-
-
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.
নির্বাচিত খবর
লিংকসমূহ
ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
লিগ্যাল তথ্য
More
- নির্বাচিত খবর
- লিংকসমূহ
- ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
- লিগ্যাল তথ্য
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.

দুবাইয়ে এশিয়া কাপ ক্রিকেটের ফাইনাল ম্যাচে এদিন দুর্দান্ত শুরু এনে দেন লিটন। একপর্যায়ে অন্য প্রান্তের ব্যাটসম্যানরা ড্রেসিংরুমে ফেরার মিছিলে যোগ দিলেও লিটন খেলছিলেন একপ্রান্ত আগলে রেখেই। তবে দলীয় ১৮৮ ও ব্যক্তিগত ১২১ রানের মাথায় নিজের মোকাবেলা করা ১১৭তম বলে কূলদীপ যাদবের ডেলিভারিতে মহেন্দ্র সিং ধোনিং স্ট্যাম্পিংয়ের শিকার হন লিটন।
অনফিল্ড আম্পায়ার তৃতীয় আম্পায়ারের সাহায্য চাইলে টিভি রিপ্লেতে দেখে মনে হচ্ছিল, লিটনের পা ধোনির হাত স্ট্যাম্প ছোঁয়ার সময় নিরাপদ রেখার মধ্যেই ছিল। ব্যাটসম্যানের পা নিরাপদ অবস্থানে থাকলে আউট দেওয়ার প্রশ্ন আসে কি না সেটি বিতর্কিত প্রসঙ্গ। তাও যদি আম্পায়ারের দ্বিধা থাকে, সেক্ষেত্রে ‘বেনিফিট অব ডাউট’ টার্ম ব্যবহার করে ব্যাটসম্যানের পক্ষে রায় দেওয়ার বিধান রয়েছে। কিন্তু সবাইকে অবাক করে দিয়ে তৃতীয় আম্পায়ার রড টাকার কয়েক মিনিটের দ্বিধার পরও আউটের সংকেত দেন।
লিটনের বিদায়ের পর ভেঙে যায় বাংলাদেশের মনোবল। তাতে টাইগারদের সংগ্রহও হয়নি লড়াকু। ইনিংস শেষে আলোচনার বেশিরভাগ অংশ জুড়েই ছিল লিটনের বিরুদ্ধে আম্পায়ারের দেওয়া ভুল সিদ্ধান্ত।
তবে এবারই প্রথম নয়। ইতিপূর্বে আরও দুটি ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে আম্পায়ারের ভুল সিদ্ধান্তের শিকার হয়েছিল বাংলাদেশ। আর একে আম্পায়ারদের স্পষ্টত ভারত-প্রীতি বা ভারতের প্রতি পক্ষপাতমূলক আচরণ বলে মনে করেন অনেকে। ২০১২ সালে এশিয়া কাপে শচীন টেন্ডুলকারের শততম শতকের ম্যাচে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে সাকিব আল হাসানকে ব্যক্তিগত ৪৯ রানের মাথায় একইভাবে ভুল সিদ্ধান্ত প্রদান করেছিলেন ঐ ম্যাচের তৃতীয় আম্পায়ার রুচিরা পালিয়াগুরুগে। যদিও টিভি রিপ্লে বলছিল, সাকিবের পা রয়েছে নিরাপদ অবস্থানেই। আম্পায়ারের বিতর্কিত আচরণের পরও ঐ ম্যাচে ৫ উইকেটের জয় পায় বাংলাদেশ।
এরপর ২০১৫ সালে ঘটেছিল আরও রগরগে ভুল সিদ্ধান্তের ঘটনা। বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচে বাংলাদেশের বিপক্ষে একাধিক ভুল সিদ্ধান্ত দিয়েছিলেন ঐ ম্যাচের দুই আম্পায়ার আলিম দার ও ও ইয়ান গোল্ড। ঐ ভুল সিদ্ধান্তগুলো বাংলাদেশের পারফরম্যান্সে এমন নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছিল যে শেষদিকে ভালো খেলার মনোবলই হারিয়ে ফেলেছিল বাংলাদেশ।
নার্ভাস নাইন্টিজে পৌঁছে রুবেল হোসেনের বলে তুলে মারতে গিয়ে বাউন্ডারি লাইনে ইমরুল কায়েসের হাতে সেদিন তালুবন্দী হন রোহিত শর্মা। কিন্তু আম্পায়ার রুবেলের ডেলিভারিকে নো বলের সংকেত দেন। নিয়ম অনুযায়ী, মাটি স্পর্শ না করে বল ব্যাটসম্যানের কোমরের উপর থাকলে সেটি নো বল হিসেবে গণ্য হবে। কিন্তু রুবেলের বল ছিল রোহিতের কোমরেরও অনেক নিচে। আম্পায়ার আলিম দার ও ইয়ান গোল্ডের এমন সিদ্ধান্তে সেদিন অবাক হয়েছিলেন খোদ ম্যাচের ধারাভাষ্যকাররাই। অযৌক্তিকভাবে জীবন পেয়ে পরে মারকুটে ব্যাটিং শুরু করেন রোহিত, যেখানে প্রতিটি রান ছিল আম্পায়ারের ভুল সিদ্ধান্তের ফলাফল।
বিতর্কিত সিদ্ধান্ত ছিল আরও একটি। ঐ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সবচেয়ে সফল ব্যাটসম্যান রিয়াদের ক্যাচ ধরেছিলেন শিখর ধাওয়ান। কিন্তু বল ধরার সময় ধাওয়ানের পা স্পর্শ করেছিল চারের সীমানা। এতে নিশ্চিতভাবেই আউট না হয়ে এটি চার হওয়ার কথা। কিন্তু তৃতীয় আম্পায়ার স্টিফ ডেভিস বিশ্লেষণের পর এটিকে আউট বলে ঘোষণা করেন।
এশিয়া কাপের ফাইনাল ম্যাচে আবারও যখন ভারতের মুখোমুখি বাংলাদেশ, তখন ঘুরেফিরে আসছিল আম্পায়ারিংয়ের বিষয়টি। আর্থিক দিক বিবেচনায় আইসিসির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সদস্য দেশের পক্ষে আম্পায়ারিং করতে গিয়ে এবারও বাংলাদেশকে নিগ্রহ করা হয় কি না, এটিই ভাবছিলেন ক্রিকেট সমর্থকরা। শেষপর্যন্ত হয়ত সত্যি হয়েছে সেটিই!





