-
-
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.
নির্বাচিত খবর
লিংকসমূহ
ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
লিগ্যাল তথ্য
More
- নির্বাচিত খবর
- লিংকসমূহ
- ইনফরমেশন ও যোগাযোগ
- লিগ্যাল তথ্য
██████╗ ██████╗ ██████╗ ███████╗██████╗ ███████╗ ██╗ ██████╗ ██████╗ ███╗ ███╗
██╔════╝██╔═══██╗██╔══██╗██╔════╝██╔══██╗╚════██║███║ ██╔════╝██╔═══██╗████╗ ████║
██║ ██║ ██║██║ ██║█████╗ ██████╔╝ ██╔╝╚██║ ██║ ██║ ██║██╔████╔██║
██║ ██║ ██║██║ ██║██╔══╝ ██╔══██╗ ██╔╝ ██║ ██║ ██║ ██║██║╚██╔╝██║
╚██████╗╚██████╔╝██████╔╝███████╗██║ ██║ ██║ ██║██╗╚██████╗╚██████╔╝██║ ╚═╝ ██║
╚═════╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚══════╝╚═╝ ╚═╝ ╚═╝ ╚═╝╚═╝ ╚═════╝ ╚═════╝ ╚═╝ ╚═╝
Developed By Coder71 Ltd.
জাতীয় দলে ব্যাটিংয়ে মিরাজ ধারাবাহিক সাফল্য না পাওয়ার কারন মূলত তার ব্যাটিং পজিশন। অনূর্ধ্ব-১৯ দলে মিরাজ সব সময় মিডল অর্ডার বা টপ অর্ডারে ব্যাটিং করে এসেছেন। কিন্তু জাতীয় দলে সিনিয়র ব্যাটসম্যানদের ভিড়ে তার পজিশন চলে যায় লোয়ার অর্ডারে। মূলত মিডল অর্ডারের ব্যাটসম্যান মিরাজ লোয়ার অর্ডারে নিজেকে মানিয়ে নিয়ে ধারাবাহিক হতে পারেননি। যার ফলে জাতীয় দলে টেস্টে ৩৪ ইনিংসে মাত্র ২ টি ও ওডিআইতে মাত্র ১ টি অর্ধশতক মিরাজের।
জাতীয় দলে ওপেনিং সমস্যার কারনে এশিয়া কাপে ভিন্ন কিছু করতে টিম ম্যানেজমেন্ট অনিয়মিত কাউকে ওপেনিংয়ে নামানোর সিদ্ধান্ত নেয়। সেই সিদ্ধান্তে টপ অর্ডারে (ওপেনিং) ব্যাটিং করার সুযোগ পান মিরাজ। সুযোগটা কাজে লাগিয়ে সফলও হন তিনি। মিরাজ-লিটনের ওপেনিং পার্টনারশিপ হয় ১২০ রানের। যেখানে মিরাজের অবদান ছিল ৩২ রান।
এবারের বিপিএলেও রাজশাহী কিংসের দ্বিতীয় ম্যাচেও টপ অর্ডারে ব্যাটিংয়ে নামেন রাজশাহীর অধিনায়ক মিরাজ। ওয়ান ডাউনে ব্যাটিং করতে নেমে সফল হন মিরাজ। ৪৫ বলে করেন ৫১ রান। নিজেদের পরের ম্যাচে কুমিল্লার বিপক্ষে ওপেনিংয়েই নামেন মিরাজ। এবারও তিনি সফল। করেন ১৭ বলে ৩০ রান।
কুমিল্লার উইকেটরক্ষক এনামুল হক বিজয় মূলত ওপেনিং ব্যাটসম্যান। কিন্তু দলে তামিম, ইমরুল, লুইস, স্মিথ, মালিকদের ভিড়ে আর ওপেনিংয়ে নামার সুযোগ পাচ্ছিলেন না বিজয়। কুমিল্লার প্রথম দুই ম্যাচে ছয় নম্বরে ব্যাট করতে নেমেছিলেন তিনি। একজন ওপেনিং ব্যাটসম্যান ছয় নম্বরে নেমে সফল হতে পারেন নি। প্রথম ম্যাচে ২ ও পরের ম্যাচে ৫ রান করেই আউট হয়ে যান বিজয়।
অবশেষে নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে রাজশাহী কিংসের বিপক্ষে ওপেনিংয়ে নামার সুযোগ পান এনামুল হক বিজয়। তিনিও সফল হয়েছেন নিয়মিত ব্যাটিং পজিশন ফিরে পেয়ে। ৩২ বলে করেছেন ৪০ রান। ইনিংসে ৪ টি চার ও ১ টি ছয়ের মার।
প্রতিটা ব্যাটসম্যানই তার নিয়মিত ব্যাটিং পজিশনেই নিজের স্বাভাবিক খেলাটা খেলতে পারেন।




