-
-
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.
নির্বাচিত খবর
লিংকসমূহ
ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
লিগ্যাল তথ্য
More
- নির্বাচিত খবর
- লিংকসমূহ
- ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
- লিগ্যাল তথ্য
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.

কলোম্বোতে জয়ের জন্য ইংল্যান্ডের শিকার করতে হবে আর ছয় উইকেট। অন্যদিকে ৫৩ রানে ৪ উইকেট হারানো স্বাগতিক শ্রীলঙ্কার চাই আরো ২৭৪ রান।
দিনের শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি ইনলযান্ডের। দিনের প্রথম বলেই উইকেট হারায় তারা। দিলরুয়ান পেরেরার বলে এলবিডব্লিউ হন ওপেনার কিটন জেনিংস। আরেক ওপেনার ররি বার্নসও পারেননি দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছাতে। ৭ রান করে তিনিও এলবিডব্লিউ হন দিলরুয়ান পেরেরার বলে।
এক প্রান্ত থেকে উইকেট শিকার অব্যহত রাখেন দিলরুয়ান পেরেরা। জনি বেয়ারস্টোকে দলীয় ৩৫ রানের মাথায় তৃতীয় শিকারে পরিণত করেন এ অফ স্পিনার। তার সঙ্গে যোগ দেন মালিন্দা পুস্পকুমারা। জনি বেয়ারস্টো আউট হওয়ার পরের ওভারেই ইংলিশ অধিনায়ক জো রুটকে নিজের বলে নিজে ক্যাচ নিয়ে ফেরত পাঠান পুস্পকুমারা। ৭ রান করে সাজঘরে ফিরে যান জো রুট। ৩৯ রানে ৪ উইকেট হারানো ইংল্যান্ডকে পথ দেখান বেন স্টোকস আর জস বাটলার।
পঞ্চম উইকেটের জুটিতে বেন স্টোকস ও জস বাটলার মিলে গড়েন ৬৯ রানের জুটি। তাদের জুটিতে ব্যাটিং বিপর্যয় কিছুটা সামাল দেয় ইংল্যান্ড। ৪ চারে ৬৩ বলে ৪২ রানের এক কার্যকরী ইনিংস খেলেন বেন স্টোকস। দিলরুয়ান পেরেরার বলে ফেরত যান তিনি। এরপর জস বাটলারকে সঙ্গ দেন মঈন আলি। তাদের জুটি থেকে স্কোরবোর্ডে রান যোগ হয় ৪০। অর্ধশতক তূলে নেন মঈন আলি। লক্ষন সান্দাকানের বলে স্টাম্পিং হয়ে ফেরত যান তিনি। তবে তখন নামের পাশে অতিমূল্যবান ৬৪ রান। ৭৯ বলে ৬৪ রানের ইনিংসে ছিল ৩ চার। নিজের পরের ওভারে সান্দাকান ফিরিয়ে দেন মঈন আলিকেও। ৫৩ বলে ২২ রান করে সাজঘরে ফিরে যান মঈন আলি।
অষ্টম উইকেটে বেন ফোকস ও আদিল রশিদ মিলে প্রতিরোধ গড়েন। তাদের জুটিতে ভর করে দুইশ রানের চৌকাঠ পার করে ইংল্যান্ড। ৪৮ বলে ২৪ রানের ছোট্ট কিন্তু দামী ইনিংস খেলেন আদিল রশিদ। ২৪ রান করে মালিন্দা পুস্পকুমারার শিকার হন আদিল রশিদ। এরপর স্টুয়ার্ট ব্রডকে পুস্পকুমারা ও জ্যাক লিচকে পেরেরা সাজঘরের পথ দেখালে শেষ হয় ইংল্যান্ডের ইনিংস। এক প্রান্ত আগলে রাখা বেন ফোকস ছিলেন অপরাজিত। দৃঢ়তার সাথে ব্যাটিং করে বেন ফোকস ১ চারে করেন ৮২ বলে ৩৬ রান।
শ্রীলঙ্কার হয়ে পাঁচ উইকেট শিকার করেন স্পিনার দিলরুয়ান পেরেরা। বাকি পাঁচ উইকেট ভাগাভাগি করেছেন অন্য দুই স্পিনার সান্দাকান ও পুস্পকুমারা। পুস্পকুমারা তিনটি ও সান্দাকান দুইটি উইকেট শিকার করেন। ২৩০ রান করে অলআউট হয় ইংল্যান্ড।
প্রথম ইনিংসে ৯৬ রানের লিড পেয়েছিল ইংল্যান্ড। সেই লিডের সুবাদে শ্রীলঙ্কাকে ৩২৭ রানের লক্ষ্য ছুঁড়ে দেয় ইংল্যান্ড। বোলিংবান্ধব এ উইকেটে চতুর্থ ইনিংসে এ রান করাটা বেশ কঠিন।
সেই কঠিন কাজ অসম্ভবে রূপ নিয়েছে শ্রীলঙ্কার ব্যাটিং অর্ডারের ব্যর্থতার কারণে। তাসের ঘরের মত ভেঙে পড়েছে তাদের টপ অর্ডার। দলীয় ১৫ রানের মাথায় লঙ্কান ওপেনার দানুশকা গুনাথিলাকাকে ফেরত পাঠান স্পিনার মঈন আলি। মঈন আলির বলে বেন স্টোকসের হাতে ক্যাচ দেন দানুশকা গুনাথিলাকা। ২০ বলে ৬ রান করে ফেরত যান তিনি।
ধনঞ্জয়া ডি সিলভাকে রানের খাতা খুলতে দেননি জ্যাক লিচ। ওপেনার দিমুথ করুনারাত্নে থিতু হয়ে বোল্ড হন মঈন আলির বলে। ৩৬ বলে ২৩ রান করেন তিনি। ৩৪ রানে ৩ উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। ৫ রান করে ৫২ রানের মাথায় বেন স্টোকসের শিকার হন অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস। দিনশেষে তাদের সংরহ ৪ উইকেটে ৫৪ রান।
সংক্ষিপ্ত স্কোরঃ
ইংল্যান্ড ৩৩৬/১০, প্রথম ইনিংস
বেয়ারস্টো ১১০, স্টোকস ৫৭
সান্দাকান ৫/৯৫, পেরেরা ৩/১৩৩
শ্রীলঙ্কা ২৪০/১০, প্রথম ইনিংস
করুনারাত্নে ৮৩, ডি সিলভা ৭৩
রশিদ ৫/৪৯, স্টোকস ৩/৩০
ইংল্যান্ড ২৩০/১০, দ্বিতীয় ইনিংস
বাটলার ৬৪, স্টোকস ৪২
পেরেরা ৫/৮৮, পুস্পকুমারা ৩/২৮
শ্রীলঙ্কা ৫৩/৪, দ্বিতীয় ইনিংস
করুনারাত্নে ২৩, কুশল ১৫*
মঈন ২/১৬, লিচ ১/১২





