-
-
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.
নির্বাচিত খবর
লিংকসমূহ
ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
লিগ্যাল তথ্য
More
- নির্বাচিত খবর
- লিংকসমূহ
- ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
- লিগ্যাল তথ্য
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.

পাকিস্তানের এই জয়ে বড় অবদান রেখেছেন ডানহাতি পেসার মোহাম্মদ আব্বাস। এর আগে পাকিস্তানের জার্সি গায়ে খেলেছেন মাত্র ৮টি টেস্ট। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এবার নিজেকে যেন আবিষ্কার করেছেন নতুন করে। দ্বিতীয় টেস্টের দুই ইনিংসে পাঁচটি করে উইকেট শিকার করে হয়েছেন ম্যাচসেরা। এর আগে প্রথম ম্যাচে ৭ উইকেট শিকার করেছিলেন, যৌথভাবে যা এনে দিয়েছে সিরিজ সেরার খেতাব।
কাগজে-কলমে আবুধাবি পাকিস্তানের হোম ভেন্যু। পাকিস্তানের পারফরম্যান্সেও ছিল সেই ‘স্বাগতিকে’র ছাপ। তৃতীয় দিন শেষে পাহাড় সমান লক্ষ্য তাড়া করা অস্ট্রেলিয়ার হাতে ছিল ৯ উইকেট। পিচ এবং টেস্টের চতুর্থ দিন বিবেচনায় লক্ষ্য তো রীতিমত অসম্ভব ছিলই, ৯ উইকেট বাঁচানোও ছিল দুঃসাধ্য। শেষপর্যন্ত অস্ট্রেলিয়া সেই দুঃসাধ্য কাজ করতে না পারায় পাকিস্তান জয় পেয়েছে চতুর্থ দিনের অর্ধেকেরও কম সময়ে।
১ উইকেটে ৪৭ রান নিয়ে খেলতে নামা অজিরা ব্যাটিং অর্ডার সামলাতে পারেনি এদিনও। ৩৬ রান করে ট্রাভিস হেড সাজঘরে ফেরার পরই মূলত বিপর্যয়ের শুরু। দলীয় ৭৭ রানে মিচেল মার্শ এবং ৭৮ রানে ৩১ রান করা অ্যারন ফিঞ্চ ও শূন্য রানে অধিনায়ক টিম পেইনের বিদায়ের পরই অনেকটা নিশ্চিত হয়ে যায় একদিন হাতে রেখেই পাকিস্তানের জয়ের বিষয়টি।
অবশ্য ষষ্ঠ উইকেটে প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করেছিলেন মার্নাস লাবুশেন ও মিচেল স্টার্ক। দলীয় ১৪৫ রানে ইয়াসির শাহ তাদের জুটি ভাঙলে প্রতিরোধের স্বপ্ন ধূলিসাৎ হয়ে যায়। ২৮ রান করে স্টার্কের বিদায়ের পর ৪৩ রান করে ফেরেন লাবুশেনও। শেষদিনে কেউ দাঁড়াতে না পারায় অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং অর্ডার গুটিয়ে যায় ১৬৪ রানে, মাত্র ৪৯.৪ ওভার ব্যাট করে।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
পাকিস্তান ২৮২ ও ৪০০/০ (ডি)
অস্ট্রেলিয়া ১৪৫ ও ১৬৪ (লক্ষ্য ৫৩৮)
লাবুশেন ৪৩, হেড ৩৬; আব্বাস ৫/৬২, ইয়াসির ৩/৪৫
ফল: পাকিস্তান ৩৭৩ রানে জয়ী
সিরিজ: পাকিস্তান ১-০ ব্যবধানে জয়ী।





