-
-
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.
নির্বাচিত খবর
লিংকসমূহ
ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
লিগ্যাল তথ্য
More
- নির্বাচিত খবর
- লিংকসমূহ
- ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
- লিগ্যাল তথ্য
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.

৩৭ বলে ৫২ রানের ইনিংস খেলে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন মোসাদ্দেক।[/caption]
আবাহনী-মোহামেডান লড়াই মানেই অন্যরকম আমেজ তৈরি হওয়া। অবশ্য ৯০ দশকে এই দুই দলের ম্যাচকে ঘিরে দর্শকদের মধ্যে যে উত্তেজনার সৃষ্টি হতো সময়ের ব্যবধানে তা প্রায় হারাতে বসেছে। তবুও দুই দলই মুখিয়ে থাকে সেরা হওয়ার দ্বৈরথে।
আর সেই দ্বৈরথে কাছে হারাল মোহামেডান। মোসাদ্দেকের ৩৭ বলে ৫২ রানের অপরাজিত ইনিংস ও আফিফের ৩৮ বলে ৪৮ রানের অপরাজিত ইনিংসে আবাহনীর সামনে পাত্তাই পায়নি মাহমুদউল্লাহ-হাফিজদের মোহামেডান।
মিরপুরে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর লড়াইয়ে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন আবাহনী অধিনায়ক মোসাদ্দেক। অফফর্মে থাকা সৌম্যকে ছাড়াই মাঠে নামে মোহামেডান। তাঁতেও যে দলের ব্যাটিন দুর্দশা কাটেনি মোহামেডানের। উদ্বোধনী জুটি টিকে ৩৭ রান পর্যন্ত।
সৌম্য না থাকায় রনি কিছুটা লড়াই করার চেষ্টা করেছেন। তবে তাঁকে থামতে হয় ব্যক্তিগত ৩৪ রানে। আরাফাত সানির বলে এলবিডব্লুর শিকার হন রনি। ৫৯ রানে দুই উইকেট হারানোর পর অভিজ্ঞ হাফিজ ও রুবেল মিয়াঁর ব্যাটে প্রতিরোধ গড়ে তোলে মোহামেডান।
এই দুই ব্যাটারের সুবাধে বড় সংগ্রহ উঁকি দিচ্ছিল মোহামেডানের স্কোরবোর্ডে। রুবেল ও হাফিজকে থামানোর চেষ্টা চালিয়ে গেলেও ব্যর্থ হন আবাহনীর বোলাররা। এই দুজনের ১১৫ রানের জুটি ভাঙেন তানভির। ১০১ বলে ৭০ রান হাফিজের স্ট্যাম্প ভাঙেন তানভির।
রুবেলও অর্ধশতক (৫১) হাঁকিয়ে সাইফউদ্দিনের বলে বিদায় নেন। পরপর দুই উইকেট পড়লে বিপদেই পড়ে মোহামেডান। সেই বিপদ থেকে দলকে কিছুটা উদ্ধার করেন অভিজ্ঞ মাহমুদউল্লাহ। আরিফুল ও শুভাগতর সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে ভালো স্কোর এনে দেওয়ার চেষ্টা করেন।
[caption id="attachment_197009" align="aligncenter" width="639"]
চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহামেডানকে ৬ উইকেটে হারাল আবাহনী।[/caption]
তার করা ৩৭ বলে ৪২ রানে মোহামেডানকে থামতে হয় ২৫৫ রানে। আবাহনীর হয়ে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট লাভ করেন সাকিব ও দুটি নেন আফিফ। মোহামেডানের দেওয়া লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই নাঈম শেখকে হারায় আবাহনী।
মুনিমও থিতু হয়ে ২৫ বলে ৩১ রান করে আউট হন। তৃতীয় উইকেট জুটিতে বিহারি ও জাকেরের ব্যাটে ঘুরে দাঁড়ায় আবাহনী। এই দুজন জয়ের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাটিং করেন। অর্ধশতক হাঁকানোর পর ৮০ বলে ৫৯ রান করে আউট হন বিহারি।
জাকের জুটি বাঁধেন আফিফের সঙ্গে। কিছুটা ধীরগতির ইনিংস খেললেও অর্ধশতক পূর্ণ করেন তিনি। তবে তাঁকে থামতে হয় দলীয় ১৭১ রানে। তখনও আবাহনীর প্রয়োজন ছিল ১৩ ওভারে ৮৫ রান।
পঞ্চম উইকেট জুটিতে দলকের জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন আফিফ ও মোসাদ্দেক। তাঁদের ব্যাটে ভর করে ২২ বল বাকি থাকতেই মোহামেডানকে পরাজয়ের স্বাদ দেয় চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আবাহনী।





