-
-
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.
নির্বাচিত খবর
লিংকসমূহ
ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
লিগ্যাল তথ্য
More
- নির্বাচিত খবর
- লিংকসমূহ
- ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
- লিগ্যাল তথ্য
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.

এই জয়ে র্যাংকিংয়ের টেবিলে বড় পরিবর্তন এনে তালিকার দ্বিতীয় স্থানে আরোহণ করেছে ডেভিড ওয়ার্নারের দল।
বুধবার ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে অকল্যান্ডে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে নিউজিল্যান্ডকে মোটামুটি ভালো শুরুই এনে দেন মার্টিন গাপটিল ও কলিন মুনরো। দুজনের ব্যাটে সাড়ে চার ওভারে ৪৮ রানের ভিত পায় নিউজিল্যান্ড। তবে এরপরই ম্যাচটি চলে যেতে থাকে অস্ট্রেলিয়ান বোলারদের নিয়ন্ত্রণে। অজি বোলারদের বোলিং তোপে ১৪তম ওভারেই ১১০ রান তুলে ৮ম উইকেট হারায় নিউজিল্যান্ড।
এমন পরিস্থিতি থেকে দলকে টেনে তোলেন রস টেলর। দুই ওপেনার ছাড়া দলের বাকীরা যেখানে ক্রমাগত ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন, সেখানে তিনি একাই লড়ে গেছেন বুক চিতিয়ে। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভার থেকে ৯ উইকেট হারানো নিউজিল্যান্ডের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৫০ রান। টেলর অপরাজিত থাকেন ৪৩ রানে। এছাড়া মুনরো ২৯ ও গাপটিল ২১ রান করেন।
অজিদের পক্ষে অ্যাস্টন অ্যাগার তিনটি এবং ক্যান রিচার্ডসন ও অ্যান্ড্রু টাই দুটি করে উইকেট শিকার করেন।
জয়ের লক্ষ্যে খেলতে নেমে দলকে ৭২ রান এনে দেন দুই অস্ট্রেলিয়ান ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার ও ডি'আরকি শর্ট। ৫০ রান করে শর্ট এবং ২৫ রান করে ওয়ার্নার বিদায় নেওয়ার পর ২ রান করে ফিরে যান অ্যাস্টন অ্যাগারও। এরপর গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ও অ্যারোন ফিঞ্চ দেখেশুনে খেলতে থাকেন। ১৪.৪ ওভার ব্যাট করার পর ৩ উইকেটে ১২১ রান সংগ্রহ করে অস্ট্রেলিয়া। বৃষ্টির কারণে এমন পরিস্থিতিতে খেলা বাধাগ্রস্ত হলে বৃষ্টি থামার অপেক্ষা করতে থাকেন ম্যাচ অফিশিয়ালরা। তবে তা না হওয়ায় ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতিতে ১৯ রানের জয়ে শিরোপা উৎসবে মাতে অস্ট্রেলিয়া।
ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন অ্যাস্টন অ্যাগার। সিরিজ সেরা হয়েছেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল।
এদিকে এই জয়ে টি-২০ র্যাংকিংয়ে অস্ট্রেলিয়ার অবস্থান এখন দ্বিতীয়। সমান ১২৬ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে 




