-
-
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.
নির্বাচিত খবর
লিংকসমূহ
ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
লিগ্যাল তথ্য
More
- নির্বাচিত খবর
- লিংকসমূহ
- ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
- লিগ্যাল তথ্য
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.
সাকিব আল হাসান, ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলার সময় যখন পেয়েছিলেন চোট। © বিডিক্রিকটাইম[/caption]
পুরনো চোট সাকিবকে ঠিকমত ব্যাট ধরতে দিচ্ছে না। আর তাই চিকিৎসার মুখোমুখি হতে হচ্ছে আবারও। বিসিবির ফিজিও-চিকিৎসকরা আগেই জানিয়েছেন, ছুরির স্পর্শেই এই ইনজুরি থেকে মুক্ত হতে হবে সাকিবকে। কিন্তু বিপত্তি আছে সেখানেও।
সম্প্রতি উইন্ডিজ সফর শেষ করে দেশে ফেরা বাংলাদেশ দলের সামনে আঁটসাঁট শিডিউল। এই ক্রিকেটীয় সূচি পূরণ করতে ক্রিকেটারদের ব্যস্ত থাকতে হবে ২২ গজে। সাকিবের অস্ত্রোপচারের পর সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে মাঠে ফিরতে লাগবে নিদেনপক্ষে ২ মাস। শিডিউলের দিকে চোখ রাখলে এটি স্পষ্ট, অস্ত্রোপচারের পর কোনো না কোনো সিরিজ বা টুর্নামেন্টে অনুপস্থিত থাকতে হবে দলের সেরা ক্রিকেটারকে।
এখন সমস্যা দেখা দিয়েছে যে বিষয়টি নিয়ে সেটি হল- কোন সিরিজ বা টুর্নামেন্ট মিস করবেন সাকিব? আগামী মাসেই সংযুক্ত আরব আমিরাতে বসবে ওয়ানডে ফরম্যাটের এশিয়া কাপের আসর। এরপর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হোম সিরিজ। সামনে রয়েছে আরও সূচি। তবে বিশ্বকাপকে সামনে রেখে সাকিবের সুস্থ হয়ে ওঠা প্রয়োজন নভেম্বরের আগেই, অর্থাৎ জিম্বাবুয়ে সিরিজ বা এশিয়া কাপের একটি বিসর্জন দিতে হবে। সাকিবের চাওয়া- পুরোপুরি সুস্থ হয়েই আর ফিরবেন মাঠে। তাই হজ শেষ করে জায়গা নেবেন শল্যবিদের ছুরির নিচে। কিন্তু বোর্ড প্রেসিডেন্ট নাজমুল হোসেন পাপন সাকিবকে চান এশিয়া কাপে। তার ইচ্ছে, জিম্বাবুয়ে সফরের সময়টায় ইনজুরি সারার কাজটুকু করবেন সাকিব।
এমন দোটানায় সিদ্ধান্ত ছেড়ে দিতে হচ্ছে চিকিৎসকের হাতেই। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে সাকিবের ইনজুরি আক্রান্ত হাতের চিকিৎসা করবেন অস্ট্রেলীয় চিকিৎসক গ্রেগ হোয়ে। কবে তিনি সাকিবকে চিকিৎসা দেবেন, এটি তাই ছেড়ে দেওয়া হয়েছে তার উপরই।
এ প্রসঙ্গে বিসিবি চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরী সংবাদমাধ্যমকে জানান, সাকিবের ইনজুরি আক্রান্ত হাতের আঙুলে অস্ত্রোপচারের ব্যাপারে তারা কোনো সিদ্ধান্ত নেননি এখনও। কিংবা এই সিদ্ধান্তে বোর্ড প্রেসিডেন্টের চাওয়ার (সাকিব যাতে এশিয়া কাপে খেলেন) কোনো প্রভাবও থাকবে না। গ্রেগ হোয়ে নিজে যে সিদ্ধান্ত দেবেন বা সাকিবকে এপয়েন্টমেন্ট দিবেন, তখনই হবে সাকিবের অস্ত্রোপচার।
দেবাশীষ জানান, বাংলাদেশ দলের ফিজিও তিহান চন্দ্রমোহন উইন্ডিজ সফর থেকে ফিরে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে পাড়ি জমিয়েছেন। আনুষ্ঠানিকভাবে সেটিই তার নিবাস। ছুটি কাটাতে যাওয়ার সময় তার ব্যাগেজে জায়গা পেয়েছে সাকিবের মেডিকেল রিপোর্টের কাগজপত্রও। চন্দ্রমোহন সেটি হস্তান্তর করবেন হোয়ের কাছে। এরপর হোয়ে জানাবেন সিদ্ধান্ত।
দেবাশীষ বলেন, ‘আমরা চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত এখনই নিয়ে ফেলছি না। আমাদের ফিজিও অস্ট্রেলিয়ায় গেছেন। তার সুবিধা হলো তিনি মেলবোর্নেই থাকেন। সেখানে সাকিবের ডাক্তার গ্রেগ হোয়েকে রিপোর্ট দেখাবেন তিনি। সেসব দেখে হোয়ে যে পরিকল্পনা বা পরামর্শ দেবেন, আমরা এগোব তার ভিত্তিতেই।’
পেশাদার চিকিৎসক হিসেবে আরেক পেশাদার সাকিবকে বেশিদিন অপেক্ষায় রাখতে চাইবেন না হয়ত হোয়ে। এজন্য সাকিবকে তিনি এপয়েন্টমেন্ট দিতে পারেন নিকট ভবিষ্যতেই। সেক্ষেত্রে পবিত্র হজ পালন শেষেই হয়ত সাকিবকে অস্ত্রোপচার করিয়ে ফেলতে হতে পারে। এতে অবশ্য খুশিই হবেন সাকিব। চোট নিয়ে খেলে ঝামেলা বাড়ানোর ঝুঁকি না নিতে বিশ্বের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার নিজেই চাচ্ছিলেন, অস্ত্রোপচারের ঝামেলা একেবারে চুকিয়ে তবেই ফিরবেন ক্রিকেটে।
বছরের শুরুতে ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলার সময় ফিল্ডিং করতে গিয়ে বাম হাতের কড়ে আঙুলে চোট পেয়েছিলেন সাকিব। ঐ ইনজুরির পর সাকিবের অস্ত্রোপচার হয়নি। ভেবে নেওয়া হচ্ছিল, সহসাই সুস্থ হয়ে উঠবেন তিনি। দুই মাসের বিরতির পর সাকিব মাঠে ফিরেছিলেন ঠিকই। তবে কড়ে আঙুল এখনও পুরোপুরি সমস্যা বা চোটমুক্ত হয়নি। আর তাই সাকিবকে করতেই হবে অস্ত্রোপচার, যার কারণে আরও মাসদুয়েক থাকতে হবে মাঠের বাইরে।





