সোহানের শতক, আলো ছড়ালেন শফিউল-রেজা

বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগে দ্বিতীয় রাউন্ডের দ্বিতীয় দিনে ব্যাট হাতে ঝড়ো শতক হাঁকিয়েছেন দক্ষিণাঞ্চলের কাজী নুরুল হাসান সোহান।  তার ১৩৩ রানের ইনিংসে ভর করে ৪৪৮ রানের বড় পুঁজি পেয়েছে দক্ষিণাঞ্চল।

১৩৩ রানের ইনিংস খেলেছেন সোহান
১৩৩ রানের ইনিংস খেলেছেন সোহান

বিকেএসপিতে ২ উইকেটে ১০৮ রান থেকে দ্বিতীয় দিন শুরু করে দক্ষিণাঞ্চল। ৮০ রান করা শাহরিয়ার নাফীসকে আউট করে দ্বিতীয় দিনে দলকে প্রথম সাফল্য এনে দেন পেসার এবাদত হোসেন। ১৪৯ বলে ১৪ চার ও ১ ছক্কায় ৮০ রান করেন নাফীস। দ্বিতীয় দিন বেশিক্ষণ টিকেননি তুষার ইমরান। ৪০ রান থেকে শুরু করে আউট হন ৫৬ রানে। বড় স্কোর গড়তে ব্যর্থ হন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। ১৭ রান করে মোশাররফ হোসেনের শিকার হন তিনি।

Advertisment

এরপর আল-আমিন জুনিয়রকে নিয়ে হাল ধরেন নুরুল হাসান সোহান। ৮২ রানের জুটি গড়েন দুজন। আল-আমিনের ব্যাট থেকে আসে ৫২ রান। এক প্রান্ত আগলে রাখেন নুরুল হাসান সোহান। ওয়ানডে মেজাজে ব্যাটিং করছিলেন তিনি। জিয়াউর রহমানের সাথে ৯৯ রানের জুটিতে জিয়াউরের ব্যাট থেকে ছিল মাত্র ২২ রান। মধ্যাঞ্চলের বোলারদের ওপর আধিপত্য বিস্তার করেন সোহান। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে সপ্তম সেঞ্চুরি তিনি পুর্ণ করেন মাত্র ৯৪ বলে। ১২৯ বলে ১৫টি চার ও ৩টি ছক্কায় ১৩৩ করে ফিরে যান সোহান। রাজ্জাকের ২৩ আর আল-আমিনের সুবাদে ৪৪৮ রান করে দক্ষিণাঞ্চল।

জবাবে ব্যাটিং করতে নেমে সাত ওভারে বিনা উইকেটে  ১৪ রান করে মধ্যাঞ্চল। ৪৩৪ রানে পিছিয়ে আছে তারা।

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বিসিএলের অন্য খেলা শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে উত্তরাঞ্চলের সংগ্রহ বিনা উইকেটে ৩৬ রান। প্রথম ইনিংসে পূর্বাঞ্চল লিড পেয়েছিল ২৪ রানের।

উত্তরাঞ্চলের প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৮৭ রানের জবাব দিতে নেমে ধুঁকছিল পুর্বাঞ্চল। প্রথম দিন শেষে তাদের সংগ্রহ ছিল ৪ উইকেটে ২৪। দ্বিতীয় দিনের শুরুতেও বিপর্যয় কাটাটে পারেনি তারা। ৬৬ রানের মাথায় ষষ্ঠ উইকেটের পতন ঘটে। সপ্তম উইকেটে ৬৪ রানের জুটি গড়ে দলকে খেলায় ফেরান ইয়াসির আলি ও সোহাগ গাজী। গাজী ৩০ এবং ইয়াসিরের ব্যাট থেকে আসে ৪৫ রান। ইয়াসিরকে ফেরান শফিউল। সোহাগ ও আবু জায়েদকে বোল্ড করেন আরিফুল। শফিউল, ফরহাদ রেজা ও আরিফুল তিনটি করে উইকেট পান।

১৫১ রানের মাথায় ৯ টি উইকেটের পতন ঘটে পুর্বাঞ্চলের। এমন অবস্থা থেকে দলকে লিড এনে দেন মেহেদি হাসান রানা ও খালেদ। শেষ উইকেটে তাদের ৬০ রানের জুটিতে ২৪ রানের লিড পায় পুর্বাঞ্চল। রানা ৪৫ রান করে অপরাজিত থাকেন। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং করতে নেমে বিনা উইকেটে উত্তরাঞ্চলের সংগ্রহ ৩৬। শান্ত ১৬ ও মিজানুর ১৯ রানে অপরাজিত থাকেন।


আরো পড়ুন মুস্তাফিজের কাটার সব সময় দারুণ ছিল