলাদেশ দলের জিম্বাবুয়ে সফর। তবে বায়োবাবলের কারণে ক্রিকেটারদের খেলার ধকল এখন অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি। আর তাই জিম্বাবুয়ে সফর থেকে ক্রিকেটাররা ছুটি চাইলে তা বিবেচনা করবে বোর্ড।

সাকিব অখুশি নয়, ক্যাম্পের শুরু থেকেই জানত তামিমি
সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবাল। ফাইল ছবি

নির্বাচক আব্দুর রাজ্জাক এমন আভাসই দিয়েছেন গণমাধ্যমকে। কয়েকদিন ধরেই গুঞ্জন- জিম্বাবুয়ে সফরে নির্দিষ্ট ফরম্যাট থেকে বিশ্রাম চাইতে পারেন সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবালের মত বড় ক্রিকেটাররা। কেউ ছুটির জন্য আবেদন করেছেন কি না তা এখনও জানেন না রাজ্জাক, তবে ক্রিকেটাররা ছুটির পক্ষেই সুর তার।

Advertisment

রাজ্জাক বলেন, ‘অন্য দলগুলোর কথা যদি হিসাব করেন তাহলে দেখা যায় খেলোয়াড়দের ছুটি দেওয়ার একটা ব্যাপার আছে। এরকম ছুটির আবেদন আসলে বিবেচনা করে দেখা যেতে পারে। অবশ্যই এই বিবেচনা অবশ্যই বোর্ডের, সিদ্ধান্ত বোর্ড থেকেই আসবে এবং আমাদের জানানো হবে এটা আমরা করতে পারি কি না। তখন আমরা দেখব এই খেলোয়াড় না থাকলে কী হতে পারে বা থাকলে কি হতে পারে। আমার জানামতে কেউ এখনও ছুটির জন্য বলেনি।’

প্রতিপক্ষ জিম্বাবুয়ের মত খর্বশক্তির দল বলে খেলোয়াড়দের ছুটি দেওয়া অপেক্ষাকৃত সহজ সিদ্ধান্ত হবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে রাজ্জাক বলেন, ‘প্রথমত জিম্বাবুয়েতে জিম্বাবুয়ে সহজ প্রতিপক্ষ না। বাংলাদেশ হলে বলতাম- ঠিক আছে আমাদের জন্য তুলনামূলক সহজ। জিম্বাবুয়েতে কখনই স্বাগতিকরা সহজ প্রতিপক্ষ না, কখনই না। এই ব্যাপারটার সাথে আমি মোটেও একমত নই। তারপরও আমার কাছে মনে হয় প্রত্যেক সিরিজ গুরুত্বপূর্ণ।’

তিনি আরও বলেন, ‘স্কটল্যান্ডের সাথে খেললে যা, অস্ট্রেলিয়ার সাথেও তা। অস্ট্রেলিয়ার সাথে এক ম্যাচ জিতলে কিন্তু দুই ম্যাচ জয়ের পয়েন্ট পাবেন না। এক উইকেট পেলে তো দুই উইকেট দিবে না, একটা পঞ্চাশ করলে একশ করে দিবে না। খেলোয়াড়দের সবার সাথে খেলতেই সমান কষ্ট। প্রত্যেক সিরিজ বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।’ 

তবে জিম্বাবুয়েকে শক্তিশালী মেনেই রাজ্জাক খেলোয়াড়দের মানসিক দিকটির দেখভাল করার পক্ষে। এজন্য রোটেশন পলিসি চালু করা যায় কি না, এমন অভিমতও ব্যক্ত করেছেন তিনি।

রাজ্জাক বলেন, ‘অবশ্যই এটা নিয়ে আমরা ভাবছি। এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বায়োবাবলে থাকা। যারা নিয়মিত তিন ফরম্যাটে খেলছে তাদের কথা চিন্তা করুন, কতদিন ধরে বায়োবাবলে আছে। আসলেই কঠিন সময় পার করছে। আমরা শুধু পারফরম্যান্স দেখতে চেষ্টা করি। কিন্তু এটাও বিবেচনা করা উচিৎ। যারা ক্রিকেট নিয়ে কথা বলে তাদেরও ব্যাপারটা হিসাব করা উচিৎ। তাই একটু ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে, কিছু সময় দেওয়া… আরেকটা জিনিস হতে পারে হোটেলে পরিবার সাথে রাখা, একইসাথে থাকা কিছুটা স্বস্তির। যদিও এই সিদ্ধান্ত বোর্ড নেবে। তারপরও বাইরে না গিয়ে এক জায়গায় থাকা খুব কঠিন।’