-
-
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.
নির্বাচিত খবর
লিংকসমূহ
ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
লিগ্যাল তথ্য
More
- নির্বাচিত খবর
- লিংকসমূহ
- ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
- লিগ্যাল তথ্য
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.

ডাবলিনের দ্য ভিলেজে টস জিতে আগে ব্যাটিং করতে নামে দক্ষিণ আফ্রিকা। সফরকারীদের পক্ষে উড়ন্ত শুরু করেন ডি কক ও মালান। তাদের উদ্বোধনী জুটি ভাঙতে আয়ারল্যান্ডকে অপেক্ষা করতে হয় ৩৭তম ওভার পর্যন্ত। সিমি সিংয়ের বলে মার্ক এডাইরের হাতে ডি কক ক্যাচ দিয়ে ফিরলে ভাঙে তাদের ২২৫ রানের উদ্বোধনী জুটি।
সাজঘরে ফেরার আগে ডি কক খেলেন ৯১ বলে ১২০ রানের দ্রুতগতির ইনিংস। তার ঝলমলে এই ইনিংসটি সাজানো ছিল ১১টি চার ও ৫টি ছক্কায়।
দ্বিতীয় উইকেটে র্যাসি ফন ডার ডুসেনকে নিয়ে ৮১ রানের জুটি গড়েন মালান। ক্রেইগ ইয়নের শিকার হয়ে ডুসেন ফেরেন ২৮ বলে ৩০ রান করে। ব্যর্থ হন হেনরিখ ক্লাসেন (৩) ও অ্যান্ডিলে ফেহশুকাইয়ো (৬)। অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা অপরাজিত থাকেন ৩ বলে ৩ রান করে।
মালান খেলেন ১৭৭ রানের এক দুর্দান্ত ইনিংস। এই ইনিংস খেলতে তিনি বল খরচ করেন ১৬৯টি। পুরো ৫০ ওভার খেলেই মাঠ থেকে বের হন ডানহাতি ব্যাটসম্যান। তার ব্যাট থেকে আসে ১৬টি চার ও ৬টি ছক্কা।
নির্ধারিত ৫০ ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকা সংগ্রহ করে ৪ উইকেটে ৩৪৬ রান। আয়ারল্যান্ডের পক্ষে ২টি উইকেট শিকার করেন জশুয়া লিটল।
বিশাল রান তাড়া করতে নেমে আইরিশরা শুরুতেই হোঁচট খায়। ১২ রানে প্রথম উইকেট হারানো দলটি ষষ্ঠ উইকেট হারায় ৯২ রানে। দক্ষিণ আফ্রিকার জয় যখন কেবলই সময়ের ব্যাপার ছিল তখন রুখে দাঁড়ান কার্টিস ক্যামফার ও সিমি সিং।
সপ্তম উইকেটে ১০৪ রানের জুটি গড়েন ক্যামফার ও সিমি। ক্যামফারকে বিদায় দিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য অস্বস্তিকর এই জুটি ভাঙেন ফেহশুকাইয়ো। ক্যামফারের ব্যাট থেকে আসে ৫ চার ও ১ ছক্কায় ৫৪ বলে ৫৪ রান। ১৯৭ রানে সপ্তম উইকেট হারায় আয়ারল্যান্ড।
সিমি সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে অপরাজিত থাকেন। ৯১ বলে ১০০ রান করেন তিনি। ওয়ানডে ক্রিকেটের ইতিহাসে সিমি প্রথম ব্যাটসমান হিসেবে ৮ নং বা তার নিচে ব্যাটিংয়ে নেমে সেঞ্চুরি হাঁকালেন সিমি। তার এই সেঞ্চুরি কেবল আইরিশদের পরাজয়ের ব্যবধান কমিয়েছে।





