-
-
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.
নির্বাচিত খবর
লিংকসমূহ
ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
লিগ্যাল তথ্য
More
- নির্বাচিত খবর
- লিংকসমূহ
- ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
- লিগ্যাল তথ্য
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.

সাভারে টস হেরে প্রথমে ব্যাতিং করতে নামে ব্রাদার্স ইউনিয়ন। ওপেনিং জুটিতে দলকে দারুণ সূচুনা এনে দেন দুই ওপেনার মিজানুর রহমান এবং জুনায়েদ সিদ্দিকী। দুজন মিলে ব্রাদার্স ইউনিয়নকে ৪৭ রানের ভিত গড়ে দেন। পাওয়ারপ্লের শেষ ওভারে এ জুটি ভাঙেন নাহিদুল ইসলাম। তার বলে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়েন ওপেনার মিজানুর।। ৫ চার এবং ১ ছক্কায় ৪১ বলে ৩৬ রান করেন মিজানুর।
মাইশুকুর রহমানকে সাথে নিয়ে জুনায়েদ সিদ্দিকী ৫৪ রানের জুটি গড়লে শক্ত অবস্থানে চলে যায় ব্রাদার্স ইউনিয়ন। টপ অর্ডারের ব্যাটসম্যানদের বড় জুটি ব্রাদার্স ইউনিয়নকে নিয়ে যাচ্ছিল বড় স্কোরের পথে। তবে ব্রাদার্স ইউনিয়নের কিছুটা ছন্দপতন ঘটে মাইশুকুর রহমান ও জুনায়েদ সিদ্দিকীর দ্রুত বিদায়ে।
দলীয় ১০২ রানের মাথায় আল-আমিনের বলে মেহরাব হোসেন জুনিয়রের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান মাইশুকুর। ৪১ বলে ৩০ রান করেন তিনি। থিতু হতে পারেননি ব্রাদার্স ইউনিয়নের ইংলিশ উইকেটরক্ষক জন সিম্পসন। ১২ বলে ১৪ রান করে ফিরে যান মনির হোসেনের বলে।
এরপর ঝড় তুলেন অলোক কাপালি। ইয়াসির আলিকে নিয়ে ৮৪ বলে ৯৫ রানের জুটি গড়েন দুজন। দুজনই পার করেন অর্ধশতকের চৌকাঠ। ৫ চার ও ৫ ছক্কার সাহায্যে ৬৭ বলে ৭৯ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলেন কাপালি। এ জুটির ওপর ভর করেই বড় স্কোরের দিককে এগিয়ে যায় ব্রাদার্স ইউনিয়ন। ৭৯ রান করে দেলোয়ার হোসেনের বলে বিদায় নেন অলোক কাপালি।
এরপর সোহরাওয়ার্দী শুভকে সাথে নিয়ে ইয়াসির আলি যোগ করেন ২৪ রান। শুভ'র ব্যাট থেকে আসে ৮ বলে ৭ রান। মেহেদি হাসান রানা ফিরে যান এক রান করেই। নিহাদুজ্জামানকে সাথে নিয়ে ইনিংসের শেষ নয় বলে ২৩ রান তুলেন ইয়াসির আলি। এক ছক্কায় ৩ বলে ৯ রান করেন নিহাদুজ্জামান। ৬৩ বল মোকাবেলা করে ৬৭ রানের ইনিংস খেলে অপরাজিত ছিলেন ইয়াসির আলি। তার ইনিংসে ছিল ৪ টি চার এবং ২ টি ছয়।
প্রাইম ব্যাঙ্ক ক্রিকেট ক্লাবের আরিফুল হক এবং দেলোয়ার হোসেন দুইটি করে উইকেট শিকার করেন।
২৯৫ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাটিং করতে নামে প্রাইম ব্যাঙ্ক ক্রিকেট ক্লাব। মেহেদি মারুফ এবং জাকির হাসান শুরুটা ভালো করলেও ওপেনিং জুটি দীর্ঘস্থায়ী হয়নি প্রাইম ব্যাঙ্ক ক্রিকেট ক্লাবের পঞ্চম ওভারের শেষ বলে স্পিনার ইফতেখার সাজ্জাদ ফিরিয়ে দেন মেহেদি মারুফকে। ১৫ বলে ৯ রান করে ফিরে যান মেহেদি মারুফ।
আল-আমিনকে মাত্র ব্যক্তিগত ২ রানের মাথায় মেহেদি হাসান রানা ফিরিয়ে দিলে বিপদে পড়ে যায় প্রাইম ব্যাঙ্ক ক্রিকেট ক্লাব। তবে কুনাল চান্দেলাকে নিয়ে ৫১ রানের জুটি গড়ে দলকে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়তে দেননি ওপেনার জাকির হাসান। ব্যাটিংয়ে ঝলক দেখানোর পর বোলিংয়েও উজ্জ্বল ছিলেন অলোক কাপালি। কাপালির স্পিনেই ভাঙে এ জুটি। ৬ চারের সাহায্যে ৫৮ বলে ৫০ রান করে কাপালির শিকার হন জাকির হাসান।
জাকিরের পর মেহরাব হোসেন জুনিয়রকেও ফিরিয়ে দেন অলোক কাপালি। দলীয় ১০০ রানের মাথায় কাপালির বলে সোহরাওয়ার্দীকে কযাচ দেন মেহরাব (৩)। এর এক ওভার পরেই সোহরাওয়ার্দী শুভ ফিরিয়ে দেন আরিফুল হককে। আরিফুল করেন মাত্র ২ রান। মিডল অর্ডারের এ দুই ব্যাটসম্যান ব্যর্থ হলে ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে প্রাইম ব্যাঙ্ক ক্রিকেট ক্লাব।
ষষ্ঠ উইকেটে নাহিদুল ইসলামকে সাথে নিয়ে প্রতিরোধ গড়েন কুনাল চান্দেলা। ৬১ বলে ৫০ রান করা চান্দেলাকে ফিরিয়ে দিয়ে প্রতিরোধ ভাঙেন অলোক কাপালি। এক ওভার পরেই রান আউট হয়ে বিদায় নেন সাজ্জাদুল হক। ১৫৩ রানে ৭ উইকেট হারালে ম্যাচে পরাজয় অনেকটা নিশ্চিত হয়ে যায় প্রাইম ব্যাঙ্ক ক্রিকেট ক্লাবের।
তবে প্রাইম ব্যাঙ্ক ক্রিকেট ক্লাবের আশা জাগিয়ে তুলেন নাহিদুল হাসান। দেলোয়ার হোসেনকে সাথে নিয়ে অষ্টম উইকেটে তুলেন ১০৭ রান। তাকে দারুণ সঙ্গ দেন দেলোয়ার। তাদের জুটিতে আশার সঞ্চার হয়েছিল প্রাইম ব্যাঙ্ক ক্রিকেট ক্লাবের।
সেই আশা ভেঙে যায় দুই বলেই। শেষ ২৪ বলে প্রয়োজন ছিল ৩৫ রান। এমন সময় 




