সেরাটা শেষের জন্য রেখে দিয়েছিলাম: তামিম

0
1742

শেষ পর্যন্ত তামিম ইকবালের ১৪১ রানের অপরাজিত ইনিংসটিই হয়ে উঠল ম্যাচের নিয়ামক। তামিম ছাড়া এদিন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের অন্য ব্যাটসম্যানরা দাঁড়াতে পারেননি। বলতে গেলে তামিমের ১৭ রানের এই ইনিংসই তাই কুমিল্লাকে এনে দিয়েছে দ্বিতীয় শিরোপা।

Advertisment

ম্যাচ শেষে ফাইনালের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার নিতে তামিম এলেন ছেলে আরহাম ইকবালকে কোলে নিয়ে। পুরো আসরের হতাশ কিংবা বিমর্ষ তামিম এদিন বেশ উচ্ছ্বসিত! রসিকতা করেই হয়ত জানালেন, শেষ অংশের জন্যই রেখে দিয়েছিলেন নিজের সেরাটুকু!

তামিম বলেন, ‘পুরো আসর জুড়ে ভালো শুরুর চেষ্টা করেও আমি ইনিংস বড় করতে পারিনি। হয়ত নিজের সেরাটা শেষের জন্যই রেখে দিয়েছিলাম!’

ঢাকা ডায়নামাইটসের অভিজ্ঞ বোলারদের বিপক্ষে এমন স্বাচ্ছন্দ্যে ব্যাট চালানো চাট্টিখানি কথা নয়। ব্যাটসম্যানের নাম তামিম বলেই হয়ত এমনটি সম্ভব হয়েছে। তামিম বলেন, ‘আমরা ইনিংসটা পরিকল্পনা অনুযায়ী সাজাতে পেরেছি। তাদের নারাইন ও সাকিবের মত দুজন বিশ্বমানের বোলার ছিল। আমরা তাদেরকে কোনো সুযোগ দেইনি।’

ব্যাটিং করার জন্য এই উইকেট বেশ উপযোগী ছিল বলে জানিয়েছেন তামিম। যদিও আসরের প্রথম দিকে ঢাকায় ছিল রান খরা, আর তাই বিপিএলের শিরোপা নির্ধারণের ম্যাচেও ছিল রান খরার শঙ্কা। তবে এদিন উইকেট এত ব্যাটিং বান্ধব ছিল যে একটা সময় ২০০ রানও কম মনে হচ্ছিল তামিমের কাছে!

তিনি বলেন, ‘উইকেট বেশ ভালো ছিল। একটা সময় ২০০ রানকেও কম মনে হচ্ছিল।’

ঢাকার দুই ব্যাটসম্যান উপুল থারাঙ্গা ও রনি তালুকদার যখন দারুণ ব্যাট করছিলেন, তখনও তামিম হারাননি জয়ের আশা। তার ভাষ্য, ‘তবে আমি এটা জানতাম- একবার কয়েকটি উইকেট তুলে নিতে পারলেই আমরা ম্যাচে ফিরে আসবো। পোলার্ড এবং রাসেলের উইকেট খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল।’

পরিশেষে তামিম নিউজিল্যান্ড সফরেও ভালো করার প্রত্যাশা জানান। তিনি বলেন, ‘আগামীকালই নিউজিল্যান্ডের উদ্দেশ্যে উড়াল দেবো। আশা করি সেখানেও আমি ভালো করতে পারব।’

[আরও পড়ুনঃ দেখুন কুমিল্লার বিজয়ের মুহূর্ত]