১০০ বলের ক্রিকেটে সাকিব-তামিমের ভিত্তিমূল্য কোটি টাকা!

0
1089

ইংল্যান্ডে হতে যাওয়া ১০০ বলের টুর্নামেন্টটির নাম রাখা হয়েছে ‘দ্য হান্ড্রেড’। যেখানে প্লেয়ারর্স ড্রাফটে নাম উঠেছে ৬ জন বাংলাদেশি ক্রিকেটারের। সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবালদের সাথে আছেন মুশফিকুর রহিম, মুস্তাফিজুর রহমান, মোহাম্মদ মিঠুন ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। জেনে নেওয়া যাক এই ৬ ক্রিকেটারের টুর্নামেন্টে ভিত্তিমূল্য থাকছে কত।

সাকিব-তামিমের সামনে মাইলফলকের হাতছানি

Advertisment

আগামী ২০ অক্টোবর স্কাই স্টুডিওতে ১০০ বলের টুর্নামেন্টের নিলাম অনুষ্ঠিত হবে। যেখানে প্রতিটি ক্রিকেটার বাছাইয়ের জন্য ফ্র‍্যাঞ্চাইজিদের হাতে সময় থাকবে ১০০ সেকেন্ড করে। সবেমিলিয়ে নিমাম পর্ব শেষ হবে আড়াই ঘণ্টার মধ্যে। এই সময়েই ভাগ্য নির্ধারণ হবে ক্রিকেটারদের। জানা যাবে কারা অংশগ্রহণ করছেন আগামী ১৭ জুলাই থেকে ১৬ আগস্ট পর্যন্ত ইংল্যান্ডের ৮টি শহরে হতে যাওয়া এই টুর্নামেন্টে।

১০০ বলের এই ফ্র‍্যাঞ্চাইজি লিগের জন্য ক্রিকেটারদের মোট সাতটি ধাপের ভিত্তিমূল্য নির্ধারণ করেছে আয়োজক কমিটি। যেখানে থাকছে ১ লাখ ২৫ হাজার পাউন্ড, ১ লাখ পাউন্ড, ৭৫ হাজার পাউন্ড, ৬০ হাজার পাউন্ড, ৫০ হাজার পাউন্ড ও ৪০ হাজার পাউন্ড। তবে ৬৭ জন ক্রিকেটারের কোনো ভিত্তিমূল্য নির্ধারণ করা হয়নি। অর্থাৎ টুর্নামেন্টে সুযোগ পেলে ৩০ হাজার পাউন্ড করে পাবেন তারা।

দ্য হান্ড্রেডের জন্য ঘোষিত ড্রাফটে বাংলাদেশের দুই ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবাল রয়েছেন একই ক্যাটাগরিতে। দু’জনেরই ভিত্তিমূল্য ধরা হয়েছে ১ লাখ পাউন্ড যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১ কোটি ৪২ লক্ষ টাকার মত। এই ক্যাটাগরিতে আরো আছেনঃ হরভজন সিং, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, রশিদ খান, সন্দীপ লামিচানে, শহীদ আফ্রিদি, ডোয়াইন ব্রাভো, সুনীল নারাইন ও কাইরন পোলার্ডের মত ক্রিকেটাররা।

সাকিব-তামিমরা ১ লাখ পাউন্ডের ক্যাটাগরিতে থাকলেও বাংলাদেশের বাকি চার ক্রিকেটারের কোনো ভিত্তিমূল্য নির্ধারণ করা হয়নি, তারা আছেন ৬৭ জনের তালিকায়। সেকারণে মুশফিক, মুস্তাফিজ, মিঠুন ও সাইফউদ্দিনরা ড্রাফট থেকে বিবেচিত হলে পাবেন ৩০ হাজার পাউন্ড করে।

টুর্নামেন্টের প্রতিটি দল তাদের স্কোয়াডে ও একাদশে সর্বোচ্চ তিনজন বিদেশি ক্রিকেটার রাখতে পারবে। মোট ১১টি দেশ থেকে ১৬৫জন বিদেশি ক্রিকেটারের নাম ড্রাফটে রাখা হয়েছে।

১০০ বলের ক্রিকেটে নিয়ম হিসাবে স্বীকৃত পেয়েছে, প্রতি ১০ বল পর পর প্রান্ত বদল হবে ব্যাটসম্যানদের। সেক্ষেত্রে একজন বোলার চাইলে টানা ৫টি অথবা ১০টি বল করতে পারবেন। তবে পুরো ইনিংসে সর্বোচ্চ ২০টি বৈধ ডেলিভারির বেশি বল করার সুযোগ পাবেন না কোন বোলার।

প্রতি ইনিংসের শুরুতে ২৫ বলের একটি পাওয়ার-প্লে থাকবে। পাওয়ার-প্লে’র সময় সর্বোচ্চ ২ জন ফিল্ডার ৩০ গজের বাইরে থাকতে পারবেন। এবং পুরো ইনিংসে প্রতিটি বোলিং সাইড আড়াই মিনিটের স্ট্র্যাটেজিক টাইম-আউট পাবে।