-
-
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.
নির্বাচিত খবর
লিংকসমূহ
ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
লিগ্যাল তথ্য
More
- নির্বাচিত খবর
- লিংকসমূহ
- ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
- লিগ্যাল তথ্য
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.
আরিফুল হক। ছবিঃ বিডিক্রিকটাইম[/caption]
বিপিএলের মতো আসরে এক ছাতার নিচে আসেন বিশ্বের সব দেশের ক্রিকেটাররা। তাদের কাছ থেকে শেখাও হয় অনেক কিছু। আর এই কারণে বিপিএল আরিফুলের কাছে বড় এক মঞ্চ।
সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিককে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, 'বিপিএল হলো একটা বড় মঞ্চ। আপনি যদি ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলেন, সেখানে কিন্তু বিপিএলের মতো তারকা ক্রিকেটাররা খেলে না। ঘরোয়া ক্রিকেটে কোয়ালিটি ফুল খেলোয়াড় পাওয়া যায় না। বিপিএল খেললে আপনি সব বিদেশি ক্রিকেটারদের ফেস করবেন। ফেস করলে, ওদের সঙ্গে আপনি কম্পায়ার করতে পারবেন। ওদের তুলনায় কতটুকু আমি যোগ্য।'
আরিফুলের ভাষ্য, বিপিএল খেললে বোঝা যায় নিজের 'লেভেল', 'বিপিএল খেললে নিজের লেভেলটা বোঝা যায়। ঘরোয়া ক্রিকেট খেললে ওই লেভেলটা বোঝা যায় না। বিপিএল খেলাতে কলিজাটা অনেক বড় হয়ে যায়। তখন কনফিডেন্টটা আসে। তখন মনে হয়, আমি তো ওদের ফেস করেছি, ওদের বিপক্ষে ভালো খেলেছি। তখন আত্মবিশ্বাস চাঙা হয়। এরকম আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর জন্য বিপিএলটা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।'
বিদেশি ক্রিকেটারদের কাছে পেয়ে অনেক অভিজ্ঞতা অর্জিত হয়েছে আরিফুলের। এ প্রসঙ্গে তিনি জানান, 'আমি ব্র্যাথওয়েটকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, তুমি স্লোগের সময়, গোড়ার বল কীভাবে ছয় মার। ও আমায় একটা কথাই বলেছে, তোমার যদি ব্যালেন্স ঠিক থাকে তাহলে তুমি পারবে। ও আমায় বলেছে, যখন তুমি বলে হিট করবে তখন তোমার শরীর নড়াবে না। শরীর একদম স্টিল রাখবা। আর জোরে মারার জন্য তোমার ব্যালেন্স গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া মাহেলা জয়াবর্ধনে, কুমার সাঙ্গকারার সঙ্গেও কথা হয়েছে। সব সময়ই চেষ্টা করি ফরেনারদের কাছ থেকে কিছু নেয়ার।'
২৫ বছর বয়সী ক্রিকেটার আরিফুল হক পঞ্চম বিপিএলে খেলেছেন চোখ ধাঁধানো কিছু ইনিংস। আর এতে তাকে জাতীয় দলে খেলানোর ব্যাপারেও হচ্ছে আলোচনা। এ নিয়ে অবশ্য বেশ গোছানো মন্তব্য তার- 'আপনি যদি টি-টোয়েন্টি খেলতে পারেন তাহলে ওয়ানডেও খেলতে পারবেন। আমার ব্যক্তিগত মত, টি-টোয়েন্টি ওয়ানডের মতই সেম একটা ফরম্যাট। আমি যেখানে খেলতে নামব হয়তো ১৫ ওভার বা ২০ ওভার, ওই সময়ে আমি যদি গুছিয়ে খেলতে পারি তাহলে ওয়ানডে বলেন আর টি-টোয়েন্টি বলেন দুটোতেই সফল হওয়া যায়। আমার কাছে এই দু'টা ফরম্যাট একই লাগে।'
ভবিষ্যতে জাতীয় দলে সুযোগ পেলে নিজের সেরাটা ঢেলে দিতে চান রংপুরের এই ক্রিকেটার। তিনি বলেন, 'আমাকে যদি ক্রিকেট বোর্ড সুযোগ দেয়, তাহলে আমি আমার সর্বোচ্চ দিয়ে খেলার চেষ্টা করব। আমি আমার জায়গা ধরে রেখে খেলার চেষ্টা করব। কখনই জায়গা ছাড়ব না। এমন মানসিকতা আমার মধ্যে আছে। আর জাতীয় দলে খেলার জন্য সেই ছোট বয়স থেকেই স্বপ্ন দেখে আসছি। জাতীয় দলে খেলা, অন্যরকম একটা ফিলিংস। দেশের জন্য খেলা আসলে অনেক গর্বের বিষয়। আর আমি সুযোগ পেলে, সেটা কাজে লাগানোর চেষ্টা করব।'
দৈনিকটির সাথে আলাপকালে ক্রিকেটে নিজের হাতেখড়ি এবং উঠে আসার গল্পটাও জানান আরিফুল। তিনি বলেন, 'আমি ছোটবেলা থেকেই ক্রিকেট খেলছি। ২০০২ সালে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়া অবস্থায় স্কুল ক্রিকেট খেলেছি। তখন আমি অনেক ছোট। তখন আমি এত ছোট ছিলাম, আমার ব্যাট কোমরে এসে লাগত। এমন ছিল, আমি প্রথম যখন খেলি, তখন আমারই প্যাড পরা দেখে সবাই হাসছিল। ব্যাটিংয়ে নামার সময় সবাই তালি দিচ্ছিল। হাতেখড়ি তেমন কিছু নেই। আমি স্কুলে ক্রিকেটে খেলার পর থেকে রংপুরে প্রেকটিস করতাম। এরপর ২০০৫ সালে অনূর্ধ্ব-১৩ খেললাম। ২০০৮ সালে অনূধর্ব-১৯ দলের হয়ে খেলেছি। যুব বিশ্বকাপে আমার সঙ্গে খেলেছে- রুবেল হোসেন, 




