-
-
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.
নির্বাচিত খবর
লিংকসমূহ
ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
লিগ্যাল তথ্য
More
- নির্বাচিত খবর
- লিংকসমূহ
- ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
- লিগ্যাল তথ্য
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.

পাকিস্তান ও কমনওয়েলথের মধ্যকার ঐ ম্যাচ একটা সময় বাঁধাগ্রস্ত হয় বাংলাদেশি জনতার আন্দোলনে। জনতার রোষে পড়ে শেষমেশ পাকিস্তানের জহির আব্বাসের মতো নামজাদা খেলোয়াড়কেও সেদিন স্টেডিয়াম ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে চলে যেতে হয়েছিল ময়লার ট্রাকে করে। বাংলার বিরত্বগাঁথার কাছে এভাবেই সেদিন হার মেনেছিল পাকিস্তানের ঐশ্বর্য।
সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিককে রেজা ই করিমের দেওয়া সাক্ষাৎকারে উঠে এসেছে এমন বাস্তব গল্প। স্বাধীনতার আগে-পরে বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য খেটে একে টিপেটিপে আকৃতি দিয়েছেন যে কয়েকজন সংগঠক, তাদেরই একজন তিনি।
ঐ ঘটনার বর্ণনা তিনি দিয়েছেন এভাবে, 'সেটি ১৯৭১ সালের ফেব্রুয়ারি-মার্চের কথা। আমি তখন ওই ম্যাচ আয়োজনের জন্য গঠিত সাংগঠনিক কমিটির সচিব। এখনকার বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে ম্যাচ চলছিল ভালোমতোই। কিন্তু ১ মার্চ ম্যাচের চতুর্থ দিনের মধ্যাহ্ন বিরতির পর খেলা শুরু হতে না হতেই তা বন্ধ করে দিতে হলো।'
কী ছিল হুট করে এত গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ বন্ধ করে দেওয়ার কারণ? তিনি জানান, 'কারণ বাইরে তখন আমাদের স্বাধীনতা আন্দোলনের দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে। জেনারেল ইয়াহিয়া সংসদ ভেঙে দিয়েছেন। বঙ্গবন্ধু সংবাদ সম্মেলন করবেন পূর্বাণী হোটেলে আর ওদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ছাত্রনেতা রব, তোফায়েল ও রাজ্জাকদের নেতৃত্বে বিশাল মিছিলও আসছে স্টেডিয়ামের দিকেই।'
এমনকি স্টেডিয়ামের দর্শকরাও সেদিন ফুঁসে উঠেছিলেন বাইরের উত্তাল পরিস্থিতির স্পর্শে! তাঁর ভাষ্য, 'সংসদ ভাঙার খবর স্টেডিয়ামের দর্শকদের কানে পৌঁছাতেই ফুঁসে উঠলেন তারাও। এই অবস্থায় আর খেলা চলে কিভাবে?'
খেলা না চললেও সেদিন ময়লার ট্রাক চলল ঠিকই! রেজা ই করিম বলেন, 'সেটি না চললে কী আর উপায় ছিল? ম্যাচ পণ্ড হওয়ার পর আবিষ্কার করলাম, হুট করেই একা হয়ে পড়েছি আমি। ইপিএসএফের (ইস্ট পাকিস্তান স্পোর্টস ফেডারেশন) কোনো কর্মকর্তাকেই আর খুঁজে পেলাম না। কিভাবে সামাল দেব ভেবে কোনো কূল-কিনারা করতে পারছিলাম না।'
এই অবস্থায় ক্রীড়াঙ্গনেরই আরেক মানুষ এসে উপায় করে দেন ক্রিকেটারদের। রেজা ই করিম বলেন, 'এমন সময়েই টহলে আসা সার্জেন্ট নবী চৌধুরীর (এককালের কৃতী ফুটবলার) সঙ্গে দেখা। ওনাকেই অনুনয়-বিনয় করে বললাম- দল দুটিকে যে করেই হোক ক্যান্টনমেন্টে পাঠানোর ব্যবস্থা করুন।'
ক্রিকেটারদের আবাস ছিল তখন পূর্বাণী হোটেল। কিন্তু সেখানেই সংবাদ সম্মেলন করবেন স্বাধীনতা যুদ্ধের নায়ক বঙ্গবন্ধু! তাই সেখানেও পাকিস্তানি খেলোয়াড়দের পাঠানোর মতো অবস্থা ছিল না।
প্রবীণ ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব বলেন, 'বাইরে অবস্থা এত খারাপ যে ঢাকায় ওদের ঠিকানা পূর্বাণী হোটেলেও পাঠানোর উপায় ছিল না। দেখি, কী করতে পারি- বলে নবী চৌধুরী চলে গেলেন এবং কিছুক্ষণ পর দেখলাম, উনি কোত্থেকে যেন একটি ময়লা ফেলার ট্রাক ধরে নিয়ে এসেছেন!'
পাকিস্তান যখন নিজেদের অহংবোধ পুষে ন্যাক্কারজনক ঘটনার জন্ম দিয়েই যাচ্ছে একের পর এক, সেই দেশের ক্রিকেটার জহির আব্বাসদের তখন শেষমেশ ঐ ময়লার ট্রাকে উঠে বাঁচতে হয়েছিল। প্রবীণ ক্রিকেট সংগঠক রেজা ই করিম বলেন, 'না উঠে উপায় কী? ওরা তখন স্টেডিয়াম ছাড়তে পারলেই যেন বাঁচে। কমনওয়েলথ একাদশে 




