-
-
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.
নির্বাচিত খবর
লিংকসমূহ
ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
লিগ্যাল তথ্য
More
- নির্বাচিত খবর
- লিংকসমূহ
- ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
- লিগ্যাল তথ্য
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.

আগে ব্যাট করে এভিন লুইস-কিরণ পোলার্ডের অর্ধশতকে চড়ে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৭ উইকেটের বিনিময়ে ২০১ রানের রান পাহাড় গড়ে ঢাকা ডায়নামাইটস। জবাবে ব্যাট করতে নেমে রান পাহাড়ের চাপায় পড়ে ১৩৩ রানে থামে রাজশাহীর ইনিংস। এই জয়ের ফলে ছয় ম্যাচ থেকে চার জয়সহ মোট নয় পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে ঢাকা। অন্যদিকে চার পয়েন্ট নিয়ে যথারীতি পয়েন্ট তালিকার পঞ্চম স্থানে অবস্থান রাজশাহীর।
টস হারলেও রাজশাহী কিংসের আমন্ত্রণে আগে ব্যাট করার সুযোগ মিলে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ও পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষ দল ঢাকা ডায়নামাইটসের। আর তাতেই শুরু হয় এভিন লুইস ও শহীদ আফ্রিদি ঝড়। ইনিংসের ২৩ বলে দলীয় ৫০ পূর্ণ হয় স্বাগতিকদের।
ইনিংসের পঞ্চম ওভারের প্রথম বলে ৮ বলে ১৫ রান করা আফ্রিদিকে ফেরানোর পর সপ্তম ওভারে ক্রমে ভয়ঙ্কর হতে থাকা জহুরুল ইসলামকে ব্যক্তিগত ১৩ রানে সাজঘরের পথ ধরান রাজশাহীর অফস্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজ। তবে এতে থেমে থাকেনি লুইস ঝড়। ২৯ বলে ৫০ রান পূর্ণ করে আসরে দ্বিতীয় অর্ধশতক তুলে নেন বাঁহাতি এই হার্ডহিটার ব্যাটসম্যান।
অর্ধশতক পূর্ণ করে ইনিংসকে আর বড় করতে পারেননি লুইস। দেশি পেসার হোসেন আলির ফাঁদে পড়ে থামে ৬৫ রান করা লুইসের ইনিংস। এরপর দ্রুততম সময়ে নাদিফ, সাকিব ও সাঙ্গাকারাদের ফিরিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ কিছুটা নিজেদের দিকে আনলেও শেষ দিকে কিরণ পোলার্ড ঝড় তছনছ হয়ে যায় রাজশাহীর স্বপ্ন।
ক্যারিবিয়ান এই ব্যাটসম্যানের ঝড়ো ২৫ বলের ৫২ রানের ইনিংসে চড়ে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে আসরের তৃতীয় সর্বোচ্চ ৭ উইকেটে ২০১ রানের ইনিংসের সন্ধান পায় ঢাকা। তিন বিশাল ছক্কা ও পাঁচ চারের মারে ৫২ রানের বিধ্বংসী ইনিংসটি সাজান পোলার্ড। রাজশাহীর পক্ষে হোসেন আলি তিনটি ও মিরাজ দুটি উইকেট শিকার করেন। এছাড়া হাবিবুর রহমান ও সামিত প্যাটেল একটি করে উইকেট লাভ করেন।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের শুরুতেই রান পাহাড়ের চাপে পড়ে রাজশাহী। দলীয় ১১ রানে রনি তালুকদার ও প্যাটেলের উইকেট তুলে নিয়ে রাজশাহীর চাপটা আরো বাড়িয়ে দেন আবু হায়দার রনি। তৃতীয় উইকেট জুটিতে বিপর্যয় কাটিয়ে উঠতে সর্বোচ্চটা দিয়ে লড়ে যান আগের ম্যাচে অর্ধশতক করে রাজশাহীকে ম্যাচ জেতানো জাকির হাসান। মুমিনুলকে সাথে নিয়ে ঝড়ের গতিতে লক্ষ্যমাত্রার দিকে এগিয়ে যেতে থাকেন তিনি। মুমিনুলকে আফ্রিদি আউট করে বিচ্ছিন্ন করেন এই জুটি।
১৬ রান করা মুমিনুলকে হারিয়ে বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি জাকির। ফিরে যান ২৩ বলে সর্বোচ্চ ৩৬ রানের ইনিংস খেলে। এরপর ম্যাচের বাকিটা সময় রাজত্ব চলে ঢাকার হয়ে খেলা 




