সাকিব-মুশফিককে উপরে খেলানো উচিতঃ গাভাস্কার

SUNIL_GAVASKAR

মোঃ সিয়াম চৌধুরী

বেশ কয়েকদিন ধরেই ক্রিকেট বোদ্ধাদের আলোচনায় বাংলাদেশ দলের ব্যাটিং লাইনআপ। টপ অরারের ব্যর্থতার পাশাপাশি দৃষ্টিকটু ব্যাটিং লাইনআপ সাজানোও সমালোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে দলের সেরা দুই ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম ও সাকিব আল হাসানের দেরীতে ক্রিজে নামা অনেকের কাছেই পছন্দ হচ্ছে না। এবার এই দলে যোগ দিলেন ভারতের সাবেক তারকা ক্রিকেটার ও বর্তমান ধারাভাষ্যকার সুনীল গাভাস্কারও।

Also Read - অস্ট্রেলিয়ার পরাজয়ে পয়েন্ট টেবিলের তৃতীয় স্থানে বাংলাদেশ


আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচে বাজে শুরু করে দলকে দুশ্চিন্তায় ফেলে দিয়েছিল টপ অর্ডার। এরপর মুশফিক আর সাকিবের ব্যাটে চড়েই সম্মানজনক স্কোর পায় বাংলাদেশ। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ব্যাটিং বিপর্যয়ের দিনেও চাপ সামলে সাব্বিরের পাশাপাশি একটু খেলতে পেরেছেন ঐ সাকিব-মুশফিকই। পারফরমেন্স, অভিজ্ঞতা ও প্রেক্ষাপট বিবেচনায় নিঃসন্দেহেই মুশফিক ও সাকিব দলের সেরা দুই ব্যাটসম্যান, কিন্তু এই দুজনকে ব্যাটিং অর্ডারের মাঝখানে নামানোয় সবার সাথে এবার বিস্ময় প্রকাশ করলেন সুনীল গাভাস্কারও।

পরিকল্পনাহীন ব্যাটিং লাইনআপের কারণে টীম ম্যানেজমেন্টের মুন্ডুপাত করেছিলেন বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা ম্যাচ চলাকালীন সময়েই। আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচে টস জিতে ২৬৭ রান করায়ও হতাশা প্রকাশ করেছিলেন উইকেটের তুলনায় রান কম হওয়ায়। শনিবার ভারত-আরব আমিরাত ম্যাচের পর আলোচনায় হঠাৎ বাংলাদেশ প্রসঙ্গ আসতেই আবারও সাকিব-মুশফিককে উপরে তোলার কথা বললেন তিনি।

সাকিব ও মুশফিককে দলের সেরা ব্যাটসম্যান উল্লেখ করে গাভাস্কার বলেন, ‘সাকিব-মুশফিক ভালো ব্যাটসম্যান। দুজনই ফর্মে রয়েছে। আমার মনে হয়, তাদের আরও ওপরে খেলানো উচিত। মুশফিককে খেলানো যেতে পারে তিনে আর সাকিবকে চারে। এতে করে আরও রান করতে পারবে তাঁরা।’

মাহমুদল্লাহ রিয়াদকে টপ অর্ডারে খেলানোয়ও বিস্মিত গাভাস্কার। ইতিপূর্বে মাহমুদুল্লাহকে সাত কিংবা আট নাম্বার পজিশনে নিজের দেখা সেরা ব্যাটসম্যান হিসেবেও আখ্যা দিয়েছিলেন তিনি, সেই সাথে বলেছিলেন, মাহমুদুল্লাহ দলে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেনও শেষের দিকে ব্যাট হাতে নেমে।

এক পর্যায়ের বাংলাদেশের দর্শক-সমর্থকদের ব্যাপারে প্রশংসা ঝরে পড়ে গাভাস্কারের মুখে, ‘আমি সত্যিই বাংলাদেশের দর্শকদের ভালোবাসাটা অনুভব করি। বাংলাদেশের দর্শকেরা দলকে ভীষণ ভালোবাসে। খেলা থাকলেই ছুটে আসে দলকে উৎসাহিত করতে। ক্রিকেটে হার-জিত আছে- এটা সব সমর্থকই বোঝে। কিন্তু তারা দলের কাছে লড়াই প্রত্যাশা করে। দল হারলেও যেন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে হারে- এটাই তারা চায়।’