-
-
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.
নির্বাচিত খবর
লিংকসমূহ
ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
লিগ্যাল তথ্য
More
- নির্বাচিত খবর
- লিংকসমূহ
- ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
- লিগ্যাল তথ্য
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.

৬৩ রানের ইনিংসের পর বল হাতে ২ উইকেট পান স্মিথ। © গেটি ইমেজেস[/caption]
টস হেরে প্রথমে ব্যাটিং করতে নামে বার্বাডোজ ট্রাইডেন্টস। দুই ওপেনার ডোয়াইন স্মিথ আর হাশিম আমলা মিলে দলকে ৩৬ রানের ভিত গড়ে দেন। ১৪ বলে ১৮ রান করে ডোয়াইন স্মিথ রান আউট হলে এ জুটি ভাঙে। পরের ওভারেই হাশিম আমলাকে ফেরত পাঠান স্যামুয়েল বাদ্রি। স্যামুয়েল বাদ্রির বলে অ্যাডাম জাম্পার হাতে ক্যাচ দেন হাশিম আমলা। ১ চার ও ১ ছয়ে ১৭ বলে ১৫ রনা করেন হাশিম আমলা।
থিতু হতে পারেননি মার্টিন গাপটিলও। রানের খাতা খোলার আগেই মার্টিন গাপটিল বোল্ড হন ডানহাতি পেসার ওশেন থমাসের বলে। তিন ওভারে তিন উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় বার্বাডোজ ট্রাইডেন্টস। এরপর চতুর্থ উইকেট জুটিতে হাল ধরেন সাই হোপ এবং স্টিভ স্মিথ। দুজন মিলে গড়েন ১০৩ রানের বিশাল জুটি। দুজনই করেন সাবলীল ব্যাটিং। সাই হোপের ব্যাট থেকে আসে ৩৫ বলে ৪৩ রানের ইনিংস। ২ চার ও ৩ টি ছক্কা হাঁকান সাই হোপ।
অর্ধশতক তুলে নেন স্টিভ স্মিথ। শেষ ওভারে যখন আন্দ্রে রাসেলের বলে বিদায় নেন তখন নামের পাশে ৬৩ রান। খেলেছেন ৪৪ বল। ৫ টি চারের পাশাপাশি মেরেছেন তিনটি ছক্কা। ২০ ওভার শেষে ৬ উইকেটে ১৫৬ রান করে বার্বাডোজ ট্রাইডেন্টস। ৪ ওভারে ৩২ রানের বিনিময়ে দুইটি উইকেট নেন আন্দ্রে রাসেল। একটি করে উইকেট পান ওশেন থমাস ও স্যামুয়েল বাদ্রি।
জ্যামাইকা তালাওয়াহসের লক্ষ্যটা তেমন বড় ছিল না। উদ্বোধনী জুটিতে জনসন চার্লস আর গ্লেন ফিলিপ্সের দুর্দান্ত ব্যাটিং এ লক্ষ্যকে আরও সহজ করে দেয়। এ জুটি থেকে আসে ৮০ রান। তবে দশম ওভারে ঘটে ছন্দপতন।
ব্যাটিংয়ে আলো ছড়ানোর পর বল হাতেও দারুণ পারফরম্যান্স করেন স্টিভ স্মিথ। এক ওভারেই স্টিভ স্মিথ ফেরান জনসন চার্লস আর গ্লেন ফিলিপ্সকে। ওভারের প্রথম বলে মার্টিন গাপটিলের হাতে ধরা পড়েন জনসন চার্লস। ৬ চার ও ১ ছয়ের সাহঅ্যা্যে ৩২ বলে ৪২ রান করেন তিনি। পঞ্চম বলে উইকেটরক্ষক নিকোলাস পুরানের হাতে ক্যাচ দেন আরেক ওপেনার গ্লেন ফিলিপ্স। তিনি করেন ২৪ বলে ৩৬ রান। তার ইনিংসে ছিল ৪ টি চার ও ২ ছক্কা।
দুই ছক্কা হাঁকিয়ে ঝড়ের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন কেনার লুইস। তবেই ইনিংস বড় করতে পারেননি। ১৬ বলে ১৭ রান করে মোহাম্মদ ইরফানের শিকার হয়ে সাজঘরে ফিরেন তিনি। এরপর দেখেশুনে খেলতে থাকেন রস টেলর ও ডেভিড মিলার। দুজনই মারকুটে ব্যাটসম্যান। তাদের জন্য ৪২ বলে ৫৬ রান কঠিন কোনো কাজ ছিল না। হাতেও রয়েছে সাত উইকেট। ম্যাচ ছিল জ্যামাইকা তালাওয়াহসের নিয়ন্ত্রণেই। তবে এ দুজনকেই আটকে রাখে বার্বাডোজ ট্রাইডেন্টসের বোলাররা।
অ্যাশলে নার্স আর ওয়াহাব রিয়াজ মিলে চেপে ধরেন তাদের। শেষ তিন ওভারে ২৯ রান প্রয়োজন হয়। ইরফানের করা ১৮ তম ওভারে রান হয় ৯। ১৯তম ওভারের প্রথম বলে ওয়াহাব রিয়াজের ফুল্টসকে সীমানার বাইরে পাঠান ডেভিড মিলার। ঐ ওভারের পঞ্চম বলের মিলারের সহজ ক্যাচ ছাড়েন হোপ। ঐ ওভারে রান হয় ১১।
শেষ ওভারের প্রথম চার টেলর ও মিলার মিলে রান নেন পাঁচ। পঞ্চম বল ব্যাটে বলে হয়নি মিলারের। রেমন রেফারের শেষ বলে ডেভিড মিলার মাত্র এক রান নিলে দুই রানের জয় পায় বার্বাডোজ ট্রাইডেন্টস। টেলর ২৮ বলে ২৬ ও মিলার ২০ বলে ২৫ রান করে অপরাজিত থাকেন।
সংক্ষিপ্ত স্কোরঃ
বার্বাডোজ ট্রাইডেন্টস ১৫৬/৬, ২০ ওভার
স্মিথ ৬৩, হোপ ৪৪, স্মিথ ১৮
রাসেল ২/৩২, বাদ্রি ১/১৯
জ্যামাইকা তালাওয়াহস ১৫৪/৩, ২০ ওভার
চার্লস ৪২, ফিলিপ্স ৩৬, টেলর ২৬*
স্মিথ ২/১৯, ইরফান ১/৩০





