-
-
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.
নির্বাচিত খবর
লিংকসমূহ
ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
লিগ্যাল তথ্য
More
- নির্বাচিত খবর
- লিংকসমূহ
- ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
- লিগ্যাল তথ্য
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.

নিউজিল্যান্ডের পক্ষে দ্রুততম টি-টোয়েন্টি শতক হাঁকানোর পরে গ্লেন ফিলিপসের উদযাপন[/caption]
বিশাল লক্ষ্যে ব্যাটিং করতে নেমে শুরু থেকেই নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সফরকারীদের পক্ষে কেবল অধিনায়ক পোলার্ড ছোট ক্যামিও দেখান। বাকি সবাই ব্যর্থ হন। পোলার্ডের ১৫ বলে ২৮ রানের ছোট্ট ঝড় কেবল হারের ব্যবধানে কমিয়েছে, পরাজয় এড়াতে পারেনি। এছাড়া ১৮ বলে ২৬ রান করেন কেমো পল।
নিউজিল্যান্ডের পক্ষে দুর্দান্ত বোলিং করেন কাইল জেমিসন। ৪ ওভারে কেবল ১৫ রান খরচায় শিকার করেন ২টি উইকেট। এছাড়া ৪১ রানের বিনিময়ে ২টি উইকেট নেন মিচেল স্যান্টনার। অধিনায়ক টিম সাউদি একটি পেলেও ৪ ওভারে খরচ করেন ৪৯ রান।
নির্ধারিত ২০ ওভারে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সংগ্রহ করে ৯ উইকেটের বিনিময়ে ১৬৬ রান। ফলে ৭২ রানের জয়ে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ ২-০ ব্যবধানে জিতে গেল নিউজিল্যান্ড।
তার আগে টস হেরে ব্যাটিং করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ২৩৮ রানের সংগ্রহ পায় নিউজিল্যান্ড। তাদের উদ্বোধনী জুটিতে ৪৯ রান গড়েন মার্টিল গাপটিল ও টিম সেইফার্ট। ১৩ বলে ১৮ রান করা সেইফার্টকে বোল্ড করেন ওশান থমাস। পরের ওভারেই গাপটিলকে ফিরিয়ে দেন ফ্যাবিয়ান অ্যালেন। গাপটিল করেন ২৩ বলে ৩৪ রান।
তৃতীয় উইকেটে ডেভন কনওয়েকে সাথে নিয়ে সাইক্লোন বইয়ে দেন গ্লেন ফিলিপস। চার-ছক্কার ফুলঝুরি ছোটাতে থাকেন ফিলিপস ও তাকে সঙ্গ দেন ডেভন। ধীর শুরু করলেও ডেভনও বিধ্বংসী হয়ে ওঠেন। অন্য প্রান্তে শতক তুলে নেন ফিলিপস। নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে দ্রুততম শতকের রেকর্ডটি নিজের করে নিয়েছেন এই ২৩ বছর বয়সী ব্যাটসম্যান।
২২ বলে অর্ধশতক হাঁকানোর পরে ৪৬ বলে সেঞ্চুরি হাঁকান ফিলিপস। নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ডটি আগে ছিল কলিন মানরোর দখলে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে এই বে ওভালেই ৪৭ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন মানরো।
ডেভন অর্ধশতক পূর্ণ করেন ৩১ বলে। তিনি অপরাজিত থাকেন ৬৫ রানে। তার ৩৭ বলের ইনিংসে ছিল ৪টি চার ও ৪টি ছক্কায়। শতক হাঁকানো ফিলিপস ইনিংস শেষ হওয়ার এক বল আগে কাইরন পোলার্ডের শিকারে পরিণত হন। ফেরার আগে তিনি করেন ৫১ বলে ১০৮ রান। তার টর্নেডো ইনিংসটি সাজানো ছিল.১০টি চার ও ৮টি ছক্কায়।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
নিউজিল্যান্ড ২৩৮/৩ (২০ ওভার)
ফিলিপস ১০৮, ডেভন ৬৫*, গাপটিল ৩৫;
পোলার্ড ১/৩৩।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১৬৬/৯ (২০ ওভার)
পোলার্ড ২৮, পল ২৬*, হেটমায়ার ২৫, ফ্লেচার ২০;
জেমিসন ২/১৫, স্যান্টনার ২/৪১;
বল বাই বল লাইভ স্কোর পেতে আর নয় বিদেশি অ্যাপ। 




