-
-
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.
নির্বাচিত খবর
লিংকসমূহ
ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
লিগ্যাল তথ্য
More
- নির্বাচিত খবর
- লিংকসমূহ
- ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
- লিগ্যাল তথ্য
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.
জাতীয় অভিষেকের শুরু থেকে ইমরুলকে ধীরগতিতে ব্যাটিং করতে দেখা গিয়েছে। এরজন্য তাকে টেস্ট ব্যাটসম্যানের তকমাও দিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু ইমরুল যা করেছেন তা কোচের পরামর্শ ও দলের প্রয়োজনেই করে এসেছেন বলে জানান তিনি। বিডিক্রিকটাইমের সরাসরি আড্ডায় ইমরুল বলেন, জাতীয় তার সময়ের কোচ জেমি সিডন্স তাকে যেভাবে খেলতে বলেছিলেন সেটাই অনুসরণ করছিলেন তিনি কিন্তু কোচ বদলালে তার ভাগ্যেও পরিবর্তন আসে; ইতিবাচক নয় বরং নেতিবাচকভাবে।
ইমরুল বলেন, 'আমি ঘরোয়া ক্রিকেটে আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করতাম। কিন্তু যখন জাতীয় দলে আসলাম তখন আমাকে একটা নির্দিষ্টতা দিয়ে দেয়া হলো। জেমি সিডন্স বলেছিলেন আমি এক প্রান্তে ধরে খেলব এবং অপরপ্রান্তে তামিম আক্রমণাত্মক খেলবে। ও আক্রমণাত্মক খেলত আর স্বাভাবিকভাবে দেখে খেলতাম। তখন আমাদের জুটিটাও ভালো হতো।'
তারপরের কোচের সাথে ইমরুলের বোঝাপড়াটা ভালো হয়নি, 'তারপর যখন নতুন কোচ আসলো তখন আবার তার ইচ্ছামতো আমার খেলার ধরণ পরিবর্তন করতে হলো। কিন্তু এটাতে আমার দেরী হয়ে গিয়েছিল; আমি আগের মতোই খেলা চালিয়ে যাচ্ছিলাম। নতুন কোচের চিন্তাভাবনা আলাদা ছিল। তার কথা হলো স্ট্রাইকরেট ভালো করতে হবে। এগুলো শুরুতেই বলে দিলে আমি সময় নিয়ে পরিবর্তন করে ফেলতাম। কিন্তু তা বলেনি, সরাসরি বাদ পড়লাম।'
তবে চন্ডিকা হাথুরাসিংহে ইমরুলকে সঠিকভাবেই বুঝিয়ে দিয়েছিলেন তাকে কী করতে হবে। এই সাবেক কোচের পরামর্শে নিজেকে গুছিয়ে নিয়েছিলেন ইমরুল। তবে একেকবার কোচের ভিন্ন ভিন্ন ইচ্ছার বলি হতে হয়েছে তাকে।
ইমরুলের ভাষায়, 'তারপর হাথুরাসিংহে আসার পরে আমাকে বলে দিয়েছিল যে ৯০ এর অধিক স্ট্রাইকরেট রাখতে হবে। তখন ২০১৫ থেকে আমি ৯০ এর অধিক স্ট্রাইকরেট রেখে ওভাবেই খেলেছি। কিন্তু এসব রাতারাতি মানিয়ে নিতে পারবেন না। এটার জন্য পরিষ্কার করে বলতে হবে।'
তিনি আরও বলেন, 'আমাকে বলা হলো টেস্ট ক্রিকেটার, অফ সাইডে খেলতে পারি না। যদি খেলতে না পারতাম তাহলে তো জাতীয় দলে আসতে পারতাম না। আমি তো প্রমাণ করেই জাতীয় দলে এসেছি। আমার মনে হয় এসবক্ষেত্রে আমাদের সঠিক চিন্তাধারায় অভাব আছে। একটা খেলোয়াড়কে তার ভূমিকাটা স্পষ্ট করে দিতে হবে।'





