Scores

২০ জুলাই থেকে শুরু বোলিং অ্যাকশন সংশোধনের কাজ

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বোলিং অ্যাকশনের দায়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে সাময়িক নিষিদ্ধ হয়েছিলেন তাসকিন আহমেদ এবং আরাফাত সানি। কিন্তু বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) অধীনে ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলার সুযোগ পান তারা। বোলারদের অ্যাকশনের উপর এবার কড়া নজর রেখেছিল লিগ কমিটি। সেখানেই ১১ জনের বোলারের অ্যাকশনে ত্রুটি ধরা পরে। মোট ১৮ বার তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনেন আম্পায়াররা। এবার ১০ বোলারকে নিয়ে সংশোধনের কাজ শুরু হবে ২০ জুলাই থেকে এমনটাই জানিয়েছেন বিসিবির মিডিয়া ও বোলিং রিভিউ কমিটির চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস।

বিসিবির সংবাদকক্ষে প্রবেশের নতুন নিয়ম

মিরপুর শের-ই বাংলা স্টেডিয়ামের বিসিবি কার্যালয়ে মঙ্গলবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার প্রাক্বালে জালাল ইউনুস বলেন, ‘এবার প্রিমিয়ার লিগে মোট ১৮ বার সন্দেহ তালিকাভুক্ত হয়েছে। খেলোয়াড় সংখ্যা ১১ জন। তার মধ্যে দশজন নিয়ে আমরা কাজ করাবো। এদের বোলিং অ্যাকশন শুধরানোর কাজ শুরু হবে জুলাই মাসের ২০ তারিখে। ২০, ২১ এবং ২৫, ২৬ জুলাই আমরা এই দশজন বোলারকে নিয়ে পর্যালোচনা শুরু করবো। তিনজন করে খেলোয়াড় নিয়ে তাদের প্রথমে আমরা পর্যবেক্ষণ করবো। এরপর বোঝা যাবে কাদের অ্যাকশন বৈধ আর কাদের অ্যাকশন অবৈধ।’

Also Read - সিপিএল ২০১৬ঃ সম্প্রচার চ্যানেলের তালিকা


খালি চোখেই বোলারদের অ্যাকশনের অভিযোগ আনেন আম্পায়াররা। তাই এব্র থেকে ক্যামেরা ও অন্যান্য  প্রযুক্তির সহায়তায় তাদের পর্যবেক্ষণ করা হবে। পর্যবেক্ষণ শেষে যাদের অ্যাকশনে সমস্যা ধরা পড়বে, তাদের অ্যাকশন শুধরানোর কাজ শুরু হবে। এতে কাজ করবেন বিসিবির কয়েকজন কোচ। কমিটির স্পিন ও পেস বিশেষজ্ঞরা এটা মনিটরিং করবেন।

‘আমরা ক্রিকেট একাডেমির সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে কাজ করতে চাই। অভিযুক্তদের নিয়ে কাজ করার পর যাদের অ্যাকশন ঠিক হয়ে আসবে, তাদেরকে সবুজ সংকেত দেয়া হবে আগামীতে খেলার জন্য। এটাই প্রথম স্টেজ। আবার অভিযুক্ত হলে কী করা হবে, কতদিন তাদের সুযোগ দেয়া হবে-এই জিনিগুলোর আমরা এখন ফরম্যাট দাঁড় করাবো।’

তবে অভিযুক্ত কোন বোলার অ্যাকশন শুধরাতে না পারলে তার উপর কঠোর সিদ্ধান্ত নিবে না বিসিবি। তবে অবৈধ বোলারের দীর্ঘদিন ধরে খেলা চালিয়ে যাওয়ার পক্ষেও না তারা।

‘প্রথম অভিযুক্ত হওয়ার পর আমরা যাদের নিয়ে কাজ করবো, তাদের অ্যাকশন যদি শুধরে যায় তাহলে তাদের আমরা সুযোগ দেবো খেলার। ১২০ দিন তারা খেলার সুযোগ পাবে। এর মধ্যে যদি আবার অভিযুক্ত হয়, পর্যালোচনার জন্য আমাদের কাছে আসতে হবে। তখন আমরা সিদ্ধান্ত নেবো, আবার শুধরানোর পর কী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে! কিংবা কোনো শাস্তির বিধান থাকবে কিনা।’

যে ১০ বোলার নিয়ে পর্যবেক্ষণ শুরু হবে তারা হচ্ছেন গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের মুস্তাফিজুর রহমান ও মইনুল ইসলাম, আবাহনীর অমিত কুমার নয়ন, প্রাইম দোলেশ্বর স্পোর্টিং ক্লাবের রেজাউল করীম রাজীব, কলাবাগান ক্রীড়া চক্রের মোহাম্মদ শরিফুল্লাহ, লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের আসিফ আহামেদ রাতুল, মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের নাঈম ইসলাম জুনিয়র ও ফয়সাল হোসেন ডিকেন্স, ব্রাদার্সের সঞ্জিত সাহা এবং ক্রিকেট কোচিং স্কুলের সাইফুদ্দিন।
রুশাদ রাসেল,  প্রতিবেদক, বিডিক্রিকটিম.কম

নিউজটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Related Articles

ওবায়দুল কাদেরকে দেখতে হাসপাতালে মাশরাফি

এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ জিতলো ভারত

মেডিকেল রিপোর্টের উপরেই নির্ভর করছে সাকিবের এনওসি

শঙ্কা কাটিয়ে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে খেলছেন মুস্তাফিজ

দুদকের শুভেচ্ছাদূত হলেন সাকিব