-
-
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.
নির্বাচিত খবর
লিংকসমূহ
ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
লিগ্যাল তথ্য
More
- নির্বাচিত খবর
- লিংকসমূহ
- ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
- লিগ্যাল তথ্য
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.

খেলা টাই হলে তা সুপার ওভারে গড়ালেই একজন ব্যাটসম্যানের দুইবার ব্যাটিং করার সম্ভাবনা থাকে। দিল্লী-পাঞ্জাবের ম্যাচ সুপার ওভারে গড়ালে দ্বিতীয়বার ব্যাটিংয়ের সুযোগ পান পুরান।
১৫৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নামা কিংস ইলিভেন পাঞ্জাবের হয়ে চার নাম্বারে ব্যাটিংয়ে নেমেছিলেন নিকোলাস পুরান। স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিনের বলে বোল্ড হয়ে ফেরত যান সাজঘরে। নামের পাশে ছিল ৩ বলে ০ রান। সুপার ওভারে লোকেশ রাহুলের সাথে ব্যাটিংয়ে নামেন পুরান। একবার ব্যর্থ হওয়ার পর দল তার ওপর আস্থা রাখলেও পুরান সেই আস্থার প্রতিদান দিতে পারেননি। অফ স্টাম্পে করা কাগিসো রাবাদার বল স্লগ করতে গিয়ে বোল্ড হন পুরান।
এমন ঘটনা দেখা গিয়েছিল ২০১৪ সালের বিগ ব্যাশে। পার্থ স্কর্চার্স আর সিডনি সিক্সার্সের ম্যাচে দুইবারই ০ রান করে আউট হয়েছিলেন ময়জেজ হেনরিকস। প্রথমে ব্যাটিং করে ৫ উইকেটে ১৫৩ রান করেছিল পার্থ স্কর্চার্স। ১৫৪ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ২০ রানেই ৪ উইকেট হারায় সিডনি সিক্সার্স। সিডনি সিক্সার্সের হয়ে তিন নম্বরে ব্যাটিংয়ে নামা হেনরিকস কোনো রান না করে আউট হয়েছিলেন পেসার জেসন বেহেনড্রফের বলে।
এরপর স্টিভ স্মিথের ৬৫ রানের ইনিংসে ভর করে ঘুরে দাঁড়ায় সিডনি সিক্সার্স এবং ২০ ওভার শেষে পার্থ স্কর্চার্সের সমান ১৫৩ রান করে থামে তারা। সুপার ওভারে সিডনি সিক্সার্সের হয়ে ব্যাটিংয়ে নেমেছিলেন স্মিথ আর হেনরিকস। ডানহাতি পেসার ইয়াসির আরাফাতের করা ঐ ওভারের প্রথম বলেই বোল্ড হয়ে যান স্মিথ। ওভারের চতুর্থ বলে ক্রেইগ সিমন্সের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হয়ে যান হেনরিকস। দুইবার ব্যাটিংয়ে নামলেও কোনো রান ছিল না তার নামের পাশে।
ম্যাচটিতে সুপার ওভারে হেনরিকসের দল সিডনি সিক্সার্স করেছিল মাত্র এক রান। দুই রানের লক্ষ্য প্রথম বলে চার মেরেই টপকে যায় পার্থ স্কর্চার্স।
২০১৩ সালে 




