-
-
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.
নির্বাচিত খবর
লিংকসমূহ
ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
লিগ্যাল তথ্য
More
- নির্বাচিত খবর
- লিংকসমূহ
- ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
- লিগ্যাল তথ্য
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.

এর আগেও এমসিসি ক্রিকেট ওয়ার্ল্ড কাউন্সিলের প্রস্তাবনায় ক্রিকেটে বড় বড় অনেক পরিবর্তনই এসেছে। মূলতঃ ক্রিকেটীয় আইন প্রণেতা সংস্থাই ভাবা হয় এই সংস্থাকে। এমসিসি এবার নতুন দুটি আইনের প্রস্তাব করেছে টেস্ট ক্রিকেটে।
টেস্টে ক্রিকেটের প্রতি আগ্রহ এবং জনপ্রিয়তা বাড়েতে এমন প্রস্তাবনা এনেছে সংস্থাটি। নতুন যে দুটি নিয়মের প্রস্তাবনা এনেছে এমসিসি। এই দুই আইনের মধ্যে একটি হলো-টেস্টেও ফ্রি হিট নিয়ে আসা এবং শট ক্লক।
ফ্রি-হিটের ধারণাটা মোটামুটি সবারই আছে। এতদিন ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিতে ফ্রি-হিটের প্রচলন আগে থেকেই ছিলো। ওয়ানডে আর টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে কোনো বোলার যদি 'নো' বল করেন, তবে পরের বলে ফ্রি-হিট পান ব্যাটসম্যান। যে বলে স্বাভাবিক আউট (ক্যাচ বা লেগ বিফোর) থাকে না, ইচ্ছেমত শট নেয়া যায়। টেস্টেও এমন ফ্রি-হিট চালুর কথা ভাবছে এমসিসি।
এই শট ক্লক সিস্টেমটা কি? এটা হলো এক ধরণের টাইমার, যেটা স্কোরবোর্ডে দেখা যাবে। ওভার শেষে ৪৫ সেকেন্ড সময় গণনা করবে এটা। নতুন ব্যাটসম্যান আসার বেলায় সেটা হবে ৬০ সেকেন্ড আর বোলার পরিবর্তনের জন্য ৮০ সেকেন্ড। এই সময়ের মধ্যে কোন দল যদি সেই চাহিদা পূরণ করতে না পারে, তবে সতর্ক করে দেয়া হবে।
শট ক্লক নিয়ে আসার কারণ হচ্ছে- দেখা যাচ্ছে টেস্ট ক্রিকেটে গত কয়েক বছরে আরেকটি সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করেছে, সেটা হলো স্লো ওভার রেট। সংস্থাটি মনে করছে টেস্ট ক্রিকেটের গতি কমে যাওয়াই নাকি দর্শক হারানোর একটি কারণ।
এদিকে ২০১৮ সালের মে মাসে আইসিসি একটি পরিসংখ্যানে দেখিয়েছে, গত ১১ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি স্লো-ওভার রেটে ম্যাচ হয়েছে গত বছর।
এছাড়া আরো একটি সমস্যা রয়েছে (ডিআরএস), ডিসিশন রিভিউ সিস্টেমের (ডিআরএস) কারণে অনেক সময়ক্ষেপন হচ্ছে। তাই টেস্ট ক্রিকেটের গতি বাড়ানোর চেষ্টায় শট ক্লক সিস্টেম চালু করার কথা ভাবছে এমসিসি।




