-
-
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.
নির্বাচিত খবর
লিংকসমূহ
ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
লিগ্যাল তথ্য
More
- নির্বাচিত খবর
- লিংকসমূহ
- ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
- লিগ্যাল তথ্য
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.

করাচির জাতীয় স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। কিন্তু ব্যাটিংয়ে ভালো করতে ব্যর্থ হয় তারা। প্রথম দিনে এক সেশন বাকি থাকতেই ২২০ রানে অলআউট হয়েছি সফরকারীরা। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৫৮ রান করেছিলেন ডিন এলগার। পাকিস্তানের পক্ষে ইয়াসির শাহ ৩টি, নোমান আলি ও শাহীন আফ্রিদি ২টি করে উইকেট নেন।
ব্যাটিংয়ে না পারলেও বোলিংয়ে শুভসূচনা করেছিল প্রোটিয়ারা। ২৭ রানেই পাকিস্তানের ৪টি উইকেট শিকার করে ম্যাচের চালকের আসনে বসেছিল। কিন্তু ফাওয়াদ আলমের দৃঢ়তায় ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ আর প্রোটিয়াদের হাতে ওঠেনি। প্রথম ইনিংসে পাকিস্তান সংগ্রহ করে ৩৭৮ রান। ফাওয়াদ করেন ১০৯ রান। ফাহিম আশরাফ ৬৪ ও আজহার আলি করেন ৫১।
দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে কাগিসো রাবাদা ও কেশব মহারাজ ৩টি করে এবং অ্যানরিখ নরকিয়া ও লুঙ্গি এনগিদি ২টি করে উইকেট শিকার করেন।
দ্বিতীয় ইনিংসেও প্রতিরোধ গড়তে ব্যর্থ হয় দক্ষিণ আফ্রিকা। টপ অর্ডারের ব্যাটসম্যানরা রান পেয়ে ম্যাচ জমিয়ে তুললেও মিডল অর্ডারের ব্যাটসম্যানরা পুরোপুরি ব্যর্থ হন। দুই স্পিনার ইয়াসির ও নোমানই ধ্বসিয়ে দেন দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংস। সফরকারীদের পক্ষে সর্বোচ্চ ৭৪ রান করেন এইডেন মারক্রাম। র্যাসি ফন ডার ডুসেনের ব্যাট থেকে আসে ৬৪ ও টেম্বা বাভুমা করেন ৪০ রান।
দক্ষিণ আফ্রিকা অলআউট হয় ২৪৫ রানে। অভিষিক্ত স্পিনার নোমান শিকার করেন ৫টি উইকেট। লেগ স্পিনার ইয়াসির ঝুলিতে নেন ৪টি উইকেট। স্পিনার দারুণ পারফর্মে পাকিস্তানে সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় মাত্র ৮৮ রানে।
এই লক্ষ্যে পৌঁছাতে পাকিস্তান হারায় ৩টি উইকেট। আজহার আলি অপরাজিত থাকেন ৩১ রানে। বাবর আজম করেন ৩০ রান। ৭ উইকেটের জয়ে ১-০ ব্যবধানে সিরিজে এগিয়ে গেল পাকিস্তান।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
দক্ষিণ আফ্রিকা ২২০/১০ (১ম ইনিংস)
পাকিস্তান ৩৭৮/১০ (১ম ইনিংস)
দক্ষিণ আফ্রিকা ২৪৫/১০ (২য় ইনিংস)
মারক্রাম ৭৪, র্যাসি ৬৪, এলগার ২৯;
নোমান ৫/৩৫, ইয়াসির ৪/৭৯।
পাকিস্তান ৯০/৩ (২য় ইনিংস)
আজহার ৩১*, বাবর ৩০;
নরকিয়া ২/২৪।
পাকিস্তান ৭ উইকেটে জয়ী। 




