-
-
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.
নির্বাচিত খবর
লিংকসমূহ
ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
লিগ্যাল তথ্য
More
- নির্বাচিত খবর
- লিংকসমূহ
- ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
- লিগ্যাল তথ্য
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.

টস হেরে প্রথমে ব্যাটিং করতে নামে দিল্লী ডেয়ারডেভিলস। শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি দিল্লী ডেয়ারডেভিলসের। প্রথম ওভারেই তারা হারায় ওপেনার পৃথ্বী শকে। ৪ বলে ২ রান করে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর স্পিনার যুযবেন্দ্র চাহালের বলে বোল্ড হন পৃথ্বী। নিজের পরের ওভারে আবারো আঘাত হানেন যুযবেন্দ্র চাহাল। এবার তার শিকার হন আরেক ওপেনার জেসন রয়। তাকেও বোল্ড করেন চাহাল। দলীয় ১৬ রানের মাথাতেই দুই উইকেট হারিয়ে বসে দিল্লী ডেয়ারডেভিলস।
এরপর দলের হাল ধরেন রিশাভ প্যান্ট এবং শ্রেয়াস আইয়ার। দুজন মিলে গড়েন ৯৩ রানের দুর্দান্ত এক জুটি। নান্দনিক সব শট খেলেন দুই ব্যাটসম্যান। বিশেষ করে রিশাভ প্যান্ট আগ্রাসী ব্যাটিং করতে থাকেন। রিশাভকে ফিরিয়ে দিয়ে এ জুটি ভাঙেন মঈন আলি। মঈন আলির বলে ডি ভিলিয়ার্সের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে বিদায় নেন রিশাভ। ৩৪ বলে ৬১ রানের এক অসাধারণ ইনিংস খেলেন তিনি। তার ইনিংসে ছিল ৫ চার এবং ৪ ছক্কা।
এরপর বেশিক্ষণ টিকেননি শ্রেয়াস আইয়ারও। ৩৫ বলে ৩২ রানের ওয়ানডেসুলভ ইনিংস খেলে বিদায় নেন পেসার মোহাম্মদ সিরাজের বলে। শেষে বিজয় শঙ্করকে সাথে নিয়ে ঝড় তুলেন অভিষেক শর্মা।
টিম সাউদির করা ১৭ তম ওভারে ক্যাচ তুলে দিয়েছিলেন অভিষেক শর্মা। কিন্তু তা লুফে নিতে পারেননি মোহাম্মদ সিরাজ। ঐ বলে চার হয়। পরের দুই বলে টানা দুই ছক্কা মারেন অভিষেক। ঐ ওভারে ২২ রান সংগ্রহ করে দিল্লী ডেয়ারডেভিলস। পরের ওভারে আরো ১৪ রান সংগ্রহ করে দিল্লী ডেয়ারডেভিলস। ঐ ওভারে এক ছক্কা হাঁকান অভিষেক। শেষ ওভারে অভিষেকের আরেক ছক্কার সুবাদে ১৮১ রানের বড় পুঁজি পায় দিল্লী ডেয়ারডেভিলস। ইনিংসের শেষ ৩৫ বলেই ৬৫ রান তুলে তারা।
২০ বলে ২১ রান করে অপরাজিত ছিলেন বিজয় শঙ্কর। অন্যদিকে অভিষেক শর্মা ৩ চার আর ৪ ছক্কায় সাজানো ১৯ বলে ৪৬ রানের এক বিস্ফোরক ইনিংস খেলেন। দুইটি উইকেট পান চাহাল। একটি করে উইকেট লাভ করেন মঈন আলি ও সিরাজ।
জবাব দিতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর। প্রতিপক্ষের মতো তাদের সূচনাও ছিল নড়বড়ে। প্রথম আঘাত হানেন ট্রেন্ট বোল্ট। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর ওপেনার মঈন আলিকে ফিরিয়ে দেন বোল্ট। এরপরের ওভারে উইকেট পান নেপালের লেগ স্পিনার সন্দ্বীপ লামিছান্নে। নিজের প্রথম আইপিএল ম্যাচ খেলতে নামেন তিনি। আইপিএলে নিজের প্রথম শিকারে পরিণত করেন পার্থিব প্যাটেলকে।
শুরুর ধাক্কা সামাল দেন বিরাট কোহলি এবং এবি ডি ভিলিয়ার্স। ১১৮ রানের জুটি গড়েন দুজন। তাদের জুটিতে ম্যাচে ফিরে আসে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। চোখ ধাঁধানো সব শট খেলে দলের রানের গতিও বাড়িয়ে নেন টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের দুই তারকা।
শুরুতে কিছুটা মন্থর হলেও ক্রমশ ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেন এবি ডি ভিলিয়ার্স। ব্যাটিং করেন খুনে মেজাজে।
দলের ওভারপ্রতি রান রেট দশ ছাড়িয়ে যায়। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর জয়ের পথ মসৃণ করে দেন দুজন। ১৪ তম ওভারে অমিত মিশ্র'র শিকার হয়ে যখন কোহলি ফিরে যান তখন দলের রান ১৩৬। ৭ চার আর ৩ ছক্কায় ৪০ বলে ৭০ রানের এক অসাধারণ ইনিংস খেলেন কোহলি। তার দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ম্যাচ চলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর হাতে। আর তাকে দারুণ সঙ্গ দেন এবি ডি ভিলিয়ার্স। দুজনের ব্যাট চলছিল সমান তালে।
কোহলি ফিরে গেলেও থামেননি এবি। মাঝে দ্রুত ফিরেছেন মন্দ্বীপ সিং এবং সরফরাজ খান। তাতে প্রভাব পড়েনি এবির ব্যাটিংয়ে। ১৪ বলে ১৩ রান করে মন্দ্বীপ বোল্ড হন বোল্টের বলে। প্যাটেলের বলে ফিরেন সরফরাজ (১১)। এরপর কলিন ডি গ্র্যান্ডহোমকে সাথে নিয়ে বাকি কাজ সারেন এবি ডি ভিলিয়ার্স। ৪ চার আর ৬ ছক্কা সমৃদ্ধ ৩৭ বলে ৭২ রান করেন তিনি। আবারো দেখা গেল তার বিধ্বংসী রূপ। ছক্কা হাঁকিয়ে ম্যাচ জিতিয়েই মাঠ ছাড়েন তিনি।
সংক্ষিপ্ত স্কোর ঃ দিল্লী ডেয়ারডেভিলস ১৮১/৪, ২০ ওভার
রিশাভ ৬১, অভিষেক ৪৬*, শ্রেয়াস ৩২
চাহাল ২/২৮, মঈন ১/২৫
রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু ১৮৭/৫, ১৯ ওভার
এবি ডি ভিলিয়ার্স ৭২*, কোহলি ৭০, মন্দ্বীপ ১৩
বোল্ট ২/৪০, লামিছান্নে ১/২৫




